Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
new secretariat building

ফাঁকা করা হচ্ছে নব মহাকরণ, সরকারি দপ্তর সরিয়ে এবার বসবে আদালত

দপ্তরের স্থানান্তকরণের প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে গিয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৩, ২০২২, ১২:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৩, ২০২২, ১২:৪৬

options
link
ফাঁকা করা হচ্ছে নব মহাকরণ, সরকারি দপ্তর সরিয়ে এবার বসবে আদালত zoom

গৌতম ব্রহ্ম: নব মহাকরণ বা নিউ সেক্রেটারিয়েট বিল্ডিং (New Secretariat Building )থেকে সরে যাচ্ছে একাধিক সরকারি দপ্তর। বদলে গঙ্গাপারের বিল্ডিংয়ে এবার থেকে বসবে আদালত। এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য প্রশাসন। ইতিমধ্যে দপ্তরের স্থানান্তকরণের প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে গিয়েছে।

বামজমানায় রাজ্যের প্রায় সমস্ত সরকারি দপ্তর বসত লালদিঘীর পাড়ে মহাকরণ বা রাইটার্স বিল্ডিংয়ে। কিন্তু স্থান অপরিসর হওয়ায় সরকারি কাজে বেশ অসুবিধা হত। সেই সমস্যা সমাধানের জন্য গঙ্গার পাড়ে তৈরি হয় নব মহাকরণ বা নিউ সেক্রেটারিয়েট বিল্ডিং। সেখানে এক থেকে সাততলা পর্যন্ত বসত একাধিক দপ্তরের কর্মীরা। কিন্তু এবার তাঁদের ঠিকানা বদলের পালা। আবাসন, ক্রীড়া, সমবায়, পর্যটন, লেবার ট্রাইব্যুনাল-সহ একাধিক দপ্তরকে অন্যত্র পাঠানো হচ্ছে। ফাঁকা করা হচ্ছে এক থেকে সাততলা, যার আয়তন প্রায় ৫০ হাজার বর্গ ফুটের মতো।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ইডির তলবে সাড়া, ছেলেকে কোলে নিয়ে সিজিও কমপ্লেক্সে অভিষেকপত্নী রুজিরা]

রাজ্যের নগর দায়রা আদালত তথা সিটি সিভিল কোর্ট (City Civil Court)-সহ একাধিক আদালত ভীষণই ঘিঞ্জি অবস্থায় রয়েছে। কাজের জন্য তাদের আরও জায়গা দরকার। তাই এবার সেই আদালতগুলিকে আনা হবে নব মহাকরণে। উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যেপাধ্যায়। সেই বৈঠকে এবিষয়ে আলোচনা হয় বলে সূত্রের খবর।

আদালতগুলিকে স্থানান্তর করার জন্য নবান্ন প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়াও শুরু করে দিয়েছে। রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী নব মহাকরণের একতলা থেকে ছ’তলা পর্যন্ত থাকা দপ্তরগুলির সঙ্গে কথা বলেন। ঠিক হয়েছে, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এই দপ্তরগুলি সরানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। তবে দপ্তরগুলোর পুনর্বাসনের ঠিকানা এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

[আরও পড়ুন: থরে থরে সাজানো সোনার কাঠি, বড়বাজারে গয়না কারখানার সিন্দুক খুলতেই থ গোয়েন্দারা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.