Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Primary TET scam

Primary TET: ‘এটা ক্লাস টেস্ট নয়’, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে পর্ষদকে ভর্ৎসনা কলকাতা হাই কোর্টের

'তৃণমূল নেতাদের সুপারিশে চাকরি', নথি জমা পড়ল আদালতে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৫, ২০২২, ১৬:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৫, ২০২২, ১৬:৫৯

options
link
Primary TET: ‘এটা ক্লাস টেস্ট নয়’, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে পর্ষদকে ভর্ৎসনা কলকাতা হাই কোর্টের zoom

গোবিন্দ রায়: প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পর্ষদের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ কলকাতা হাই কোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি সুব্রত তালুকদার। পর্ষদ নিজেদের বক্তব্য লিখিত আকারে না দেওয়ায় অসন্তুষ্ট বিচারপতি। পর্ষদের আইনজীবীকে উদ্দেশ্য করে তাঁর সাফ কথা, “এখন দিতে হলে দিন, না হলে আপনার বক্তব্য আপনার কাছেই রাখুন।” উল্লেখ্য, আগের শুনানিতে মামলার সঙ্গে যুক্ত সবপক্ষকে নিজেদের বক্তব্য লিখিত আকারে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল ডিভিশন বেঞ্চ।

২০১৪ সালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ (Primary TET Scam) পরীক্ষায় কয়েকটি ভুল প্রশ্ন ছিল। যার দরুণ কিছু পরীক্ষার্থীকে বাড়তি নম্বর দিয়েছিল পর্ষদ। নিয়োগে অনিয়ম প্রকাশ্যে আসার পর বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় সিবিআই তদন্তের (CBI Investigation) নির্দেশ দেন। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয় পর্ষদ। সেই মামলার শুনানিতে বিচারপতির ভর্ৎসনার মুখে পড়ে তারা।

Advertisement

বিচারপতির স্পষ্ট কথা, “আপনি (পর্ষদ) কোনও ক্লাস টিচার নন এবং কোনও ক্লাস টেস্ট নিচ্ছেন না। এটা একটা নিয়োগ প্রক্রিয়া। আপনার মনে হল কিছু ব্যক্তিকে আপনি ১ নম্বর করে দেবেন এবং দিয়েও দিলেন।” এরপরই বিচারপতির প্রশ্ন, “এটা কি ক্লাস টেস্ট যে আপনি খেয়াল করলেন কিছু ছাত্রকে ১ নম্বর দেওয়া হয়নি, আর তারপর বাকিদেরও বাড়তি নম্বর দিয়ে শান্তিরক্ষা করলেন?”

[আরও পড়ুন: শুল্কদপ্তরের জোড়া সাফল্য, কলকাতা বিমানবন্দর এবং বড়বাজার থেকে উদ্ধার প্রায় দেড় কোটির সোনা]

এই মামলায় তদন্ত নিয়েও পর্ষদকে ভর্ৎসনা করে হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। বিচারপতিদের প্রশ্ন, “আপনাদের কি মনে হয় না যে তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে? কোনও না কোনও সংস্থাকে দিয়ে অনুসন্ধান তো করতেই হবে। আপনারা নিজেরাই নিজেদের অনিয়মের তদন্ত করবেন সেটা তো হতে পারে না।” আদালত আরও বলে, “আপনাদের আচরণ অপরাধমূলক ছিল কিনা সেটা পরের কথা।” সবমিলিয়ে এদিন আদালতের ভর্ৎসনার মুখে পড়ল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ।

এদিকে ২০১৪ সালে প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তের দাবিতে জনস্বার্থ মামলায় হয়েছে। সেই মামলায় এদিন প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের হাতে কয়েকটি চিঠি তুলে দেন আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি। আইনজীবীদের অভিযোগ, তৃণমূল বিধায়করা নিজেদের লেটার হেডে নাম লিখে প্রাথমিকে চাকরি প্রার্থীদের জন্য সুপারিশ করেছেন। এদিন তৃণমূলের তিন বিধায়কের প্যাডে লেখা চিঠি আদালতের কাছে তুলে দেওয়া হয়। তাতে দেখা গিয়েছে, রীতিমতো প্রার্থীদের দীর্ঘ তালিকা তৈরি করে সুপারিশ করেছেন শাসক দলের বিধায়করা। রাজ্যের বর্তমান মন্ত্রী অখিল গিরি, বিধায়ক অসীম মাঝি ও বিজপুরের প্রাক্তন বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়ের লেটার হেডে করা সুপারিশপত্রও দেওয়া হয় প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে।

[আরও পড়ুন: বোমা বাঁধতে গিয়ে ডোমকলে মৃত্যু যুবকের, হাত উড়ল সঙ্গীর]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.