Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬

হোম কোয়ারেন্টাইনে কলকাতা পুরসভার মুখ্য স্বাস্থ্য উপদেষ্টা  

প্রশাসনিক কর্তার সচেতনতা অনেকের কাছেই অনুপ্রেরণা, মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৭, ২০২০, ১৩:৩৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৭, ২০২০, ১৩:৩৯

options
link
হোম কোয়ারেন্টাইনে কলকাতা পুরসভার মুখ্য স্বাস্থ্য উপদেষ্টা   zoom
Advertisement

কৃষ্ণকুমার দাস: হোম কোয়ারেন্টাইনে কলকাতা পুরসভার মুখ্য স্বাস্থ্য উপদেষ্টা। স্বাস্থ্য দপ্তরের নির্দেশিকা মেনেই নিজের বাড়িতে সেলফ আইসোলেশনে রয়েছেন তিনি। 

[আরও পড়ুন: পর্যটকের অভাবে অভুক্ত ঘোড়ার দল, দানাপানি দিয়ে সাময়িক সাহায্য কলকাতা পুলিশের]

জানা গিয়েছে, পেশায় চিকিৎসক ওই আধিকারিকের বউবাজার চত্বরে একটি নিজস্ব চেম্বার রয়েছে। অবসর সময়ে সেখানেই রোগী দেখেন তিনি। গত রবিবার, শ্বাসকষ্ট ও জ্বর নিয়ে তাঁর কাছে আসেন এক ব্যক্তি। উপসর্গ দেখে করোনা সংক্রমণ বলে সন্দেহ হওয়ায়, সেদিনই ওই ব্যক্তিকে শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে পাঠান তিনি। সেখানে তাঁর লালারসের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। জানা যায়, তিনি করোনা পজিটিভ। রিপোর্ট হাতে পাওয়া মাত্রই একজন দায়িত্ববান ও সচেতন নাগরিক হিসেবে বিষয়টি স্বাস্থ্য দপ্তরের নজরে আনেন তিনি। তারপরই নিয়ম মেনে নিজের বাড়িতেই সেলফ আইসোলেশনে চলে যান স্বাস্থ্য উপদেষ্টা।

Advertisement

তবে চিকিৎসক মহলের উদ্বেগ বাড়িয়েছে অন্য একটি তথ্য। জানা গিয়েছে, আক্রান্ত ব্যক্তির কোনও বিদেশ ভ্রমণের ইতিহাস নেই। বিগত কয়েক মাসে অন্য কোনও রাজ্যেও যাননি তিনি। বউবাজারে ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার কাছেই তাঁর একটি মুদির দোকান রয়েছে। সন্দেহ করা হচ্ছে, শহরেই কোনও সংক্রমিত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসায় তাঁর শরীরে এই জীবাণু প্রবেশ করে থাকতে পারে। তবে উদ্বেগের প্রধান কারণ হচ্ছে, দোকান মালিক হওয়ায় অনেক মানুষই তাঁর সংস্পর্শে এসে থাকতে পারেন।সেক্ষেত্রে সংক্রমণের আশঙ্কা বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু সচেতন নাগরিক হিসেবে বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে কর্তৃপক্ষের নজরে এনে ও হোম কোয়ারেন্টাইনে গিয়ে বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়েছেন কলকাতা পুরসভার মুখ্য স্বাস্থ্য উপদেষ্টা। উল্লেখ্য, এপর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৬১। এই মারণ রোগের কবলে পড়ে প্রাণ হারাতে হয়েছে তিনজনকে।                                               

[আরও পড়ুন: মিষ্টিমুখে ভয়কে জয়! লকডাউনের বাজারে হটকেক ‘করোনা’ মিষ্টি]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.