Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
CM Suvendu Adhikari

ভোটের পরে ঘরছাড়াদের ফেরাবে বিজেপি! শর্ত বেঁধে বিধানসভায় বিরোধী দলনেতাকে আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর

ঠিক কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: মে ১৫, ২০২৬, ২১:০৮

link
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: মে ১৫, ২০২৬, ২১:০৮

options
link
ভোটের পরে ঘরছাড়াদের  ফেরাবে বিজেপি! শর্ত বেঁধে বিধানসভায় বিরোধী দলনেতাকে আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর zoom
Advertisement

ছাব্বিশের নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই তৃণমূলের তরফে বারবার দাবি করা হয়েছে, তাঁদের দলের কর্মী-সমর্থকরা জেলায় জেলায় আক্রান্ত, ঘরছাড়া। শুক্রবার বিধানসভা অধিবেশনেও সেই প্রসঙ্গ তুললেন বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টা খতিয়ে দেখে অভিযোগ প্রমাণিত হলে ঘরছাড়াদের ঘরে ফেরানোর আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। তবে সেখানেও বেঁধে দিলেন শর্ত। সাফ জানালেন, একুশের ভোট পরবর্তী হিংসায় অভিযুক্ত না হওয়া সত্ত্বেও ঘরছাড়া কেউ থাকলে, তাকে সসম্মানে ফেরানো হবে ঘরে।  

প্রত্যাশামতোই শুক্রবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অষ্টাদশ বিধানসভার স্পিকার নির্বাচিত হন শাসকদলের মনোনীত প্রার্থী রথীন্দ্রনাথ বোস। বিরোধীরা কোনও প্রার্থী না দিয়ে রথীন্দ্রের নামে সায় দেওয়ায় তাঁদের ধন্যবাদ জানান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।  তাঁর পর বক্তব্য পেশ করেন বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। সেখানেই তিনি ভোট ও ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে সরব হন। অভিযোগ করেন, বিজেপির অত্যাচারে নাকি বহু তৃণমূল নেতা-কর্মী ঘরছাড়া।  এই অভিযোগ পাওয়া মাত্রই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজে দায়িত্ব নেন ঘরছাড়াদের ঘরে ফেরানোর। তবে শর্ত বেঁধে দেন তিনি। বিরোধী দলনেতাকে উদ্দেশ্য করে শুভেন্দু বলেন, “ভোট পরবর্তী হিংসায় কেউ ঘরছাড়া বলে আমার জানা নেই। তবে যদি আপনার কথা মেনে নিই, সেক্ষেত্রে আপনি ডিজিপির কাছে নামের তালিকা পেশ করুন যে কারা ঘর ছাড়া।”

Advertisement

এরপরই মুখ্যমন্ত্রী বলেন এক্ষেত্রে শর্ত হল, তালিকায় থাকা কেউ যদি একুশের ভোট পরবর্তী হিংসায় অভিযুক্ত হন। তাঁর বিরুদ্ধে যদি এফআইআর করা হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে তাঁকে ঘরে ফেরানো হবে না। গ্রেপ্তার করা হবে। অন্যথায় কেউ ঘরছাড়া থাকলে স্থানীয় বিধায়ক ও পুলিশ সুপার নিজে গিয়ে পৌঁছে দেবেন ঘরে।  বিধানসভায় এই সংক্রান্ত আলোচনার পরই মুখ্যমন্ত্রীর ঘরে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেন ডায়মন্ড হারবারের বিধায়ক পান্নালাল হালদার। শোনা যাচ্ছে তিনি শুভেন্দুকে বলেন, ” আপনি বলছেন অশান্তি হচ্ছে না। কিন্তু বাইরের পরিস্থিতি খুব খারাপ।” একথা শুনেই মুখ্যমন্ত্রী বিধায়য়কে জানান, আগামিকাল পুলিশের সঙ্গে তাঁর বৈঠক রয়েছে, সেখানে যেন তিনি থাকেন। একথা শুনে লিখিত চিঠি চান পান্নালাল। শুক্রবার বিধানসভা শুভেন্দু সাফ জানিয়েছিলেন, বিরোধীরাও কথা বলার জায়গা পাবেন। পুলিশ-মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে বিরোধী দলের বিধায়ককে ডেকে শুভেন্দু বুঝিয়েদিলেন, সকলকে সঙ্গে নিয়ে চলাতেই বিশ্বাসী তিনি।  

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.