Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
CM Mamata Banerjee

রাজ্যে করোনার গোষ্ঠী সংক্রমণ ভয়ংকর আকার নিয়েছে, মেনে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী

রাজ্যে ইতিমধ্যেই সংক্রমিতের সংখ্যা ২ লক্ষ ৬৩ হাজার পেরিয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩, ২০২০, ১৭:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩, ২০২০, ১৭:৪৯

options
link
রাজ্যে করোনার গোষ্ঠী সংক্রমণ ভয়ংকর আকার নিয়েছে, মেনে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে করোনার সংক্রমণ। টেস্টিং, ট্র্যাকিং, ট্রেসিংয়ের মাধ্যমে দ্রুত করোনা রোগী চিহ্নিত করে তাঁদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। মাস দুয়েক আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে এ কথাই শোনা গিয়েছিল। কিন্তু অক্টোবর মাসে এসে তিনি কার্যত মেনে নিলেন, সংক্রমণ কমেনি। বরং বাংলায় গোষ্ঠী সংক্রমণ ভয়ংকর রূপ নিয়েছে, তেমনটাই জানালেন মুখ্যমন্ত্রী (CM Mamata Banerjee)।

হাথরাসে তরুণীর গণধর্ষণ ও মৃত্যুর প্রতিবাদে শনিবার শহরের রাস্তায় নামেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিড়লা প্ল্যানেটোরিয়াম থেকে গান্ধী মূর্তির পাদদেশ পর্যন্ত মিছিলে হাঁটেন তিনি। সেখানে পৌঁছেই প্রতিবাদ মঞ্চে সরব হন। ভাষণের শুরুতেই মুখ্যমন্ত্রীর মুখে শোনা যায় করোনা প্রসঙ্গ। তিনি জানান, তাঁর দলের অনেকেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তিনজন বিধায়ক সম্প্রতি সংক্রমিত হয়েছেন। একাধিক নেতার এই মারণ ভাইরাসের কোপে মৃত্যুও হয়েছে। এমনকী তিনি বলেন, তাঁকে যে ছেলেটি চা দিতে আসে, সেও করোনায় আক্রান্ত। তাই খুব সমস্যার মধ্যে দিয়েই কাজ করতে হচ্ছে। প্রতি মুহূর্তে সংক্রমণের ভয়। এমনকী, কার কীভাবে সংক্রমণ হচ্ছে, তা এখন আর বোঝার উপায় নেই। তাই গোষ্ঠী সংক্রমণই যে হচ্ছে, সেটা বোঝাই যাচ্ছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘গণতন্ত্র নেই, দেশ রাষ্ট্রপতি শাসনের দিকে এগোচ্ছে’, হাথরাসের প্রতিবাদে গর্জে উঠলেন মমতা]

এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সামাজিক দূরত্ব মেনে, মুখে মাস্ক দিয়েই মিটিং-মিছিল করতে হচ্ছে। দলের অনেকেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। পাশাপাশি চেনা-পরিচিতদের মধ্যেও অনেকেই কোভিড পজিটিভ। সাবধানে থাকারই চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু এর মধ্যেও একটা দলের জন্য প্রতিবাদে রাস্তায় নামতে হচ্ছে। কার থেকে কার শরীরে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে, বোঝা যাচ্ছে না। গোষ্ঠী সংক্রমণই হচ্ছে। একইসঙ্গে বিজেপিকে তীব্র কটাক্ষ করে তিনি এই দলকেই সবচেয়ে বড় মহামারী বলেন।

উল্লেখ্য, এর আগে রাজ্যে কমিউনিটি স্প্রেডের কথা মেনে নিয়েছিল নবান্ন। এবার সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর মুখেও গোষ্ঠী সংক্রমণের (Community Spread) কথা শোনা গেল। রাজ্যে ইতিমধ্যেই সংক্রমিতের সংখ্যা ২ লক্ষ ৬৩ হাজার পেরিয়েছে। মৃত্যু হয়েছে ৫ হাজাররেও বেশি মানুষের। এরই সঙ্গে অবশ্য আনলক ফাইভে খুলে দেওয়া হচ্ছে সিনেমা হল। চালু হয়ে গিয়েছে মেট্রো রেল পরিষেবাও। তাই প্রশ্ন উঠছে, গোষ্ঠী সংক্রমণের কথা মেনে নিয়েও কীভাবে প্রায় সব ক্ষেত্রেই ছাড়ের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে সরকার?

[আরও পড়ুন: ‘বিজেপি নেতারা চূড়ান্ত কাপুরুষ’, হাথরাস কাণ্ড নিয়ে ফের তোপ দাগলেন সাংসদ নুসরত]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.