Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৯ জুলাই ২০২৬

অধ্যাপকদের হেনস্তা পড়ুয়াদের, অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ চারুচন্দ্র কলেজ

কলেজের সিদ্ধান্তে ক্ষুদ্ধ শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩, ২০১৮, ১২:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩, ২০১৮, ১২:০৪

options
link
অধ্যাপকদের হেনস্তা পড়ুয়াদের, অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ চারুচন্দ্র কলেজ zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  এক নিরাপত্তারক্ষীকে বরখাস্তের প্রতিবাদে অধ্যক্ষকে ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন পড়ুয়ারা। পড়ুয়ারাদের বিরুদ্ধে পালটা হেনস্তার অভিযোগে আন্দোলনে নেমেছেন অধ্যাপকরাও। শেষপর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধই হয়ে গেল চারুচন্দ্র কলেজ। বুধবার সকালে নিরাপত্তার দাবিতে কলেজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত জানিয়ে গেটে নোটিস ঝুলিয়ে দিয়েছেন অধ্যক্ষ। তিনি জানিয়েছেন, কলেজের প্রবীণ অধ্যাপক ও শিক্ষাকর্মীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তাই পরিচালন সমিতির অনুমতি নিয়েই অনির্দিষ্টকালের জন্য কলেজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিকে্ এই ঘটনায় ক্ষুদ্ধ শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।  তিনি বলেন, কলেজ বন্ধ রেখে সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি বরদাস্ত করা হবে না।  কলেজ কর্তৃপক্ষ গোটা বিষয়টি শিক্ষা দপ্তরে জানাতে পারতেন।  খুব তাড়াতাড়ি চারুচন্দ্র কলেজের অধ্যক্ষের সঙ্গে তিনি বৈঠক করবেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।

[বন্দরের জমিতে ঝুপড়িবাসীদের জন্য বাড়ি গড়বে রাজ্য]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

দক্ষিণ কলকাতার পুরনো কলেজগুলির অন্যতম চারুচন্দ্র কলেজ। মর্নিং ও ডে সেকশন মিলিয়ে পড়ুয়ার সংখ্যাও নেহাত কম নয়। জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগে কলেজের এক নিরাপত্তারক্ষীকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ। প্রতিবাদে মঙ্গলবার দুপুর থেকে ঘণ্টা পাঁচেক চারুচন্দ্র কলেজের অধ্যক্ষের ঘরে বিক্ষোভ দেখায় ছাত্র সংসদের সদস্যরা। অধ্যক্ষকে ঘেরাও করা হয়। অভিযোগ, অধ্যক্ষের পাশে দাঁড়ানোয় কয়েকজন প্রবীণ অধ্যপক ও শিক্ষাকর্মীকে হেনস্তা করে বিক্ষোভকারীরা। ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে চারুচন্দ্র কলেজ চত্বর। বুধবার থেকেই অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে গেল কলেজ। এদিন সকালে কলেজে গেটে নোটিস ঝুলিয়ে দিয়েছেন অধ্যক্ষ। তিনি জানিয়েছেন, নিরাপত্তারক্ষীকে পুনর্বহালের দাবিতে যাঁরা বিক্ষোভ দেখিয়েছেন, তাঁরা প্রত্যেকেই ছাত্র সংসদের সদস্য। তবে কেউ-ই কলেজের পড়ুয়া নয়। তাঁরা বহিরাগত। কয়েকজন প্রবীণ অধ্যাপক ও শিক্ষাকর্মীকে হেনস্তা করেছেন আন্দোলনকারীরা। এরপরই পরিচালন সমিতির সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে অধ্যাপক ও শিক্ষাকর্মীদের একটি প্রতিনিধি দল। নিরাপত্তার দাবিতে কলেজ বন্ধ রাখার আবেদন জানিয়েছেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। অধ্যাপক ও শিক্ষাকর্মীদের দাবি মেনে নিয়েছে পরিচালন সমিতি। তাই নিরাপত্তার দাবি মেটা না পর্যন্ত, অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে চারুচন্দ্র কলেজ। মর্নিং ও ডে বিভাগে পঠনপাঠন হবে না।

[‘বিয়ের কোনও বয়স হয় না’, ৭৪ বছরের বৃদ্ধের স্ত্রীকে স্বীকৃতি হাই কোর্টের]

এদিকে, চারুচন্দ্র কলেজ অনির্দিষ্টকালের জন্য সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়. তাঁর  সাফ কথা, কলেজ বন্ধ রেখে সরকারের উপর চাপ তৈরির চেষ্ট বরদাস্ত করা হবে না।  কলেজ কর্তৃপক্ষ এককভাবে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। গোটা বিষয়টি শিক্ষা দপ্তরের জানানো উচিত ছিল।   বস্তুত, খুব তাড়াতাড়ি  কলেজ বন্ধ রাখার নিয়ে চারুচন্দ্র কলেজের  অধ্যক্ষের সঙ্গে তিনি বৈঠক করবেন বলেও জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।   প্রসঙ্গত, কলেজে অশান্তি ঠেকাতে ছাত্র সংসদ ভেঙে দিয়ে অরাজনৈতিক ছাত্র কাউন্সিল তৈরি করতে চাইছে রাজ্য সরকার। বিধানসভায় বিলও পাশ হয়ে গিয়েছে। যদিও ছাত্র কাউন্সিলের প্রতিবাদে আন্দোলনে নেমেছেন যাদবপুর ও প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। তবে নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় শিক্ষা দপ্তর।

[ছেলে কোলে ভিক্ষার ছলে ছিনতাই, শহরে সক্রিয় মহিলা পকেটমাররা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.