Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৭ জুলাই ২০২৬
বেতন কমিশন

সময়ের আগেই জমা পড়তে পারে পে কমিশনের রিপোর্ট! চেয়ারম্যানকে তলব মুখ্যমন্ত্রীর

জনকল্যাণমুখী প্রকল্পে কাটছাঁট করে পে কমিশন নয়, সাফ জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১১, ২০১৯, ১১:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১১, ২০১৯, ১১:৩৪

options
link
সময়ের আগেই জমা পড়তে পারে পে কমিশনের রিপোর্ট! চেয়ারম্যানকে তলব মুখ্যমন্ত্রীর zoom

স্টাফ রিপোর্টার: রাজ্যের ষষ্ঠ বেতন কমিশনের চেয়ারম্যান অভিরূপ সরকারকে নবান্নে ডেকে আলোচনা করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কমিশনের রিপোর্ট পেশের পরই রাজ্য সরকারি কর্মীদের বেতনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে নবান্ন। দিন পনেরো আগেই পে কমিশনের রিপোর্ট জমা দেওয়ার তারিখ সাত মাস বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু তারপরও সোমবার মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য যথেষ্ট ইঙ্গিতবাহী বলে মনে করা হচ্ছে। নবান্ন সূত্রে খবর, নির্ধারিত সময়ের আগেই জমা পড়তে পারে চূড়ান্ত রিপোর্ট।

[আরও পড়ুন: বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন! বিস্ফোরক ইঙ্গিত রাজ্যপালের]

তবে মুখ্যমন্ত্রী এটাও স্পষ্ট করেছেন, সাধারণ মানুষের জন্য করা প্রকল্পগুলির বরাদ্দে কোনও কাটছাঁট করবেন না। তার উপর এবছর বাম জমানার ধারের জন্য রাজ্য সরকারের কোষাগার থেকে রিজার্ভ ব্যাঙ্ককে দিতে হচ্ছে প্রায় ৫৬ হাজার কোটি টাকা। মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য, “পে কমিশনের রিপোর্ট ছ’মাস পিছিয়ে দিয়েছে। আগে কমিশন রিপোর্ট দিক। সরকার তো এ ব্যাপারে চাপ দিতে পারে না। তারপর ভাবব কতটা দেওয়া যায়। সাধ্যমতো যা করার করব।” তবে খাদ্যসাথী, সবুজসাথী, কন্যাশ্রী, সবুজশ্রী, সমব্যথীর মতো প্রকল্পে কোনও কাটছাঁট করতে রাজি নন মুখ্যমন্ত্রী।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: রক্তাক্ত ন্যাজাটের দায় এড়িয়ে মমতা বললেন, ‘বাংলা ভাল আছে’]

তাঁর কথায়, “এইসব প্রকল্প বন্ধ করতে পারব না। টাকা কমাব না। মানুষের যে উন্নয়নের কাজ তা চলবেই। মানুষ যাতে ন্যায্য কাজ পায়, তা আগে দেখব। ভাবছি, কমিশনের চেয়ারম্যান অভিরূপ সরকারকে একদিন ডেকে নেব।” খাদ্যসাথী প্রকল্পের অধীনে দু’টাকায় চাল দেওয়া হচ্ছে। বিনামূল্যে কন্যাশ্রী, শিক্ষাশ্রী, স্বাস্থ্যসাথী, সমব্যথী, সবুজসাথীর মতো প্রকল্পগুলির সুবিধা পাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। এর পরই তাঁর মন্তব্য, সব বিনা পয়সায় চললে সরকারকে তো টাকাটা জোগাড় করতে হবে। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, “তারপরও সব কিছু চায়। এই দাও, ওই দাও। ১২৪ শতাংশ ডিএ আমরাই দিয়েছি। আগের সরকারের ডিএ আমাদের দিতে হয়েছে।” সরকারি কিছু কর্মী কাজ না করে রাজনীতি করছেন ও মানুষকে প্রকল্পের সুবিধা থেকে নানাভাবে বঞ্চিত করছেন বলেও তোপ মুখ্যমন্ত্রীর।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.