BREAKING NEWS

১৩ মাঘ  ১৪২৭  বুধবার ২৭ জানুয়ারি ২০২১ 

READ IN APP

Advertisement

রাজ্যে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পে প্রচুর বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান নিয়ে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

Published by: Paramita Paul |    Posted: December 1, 2020 4:16 pm|    Updated: December 1, 2020 4:44 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্যে বিনিয়োগ টানতে উদ্যোগী বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Bengal CM Mamata Bannerjee)। মঙ্গলবার সেই লক্ষ্যে একাধিক নতুন সিদ্ধান্ত হয়েছে ক্যাবিনেট বৈঠকে। পাশাপাশি, বকেয়া খাজনায় সুদ মকুবের পথেও হাঁটছে রাজ্য সরকার।

রাজ্যে শিল্পে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থানে ভাঁটা নিয়ে বারবার সরব হয়েছে বিরোধীরা। এমনকী, একের পর এক শিল্প সম্মেলন করেও কোনও ফল হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ও। একুশের নির্বাচনের আগে সেই ‘শিল্পবিরোধী’ তকমা ঘোচাতে মরিয়া রাজ্যের শাসকদল। সেই উদ্দেশ্যেই একাধিক বড় পদক্ষেপ করল তাঁরা। 

[আরও পড়ুন : ‘তৃণমূল অথর্বদের দল, সৌগত রায় মোষ’, ফের বেফাঁস দিলীপ ঘোষ]

এদিন রাজ্যে ক্যাবিনেটের বৈঠকে একাধিক বিনিয়োগে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে সে বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যােপাধ্যায় জানান, নিউটাউনের সিলিকন ভ্যালিতে ২০টি তথ্য প্রযুক্তি সংস্থাকে (IT Company) জমি দেওয়া হল। উইপ্রো জমি চেয়ে রাজ্যকে চিঠি দিয়েছে। সেই আরজি মেনে তাদেরও জমি দেওয়া হবে। এদিকে কলকাতায় আরও একটি ইউনিট খুলতে চলেছে ইনফোসিস। সবমিলিয়ে রাজ্যে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পে বিনিয়োগের জোয়ার আসছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, এই শিল্প তৈরি হয়ে গেলে বাংলার যুব সম্প্রদায় চাকরি পাবে। লক্ষ লক্ষ কর্মসংস্থান হবে। তবে শুধু কলকাতা, নিউটাউন নয়। রাজ্যেরে বিভিন্ন প্রান্তেই বিনিয়োগ হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মমতা। জলপাইগুড়িতে একটি সিমেন্ট সংস্থাকে জমি দেওয়া হয়েছে। সেখানে কারখানা গড়ে উঠলে স্থানীয়দের কর্মসংস্থান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। 

বড় ঘোষণা করা হয়েছে জমির বকেয়া খাজনা নিয়েও। লকডাউনের জেরে মার্চ মাস থেকে বিভিন্ন সরকারি অফিস বন্ধ ছিল। আবার মানুষের হাতে টাকারও অভাব রয়েছে। ফলে অনেকেই ১৪২৬ বঙ্গাব্দের জমির খাজনা মেটাতে পারেননি। ভূমি আইন অনুযায়ী, সেই বকেয়া খাজনা মেটাতে হলে চড়া হারে (৬.২৫%) সুদ দিতে হবে। তাই ২০২১ সালে জুন মাসের মধ্যে ওই বকেয়া খাজনা জমা করলে কোনও সুদ দিতে হবে না বলেও জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। 

[আরও পড়ুন : আগে রাজ্যের ৮৫ হাজার কোটির বকেয়া মেটান, বিজেপির ‘ট্যুরিস্ট গ্যাং’কে কটাক্ষ ডেরেকের]

করোনা কালে লকডাউনের ফলে বিভিন্ন সামগ্রীর বিক্রিবাটা বন্ধ থেকেছে। বিপুল ক্ষতির মুখে পড়ছেন কারিগর থেকে বিক্রেতা-সকলেই। সেই ঘাটতি পূরণ করতে এবার সরকার ৬১৭টি মেলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যেখানে এই সামগ্রী বিক্রি করে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবেন কারিগর-বিক্রেতারা। 

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement