Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
Abhishek Banerjee

বাড়ি গিয়ে অভিষেককে নোটিস সিআইডির, সোমে ভবানীভবনে তলব, ‘গ্রেপ্তার করুক’, চ্যালেঞ্জ সাংসদের

শনিবার দুপুর থেকে অভিষেককে সিআইডি নোটিস নিয়ে জোর চর্চা, কী বলছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক?

অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: মে ৩০, ২০২৬, ২০:০৩

link
অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: মে ৩০, ২০২৬, ২০:০৩

options
link
বাড়ি গিয়ে অভিষেককে নোটিস সিআইডির, সোমে ভবানীভবনে তলব, ‘গ্রেপ্তার করুক’, চ্যালেঞ্জ সাংসদের zoom
দীর্ঘ টালবাহানার পর আজই ডিজে মামলায় অভিষেকের কণ্ঠস্বর রেকর্ড, পৌঁছলেন বিধাননগর আদালতে
Advertisement

রাজ্য তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি ও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) মধ্যে রীতিমতো লুকোচুরি খেলা! শনিবার হরিশ মুখার্জি স্ট্রিটের ‘শান্তিনিকেতন’ গিয়ে তাঁকে না পেয়ে ফের কালীঘাটের বাড়িতে যান সিআইডি আধিকারিকরা। সেখানে কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর অভিষেকের হাতেই নোটিস দেওয়া হয়। অভিষক নোটিস গ্রহণ করে জানান,  আইনি পরামর্শ নিয়ে তিনি  সবরকম সহযোগিতা করবেন, তবে মাথা নোয়াবেন না। অভিষেককে সোমবার ভবানীভবনে তলব করা হয়েছে তাঁকে। ক্ষমতা থাকলে তাঁকে গ্রেপ্তার করুক। এদিন অভিষেকের পর বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষের বাড়ি গিয়েও সিআইডি নোটিস দিয়েছে।

অভিষেকের কালীঘাটের বাড়িতে গিয়ে নোটিস ধরাল সিআইডি। ছবি: সুখময় সেন

নোটিস হাতে সাংবাদিকদের  মুখোমুখি হয়ে অভিষেকের বক্তব্য, ‘‘আমি এখনও নোটিস পড়িনি। পড়ে আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলার পর যা করার করব। তদন্তে যদি প্রয়োজন হয় আমাকে, আমি সহযোগিতা করব। আগেও ইডি, সিবিআই যতবার ডেকেছে, গিয়েছি। যা প্রশ্ন করেছে, সব উত্তর দিয়েছি। কিন্তু মনে রাখতে হবে, আমি কোনও তদন্তের ভয়ে অন্য কোনও দলে চলে যাইনি। আমরা অন্য ধাতুতে গড়া, মাথা নোয়াবার লোক নই। যতই আমাদের নোটিস পাঠাক, ভয় দেখাক, ধমক-চমক দিক, দমানো যাবে না আমাকে।”

শনিবার দুপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুয়ারে সিআইডি। রাজ্য গোয়েন্দাদের ৪ জনের একটি দল প্রথমে হরিশ মুখার্জি স্ট্রিটের শান্তিনিকেতন অর্থাৎ অভিষেকের বাড়িতে যান। কিন্তু সেখানে তিনি বা তাঁর পরিবার ছিলেন না। নিরাপত্তারক্ষীর সঙ্গে কথা বলার পর সিআইডি-র প্রতিনিধিদল কালীঘাটে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক  বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান। কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর অভিষেক নিচে নেমে সিআইডি-র নোটিস গ্রহণ করেন। পরে জানা যায়, তাঁকে সোমবার, ১ জুন দুপুর ১২টায় ভবানীভবনে ডেকে পাঠানো হয়েছে। সূত্রের খবর, বিধায়কদের সই জাল সংক্রান্ত মামলায় তদন্তের মুখে পড়তে চলেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। 

Advertisement

নোটিস হাতে সাংবাদিকদের  মুখোমুখি হয়ে অভিষেকের বক্তব্য, ‘‘আমি এখনও নোটিস পড়িনি। পড়ে আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলার পর যা করার করব। তদন্তে যদি প্রয়োজন হয় আমাকে, আমি সহযোগিতা করব। আগেও ইডি, সিবিআই যতবার ডেকেছে, গিয়েছি। যা প্রশ্ন করেছে, সব উত্তর দিয়েছি। কিন্তু মনে রাখতে হবে, আমি কোনও তদন্তের ভয়ে অন্য কোনও দলে চলে যাইনি। আমরা অন্য ধাতুতে গড়া, মাথা নোয়াবার লোক নই। যতই আমাদের নোটিস পাঠাক, ভয় দেখাক, ধমক-চমক দিক, দমানো যাবে না আমাকে।” অভিষেকের এহেন মন্তব্য শুনে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের কটাক্ষ, ‘‘এখনও অহংকার যায়নি! হাওয়া থেকে মাটিতে নামুন এবার।”

শনিবার অভিষেকের পর কুণালকেও এই সংক্রান্ত নোটিস দেওয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি জানান, ‘‘আইন মেনে যা করার করব। তবে সই জাল কাণ্ডে আগে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে জিজ্ঞেস করা উচিত ছিল আগে। বিরোধী দলনেতা হওয়ার জন্য যে সংখ্যক বিধায়ক প্রয়োজন, তৃণমূলের তার চেয়ে বেশিই আছে।”

বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার নির্বাচন সংক্রান্ত প্রস্তাবপত্রে তৃণমূল বিধায়কদের স্বাক্ষর নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। জালিয়াতির অভিযোগে তদন্তে নামে সিআইডি। বৃহস্পতিবার প্রথম চৌরঙ্গীর বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়েছিল সিআইডি টিম। ওই রাতেই বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষের বাড়িতেও সিআইডি পৌঁছয় তদন্তের স্বার্থে। আর শনিবার অভিষেকের পর কুণালকেও এই সংক্রান্ত নোটিস দেওয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি জানান, ‘‘আইন মেনে যা করার করব। তবে সই জাল কাণ্ডে আগে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে জিজ্ঞেস করা উচিত ছিল আগে। বিরোধী দলনেতা হওয়ার জন্য যে সংখ্যক বিধায়ক প্রয়োজন, তৃণমূলের তার চেয়ে বেশিই আছে।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.