Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৮ জুন ২০২৬
Calcutta High Court

উচ্চ শিক্ষিতা মা নয়! মাছ ব্যবসায়ী বাবার কাছেই শিশুর দায়িত্ব, রায় হাই কোর্টের

সন্তানের দায়িত্ব কে পাবেন? পারিবারিক কোন্দল গড়িয়েছিল আদালত পর্যন্ত। নিম্ন আদালত রায় দিয়েছিল, শিশুর দায়িত্ব থাকবে মায়ের কাছে। কলকাতা হাই কোর্ট হাঁটল উলটোপথে।

Advertisement
গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬, ১৪:৪০

link
গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬, ১৪:৪০

options
link
উচ্চ শিক্ষিতা মা নয়! মাছ ব্যবসায়ী বাবার কাছেই শিশুর দায়িত্ব, রায় হাই কোর্টের zoom
ফাইল ছবি।

মা না বাবা? কার কাছে নিরাপদ একরত্তি? সন্তান লালনে মায়ের চিরায়ত ভূমিকার বিপরীতে হেঁটে যুগান্তকারী রায় দিল হাই কোর্ট। বাবার কাঁধেই ন্যস্ত হল সন্তানকে ‘মানুষ’ করার ভার। সন্তানের দায়িত্ব কে পাবেন? পারিবারিক কোন্দল গড়িয়েছিল আদালত পর্যন্ত। নিম্ন আদালত রায় দিয়েছিল, শিশুর দায়িত্ব থাকবে মায়ের কাছে। কলকাতা হাই কোর্ট হাঁটল উলটোপথে।

উল্লেখ্য, নিম্ন আদালত রায় দেওয়ার আগে যুক্তি দিয়েছিল, মায়ের অপূর্ণতা দাগ কাটতে পারে শিশুমনে। তবে সেই বক্তব্য মানতে নারাজ কলকাতা হাই কোর্ট। নিম্ন আদালতের রায়কে স্থগিত করে বাবাকেই শিশুর দেখভালের দায়িত্ব দিয়েছেন বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য ও বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ। কোর্টের রায়, শিক্ষিকা মা নয়, বরং শিশু সন্তান থাকবে মাছ ব্যবসায়ী বাবার কাছেই। বিচারপতি ভট্টাচার্যের পর্যবেক্ষণ, বাবা-মায়ের বয়স বড়জোর তিরিশের কিছু বেশি। তাই এখন ইগোর লড়াই চলছে। একে অপরের বিরুদ্ধে নতুন-নতুন মামলা আনছেন। উল্লেখ্য, ২০২১ সাল থেকেই আলাদা থাকছেন ওই দম্পতি। মায়ের আইনজীবী উদয়শঙ্কর ভট্টাচার্যের অভিযোগ, ছেলের বয়স যখন তিন তখন উচ্চ শিক্ষিতা মা তাঁর বাপের বাড়িতে চলে আসেন। কিন্তু সেখান থেকে শিশু সন্তানকে তাঁর বাড়িতে তুলে নিয়ে যায় বাবা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বিচ্ছেদের বিষে  সম্পর্ক বিষিয়ে উঠলে ভুক্তভোগী হতে হয় সন্তানকে। যেমনটা হতে হচ্ছে বছর আটের ছোট্ট রোহনকে (নাম পরিবর্তিত)। বৈবাহিক সম্পর্ক ভাঙতে চেয়ে রোহনের বাবা-মা নিশা ও রোহিত (উভয় নাম পরিবর্তিত) যখন নিম্ন আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন, তখন ছোট্ট রোহনকে বিচারক প্রশ্ন করেছিলেন কার কাছে থাকতে চাও? অবুঝ রোহনের উত্তর ছিল, বাবা-মা দুজনের কাছেই থাকতে চাই।

কিন্তু একরত্তির এই উত্তরও বাবা-মায়ের মনে দাগ কাটেনি। বিচ্ছেদই চাইছেন তাঁরা। অগত্যা রোহনের হেফাজত যায় মায়ের কাছে। কারণ শিশুর হেফাজতের ক্ষেত্রে বাবার চেয়ে মায়ের অধিকার বেশি। নিম্ন আদালতের যুক্তি ছিল, বাবা মাছ ব্যবসায়ী। মা উচ্চ শিক্ষিতা। তাই শিশুর দেখভাল মায়ের কাছেই ভালো হবে। কিন্তু এই চিরাচরিত নিয়মের উলটো পথে হেঁটে এবার নিম্ন আদালতের রায় খারিজ করে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। মায়ের বদলে বাবার কাছেই গেল শিশুর দেখভালের দায়িত্ব। আদালত রায়ে আরও জানিয়েছে, এদিন হাই কোর্টের রায়ে আপাতত মা প্রতি সপ্তাহে শনিবার বিকেলে ছেলেকে নিজের সঙ্গে নিয়ে যেতে পারবেন। রবিবার সন্ধে সাতটায় বাবার বাড়িতেই ফেরাতে হবে ছেলেকে। যদিও বাবা-মায়ের বয়স যেহেতু কম, তাই সব বিবাদ মিটিয়ে নিয়ে আপাতত হাই কোর্টের কাউন্সেলিং কমিটির কাছে পাঠানো হয়েছে তাঁদের।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.