Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Mukul Roy

মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজ করল হাই কোর্ট, শুভেন্দু বললেন, ‘ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত’

মুকুল তৃণমূল ফিরে আসার পর তাঁর বিধায়কপদ খারিজের দাবিতে স্পিকারের দ্বারস্থ হয় বিজেপি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৩, ২০২৫, ১৯:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৩, ২০২৫, ১৯:০২

options
link
মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজ করল হাই কোর্ট, শুভেন্দু বললেন, ‘ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত’ zoom
ফাইল ছবি

গোবিন্দ রায়: মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজ করল কলকাতা হাই কোর্ট। দলত্যাগ বিরোধী আইন অনুযায়ী কৃষ্ণনগর উত্তরের বিধায়কের পদ খারিজের নির্দেশ দিলেন বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চ। একই সঙ্গে বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের সিদ্ধান্ত খারিজ করেছে কলকাতা হাই কোর্ট। এই রায়ের পর শুভেন্দু অধিকারী সোশাল  মিডিয়ায় পোস্ট করে লিখলেন, ‘ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত’।

এক সংবাদ মাধ্যমে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “কেউ দলত্যাগ করলে পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে যান। আমিও তাই করেছি।  সিপিএম, কংগ্রেস তাদের বিধায়কদের রক্ষা করতে পারেনি। এটা আমাদের জয়।” হাই কোর্টের নির্দেশ পর মুখ খুলেছে তৃণমূলও। আদালতের রায়ের বিরোধিতা করা যায় না জানিয়ে তৃণমূলের মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দুকে বিঁধে বলেন, “মুকুলদা অসুস্থ রয়েছেন। সুস্থতা কামনা করি। কিন্তু শুভেন্দুর রাজনৈতিক দ্বিচারিতা প্রকাশ পেয়েছে। নিজের বাবা-ভাইয়ের ক্ষেত্রে তাঁর দলত্যাগ বিরোধী আইনের কথা মনে পড়ে না।” 

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের নভেম্বরে গেরুয়া শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূলের (TMC) তৎকালীন সর্বভারতীয় সম্পাদক মুকুল রায় (Mukul Roy)। কয়েকবছর পর তাঁর ছেলে শুভ্রাংশুও দলবদল করেন। ২০২০ সালে দলের হয়ে ভাল কাজ করার পুরস্কার হিসেবে বিজেপিতে (BJP) সর্বভারতীয় সহ-সভাপতির দায়িত্ব পান মুকুল। একুশের বিধানসভা ভোটে প্রায় প্রচার ছাড়াই কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্র থেকে বড় ব্যবধানে জেতেন মুকুল রায়। কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনের পরপরই তিনি নিজের পুরনো দল তৃণমূলে ফিরে যান। ২০২১ সালের ১১ জুন তৃণমূল ভবনে তৃণমূলের উত্তরীয় পরে সাংবাদিক সম্মেলনও করেছিলেন তিনি।

মুকুলের এই ঘর ওয়াপসির পরই তাঁর বিধায়কপদ খারিজের দাবিতে স্পিকারের দ্বারস্থ হয় বিজেপি। যদিও বিধানসভায় মুকুলের আইনজীবীরা বরাবরই দাবি করে এসেছেন, তিনি বিজেপির বিধায়ক। কখনও দলবদল করেননি। এর মধ্যে আবার শাসকদলে বদান্যতায় PAC’র চেয়ারম্যান পদও যায় মুকুলের হাতেই। সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেও আবেদন করে বিজেপি। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। বিজেপির সব অভিযোগ খারিজ করে মুকুলের বিধায়ক পদ বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন স্পিকার। মামলা দায়ের করেন শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপির অম্বিকা রায়। সেই মামলা এতদিন বিচারাধীন ছিল। আজ, বৃহস্পতিবার সেই মামলায় মুকুলের বিধায়ক পদ খারিজের নির্দেশ আদালতের। আইনজীবী মহলের ব্যাখা, হাই কোর্টের নির্দেশে কোনও বিধায়কের পদ যাওয়া কার্যত নজিরবিহীন ঘটনা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.