Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
মমতা

রাজ্যে সুস্থতার হার ৬৫ শতাংশ, করোনা চিকিৎসার খরচ কমাতে বড়সড় সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রীর

বর্তমানে বাংলায় ৫ হাজার ৩৯টি অ্যাকটিভ কেস।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০২০, ১৬:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০২০, ১৬:৫৯

options
link
রাজ্যে সুস্থতার হার ৬৫ শতাংশ, করোনা চিকিৎসার খরচ কমাতে বড়সড় সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রীর zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একাধিক ক্ষেত্রে ছাড় দিয়েই ৩১ জুলাই পর্যন্ত বাংলায় লকডাউন চলবে। ১ জুলাই থেকে শর্তসাপেক্ষে মেট্রো পরিষেবা চালু করতে আপত্তি নেই রাজ্যের। শুক্রবার সাংবাদিক সম্মেলনে তেমনটাই জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে একইসঙ্গে কোভিড মোকাবিলার জন্যও একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করছে রাজ্য সরকার। বেসরকারি কেন্দ্রগুলিতে যাতে করোনা পরীক্ষার জন্য অতিরিক্ত খরচ করতে না হয়, তার জন্যও বড়সড় সিদ্ধান্ত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

[আরও পড়ুন: ‘ভাষার সন্ত্রাস মহামারী আইন ভাঙছে’, নাম না করে বিজেপিকে খোঁচা মমতার]

Advertisement

এতদিন বেসরকারি কেন্দ্রগুলিতে করোনা পরীক্ষার জন্য দিতে হত সাড়ে ৪ হাজার টাকা। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এবার থেকে নমুনা টেস্টের জন্য দিতে হবে ২ হাজার ২৫০ টাকা। অর্থাৎ অনেকটাই কমল খরচ। সেই সঙ্গে পিপিই-সহ সংক্রমণ থেকে সুরক্ষিত থাকার অন্যান্য সরঞ্জামের মূল্য দিনপিছু বেঁধে দেওয়া হল এক হাজার টাকা করে। এছাড়াও যাঁরা করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভরতি হচ্ছেন, তাঁদের সর্বোচ্চ খরচ কী হতে পারে, সেটি মূল্যায়নের জন্য একটি কমিটিও গঠন করা হচ্ছে।

এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, প্রতিদিনই নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। ফলে সংক্রমিতের সংখ্যাটাও বাড়ছে। কিন্তু অর্ধেকের বেশি রোগীই সুস্থ হয়ে উঠেছেন। তাই অ্যাকটিভ কেসের দিকে নজর রাখলেই বর্তমানে রাজ্যের করোনা পরিস্থিতির সঠিক ছবিটা বোঝা যাবে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “করোনা আক্রান্তের একটা সংখ্যা তো রোজই তুলে ধরা হচ্ছে। কিন্তু তাঁদের মধ্যে বেশিরভাগই সুস্থ। তাই এখন কতজন করোনা পজিটিভ,
সেটাই দেখতে হবে। বর্তমানে বাংলায় ৫ হাজার ৩৯টি অ্যাকটিভ কেস রয়েছে। আর সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৬৫ শতাংশ রোগী।” তবে অতিরিক্ত সংক্রমিত রাজ্য থেকে ট্রেন বা বিমান না এলে আক্রান্তের সংখ্যা আরও কমই হত বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এর জন্য কেন্দ্রকেই একহাত নেন তিনি।

[আরও পড়ুন: কয়লা খনিতে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের সিদ্ধান্তে নারাজ, মোদিকে চিঠি মমতার]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.