Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
Kolkata

চকোলেটের মোড়কের সূত্র ধরে বধূর গোয়েন্দাগিরিতে গ্রেপ্তার রাঁধুনি, উদ্ধার গয়না

ধৃতকে জেরা করছে পুলিশ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২২, ২০২৫, ০৯:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২২, ২০২৫, ০৯:০৬

options
link
চকোলেটের মোড়কের সূত্র ধরে বধূর গোয়েন্দাগিরিতে গ্রেপ্তার রাঁধুনি, উদ্ধার গয়না zoom
প্রতীকী ছবি
Advertisement

অর্ণব আইচ: বাড়ির ফ্রিজ থেকে উধাও চকোলেট। বিষয়টিকে গুরুত্ব না-ও দিতে পারতেন বাড়ির গৃহিণী। কিন্তু গৃহবধূর সন্দেহ হয়, চকোলেট হারিয়ে যায়নি। তা চুরি হয়েছে। আর তারপরই রীতিমতো ‘গোয়েন্দাগিরি’ করে চকোলেটের মোড়ক খুঁজে পান বাড়ির সামনে। এরপরই জানা যায়, শুধু চকোলেটই নয়, বাড়ি থেকে উধাও হয়েছে সোনার গয়নাও। আর সেই সূত্র ধরেই একটি অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে দক্ষিণ শহরতলির ঠাকুরপুকুর থানার পুলিশ। বাড়ির মহিলা রাঁধুনিকে গ্রেপ্তার করতেই উদ্ধার হল সোনার গয়না।

পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত ওই রাঁধুনির নাম দোলন চট্টোপাধ‌্যায়। ঠাকুরপুকুর এলাকার ভট্টাচার্যপাড়া রোডের একটি বাড়িতে কাজ করত দোলন। সম্প্রতি বাড়ির গৃহিণী বাড়ির তিনতলায় রান্নাঘরের ফ্রিজ খুলে দেখেন, তাঁর দুই মেয়ের জন‌্য নিয়ে আসা দু’টি চকোলেটের মধ্যে একটি উধাও। কিন্তু বাড়ির কেউ যে চকোলেট খায়নি, সেই ব‌্যাপারে তিনি নিশ্চিত। মেয়েরা স্কুল থেকে ফেরার পর গৃহবধূর ধারণা হয় যে, চকোলেট ফ্রিজ থেকে চুরি হয়েছে। আর এই চকোলেট চুরিতেই তিনি ‘সিঁদুরে মেঘ’ দেখতে পান। তিনি সোজা চলে আসেন দোতলায়। আলমারি খুলেই দেখেন, একটি ব‌্যাগের ভিতর থেকে উধাও সোনার গয়না। সারা বাড়ি তিনি তন্নতন্ন করে খোঁজেন। কিন্তু সোনার গয়না কোথাও পাননি। এরপরই রীতিমতো ‘গোয়েন্দাগিরি’ শুরু করেন ওই গৃহবধূ।

Advertisement

পুলিশের সূত্র জানিয়েছে, গৃহবধূ প্রথমেই খোঁজ করেন, চকোলেটের ফাঁকা মোড়ক কোথায়। কারণ, চকোলেট চুরি করে কেউ বাড়ির ভিতর তাড়াহুড়ো করে খেলে তার মোড়ক হয় বাড়ির ভিতর, না হয় আশপাশে থাকবে। তিনি খোঁজ করে বাড়ির গেটের কাছ থেকে উদ্ধার করেন চকোলেটের মোড়ক। দোলন বাড়িতে কাজ করতে এলে গৃহবধূ তাঁকে প্রশ্ন করতে থাকেন। প্রথমে স্বীকার করতে না চাইলেও ক্রমে দোলন স্বীকার করে যে, সে-ই ফ্রিজ থেকে চকোলেট ‘চুরি’ করে খেয়ে মোড়কটি ফেলেছে গেটের কাছে। কিন্তু গয়না চুরির বিষয়টি রাঁধুনি মহিলা অস্বীকার করে। এরপরই গৃহবধূ ঠাকুরপুকুর থানায় চকোলেট চুরি ও সোনার গয়না চুরির অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত করতে শুরু করে। গৃহবধূ অভিযোগের আঙুল তোলেন ওই রাঁধুনির বিরুদ্ধে। তাই পুলিশ দোলনকে টানা জেরা করতে থাকে। শেষপর্যন্ত বাড়ির গৃহিণীর অনুমানই সত্যি হয়। পুলিশের জেরার মুখে দোলন স্বীকার করে যে, ওই গয়নাও সে চুরি করেছে। পুলিশ দোলনকে গ্রেপ্তার করে। তল্লাশি চালিয়ে চুরি যাওয়া গয়না দোলনের কাছ থেকেই উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.