Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
চটকল

স্মৃতি ইরানির আবেদনে সাড়া, লকডাউনে চটকল খোলার অনুমতি রাজ্যের

খোলা হবে রাজ্যের সবকটি চটকল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৫, ২০২০, ১৯:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৫, ২০২০, ১৯:০৮

options
link
স্মৃতি ইরানির আবেদনে সাড়া, লকডাউনে চটকল খোলার অনুমতি রাজ্যের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হোক লকডাউন, তা বলে তো বন্ধ নেই বাজার-হাট। আর তা সম্ভবও নয়। করোনা সংক্রমণের জেরে দেশ জুড়ে আতঙ্কের পরিবেশ জারি হলেও। দুবেলা খাবার খাওয়ার জন্য প্রতিটি রাজ্যেই প্রয়োজন অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের। অন্যদিকে সব রাজ্যেই চলছে রবিশষ্য তোলার কাজ। তাই প্রয়োজন প্রচুর পরিমাণে বস্তা ও চটের ব্যাগ। মঙ্গলবার রাজ্যকে এই মর্মে চিঠি লেখেন কেন্দ্রীয় বস্ত্রমন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। তিনি চটকলগুলি খোলার আবেদন করেন। আজ রুটিন বৈঠকে বসে সেই আবেদনেই সায় দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

লকডাউন চললেও রাজ্যে কিছু চটকল এখনই খোলা দরকার। যথাযথ সুরক্ষা বজায় রেখে প্রয়োজন উৎপাদনও শুরু করা। এই মর্মে রাজ্যকে মঙ্গলবার চিঠি পাঠান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। এই চিঠিতে অবিলম্বে রাজ্যের কিছু চটকলে উৎপাদন শুরু করার আরজি জানান বস্ত্রমন্ত্রী। সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে আজ মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের সবকটি চটকল খোলার অনুমতি দিলেন। প্রোটোকল মেনে শ্রমিকদের দিয়ে কাজ করানোর কথাও জানান। ইতিমধ্যেই দেশে রবিশস্য কাটা শুরু করে দিয়েছেন কৃষকরা। এখন প্রয়োজন প্রচুর চটের বস্তার। কিন্তু লকডাউনে উৎপাদন বন্ধ থাকায় বস্তার চাহিদা বেড়েছে। এখনই উৎপাদন শুরু না করলে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যে কিছু চটকল খুলে উৎপাদন শুরু করা হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। চিঠিতে বলা হয়েছে, রাজ্যের ১৮টি চটকলে ২৫ শতাংশ শ্রমিককে কাজে লাগিয়ে এখনই উৎপাদন শুরু করা হোক। তা না হলে খাদ্যশস্য প্যাকেজিংয়ের সমস্যা তৈরি হবে। জুট এবং জুট টেক্সটাইল ভারতের আইন অনুসারে জরুরি পণ্যের মধ্যে পড়ে। একই সঙ্গে আইন অনুসারে দেশে খাদ্যশস্য প্যাকেজিংয়ের ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ চটের বস্তা ব্যবহার করার নিয়ম রয়েছে। এখন যা পরিস্থিতি দাঁড়িয়েছে তাতে প্রচুর পরিমাণে চটের বস্তা প্রয়োজন খাদ্যশস্য প্যাকেজিংয়ের জন্য। এপ্রিল ও মে মাসে সেই চাহিদা আরও অনেক বাড়বে বলে জানিয়েছে খাদ্য ও খাদ্য সরবরাহ বিভাগ। তাই প্রয়োজন অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার।

Advertisement

[আরও পড়ুন:লকডাউনের জের বন্ধ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পড়াশোনা জারি রাখুন অনলাইনে]

আজ রুটিন বৈঠকে বসে মুখ্যমন্ত্রী জানান,”কেন্দ্রের আবেদন মেনে রাজ্যের শুধু ১৮টি নয়, অনুমতি দিতে হলে আমি রাজ্যের সবকটি চটকল খোলারই অনুমতি দেব। নাহলে এতে বৈষম্যের সৃষ্টি হবে। তবে সমস্ত প্রোটোকল মেনেই এই কারখানাগুলিতে কাজ হবে।” ইতিমধ্যেই লকডাউনের মধ্যে কোথায় কোথায় ছাড় মিলবে তা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক গাইডলাইনে প্রকাশ করেছে। তাতেও যথাযথ সুরক্ষা বজায় রেখে চটকল খোলা যেতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

[আরও পড়ুন:দলিত মহিলার হাতের রান্না খেতে অস্বীকার, FIR দায়ের কোয়ারেন্টাইনে থাকা যুবকের বিরুদ্ধে]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.