Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Calcutta High Court

তৃণমূল আমলে প্রতিবন্ধী ভাতাতেও দুর্নীতি! দ্রুত তদন্ত শেষ করতে বলল হাই কোর্ট

আইনজীবী ওমর ফারুক গাজী জানান, "প্রকৃত প্রতিবন্ধী ও যোগ্য ব্যক্তিদের জন্য বরাদ্দ সরকারি অর্থ বেআইনিভাবে এমন ব্যক্তিদের মধ্যে বিলি করা হয়েছে, যাঁদের ওই ভাতা পাওয়ার আইনগত অধিকার নেই।"

গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬, ২১:২৯

link
গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬, ২১:২৯

options
link
তৃণমূল আমলে প্রতিবন্ধী ভাতাতেও দুর্নীতি! দ্রুত তদন্ত শেষ করতে বলল হাই কোর্ট zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

রাজ্যে পালাবদলের পর একের পর এক পূর্বতন তৃণমূল সরকারের কেলেঙ্কারি সামনে এসেছে। একের পর এক দুর্নীতিতে নাম জুড়েছে প্রাক্তন নেতা,মন্ত্রীদের। এবার প্রতিবন্ধী ভাতা প্রকল্পেও দুর্নীতির অভিযোগ। কাঠগড়ায় মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জের তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য আশিকুল ইসলাম। তাঁর বিরুদ্ধে স্বজন পোষণের অভিযোগ তুলে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয় কলকাতা হাই কোর্টে। সম্প্রতি এই সংক্রান্ত মামলায় পুলিশকে দ্রুত তদন্ত শেষ করার নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। সম্প্রতি ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি অতরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। শুনানিতে আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, সমস্ত নথি ও বক্তব্য পর্যালোচনা করে আবেদনকারীর তোলা অভিযোগগুলি আপাতত উড়িয়ে দেওয়া যায় না। যেহেতু ইতিমধ্যেই পুলিশ মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে, তাই পুলিশের তদন্ত দেখে নিয়ে চায় আদালত।

বিশেষভাবে সক্ষমদের পাশে থাকতে সরকারের তরফে আর্থিক সাহায্য করা হয়। উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে সরাসরি সেই টাকা পৌঁছে যায়। এই ভাতা পাওয়ার ক্ষেত্রে রয়েছে বেশ কিছু শর্ত। সেই অনুযায়ী, একজন চিকিৎসক কম করে ৪০ শতাংশ বা তার বেশি পরিমাণ শারীরিক অক্ষমতার রিপোর্ট দিয়ে থাকেন। পাশাপাশি, কমপক্ষে ১০ বছর ধরে এরাজ্যের বাসিন্দা হতে হবে। পরিবারের মোট বার্ষিক আয় এক লাখ টাকার বেশি হওয়া যাবে না। এমনকী সরকারি কোনও সুবিধা পেলে এই সুবিধা পাওয়া যায় না, এমনটাও শর্তে উল্লেখ রয়েছে। আর এক্ষেত্রেই দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সামশেরগঞ্জের বাসিন্দা জনৈক সুরজ শেখ কলকাতা হাই কোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন। তাঁর অভিযো, পূর্বতন তৃণমূল সরকারের সময়ে এই প্রতিবন্ধী ভাতা প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে। মামলায় তিনি শুধু প্রতিবন্ধী ভাতায় দুর্নীতিই নয়, যেখানে হাজার হাজার যোগ্য প্রতিবন্ধীকে বঞ্চিত করে তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য আশিকুল ইসলাম তাঁর পরিবারের সদস্যদের নাম ঢুকিয়ে দিয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তাঁর আইনজীবী ওমর ফারুক গাজী জানান, “প্রকৃত প্রতিবন্ধী ও যোগ্য ব্যক্তিদের জন্য বরাদ্দ সরকারি অর্থ বেআইনিভাবে এমন ব্যক্তিদের মধ্যে বিলি করা হয়েছে, যাঁদের ওই ভাতা পাওয়ার আইনগত অধিকার নেই।” তাঁর দাবি, “পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য তার পদের অপব্যবহার করে অযোগ্যদের এই ভাতা পাওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছে। যেখানে একজন যোগ্যের পাওয়ার কথা সেখানে অমানবিকভাবে নিজের পরিবারের সদস্যদের নাম ঢুকিয়েছেন ওই সদস্য। মামলায় সিবিআই তদন্তের আবেদন জানানো হয়েছে। যদিও আদালতে রাজ্যের তরফে জানানো হয়, অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু হয়েছে। বেশ কয়েকজন অভিযুক্তকে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ৩৫(৩) ধারায় নোটিস দেওয়া হয়েছে এবং সাক্ষীদের বয়ানও নেওয়া হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে সামশেরগঞ্জ থানার পুলিশ গত ৫ জুলাই মামলা রুজু করেছে বলেও আদালতে জানায় রাজ্য। আদালতে সামশেরগঞ্জ থানার আইসি-র রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়, তদন্তে ১৫টি শংসাপত্রের মধ্যে ১৩টি শংসাপত্র ভুয়ো বলে প্রাথমিকভাবে পাওয়া গিয়েছে। তার প্রেক্ষিতেই পুলিশকে দ্রুত তদন্ত শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.