অভিরূপ দাস: চারতলার কার্নিশ বেয়ে পালানোর চেষ্টা করলেন কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে (Medical College, Kolkata) চিকিৎসাধীন এক করোনা রোগী। বিষয়টি সকলের নজরে পড়তেই হুলস্থুল পরিস্থিতি তৈরি হয়। তড়িঘড়ি খবর দেওয়া হয় দমকল ও বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরে। পরে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী উদ্ধার করে ওই রোগীকে। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রোগীদের মধ্যে।
মঙ্গলবার ভোরে তখন সবে আলো ফুটেছে। কাজ শুরু করেছেন হাসপাতালের কর্মীরা। সাফাইওয়ালারাই প্রথম দেখতে পান কার্নিশে বসে এক রোগী। প্রত্যক্ষদর্শী এক সাফাইকর্মী জানান, ওই ব্লকে করোনা রোগীদের চিকিৎসা চলছে। বিল্ডিং ভরতি করোনা রোগীতেই। কার্নিশে বসে থাকা ওই লোকটি যে কোভিড আক্রান্ত, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ ছিল না।” “দাদা, ওখানে কী করছেন?” একাধিকবার প্রশ্ন করা হলেও কোনও জবাব দেননি ওই করোনা রোগী। হাসপাতালের স্বাস্থ্য কর্মীরা জানিয়েছেন, আসলে কার্নিশ টপকে পালাতে চেয়েছিলেন ওই করোনা রোগী। কিন্তু চারতলার কার্নিশে নেমে টের পান সেখান থেকে লাফ দিলে হাত পা ভেঙে যাবে। এদিকে ওখান থেকে যে ফের ওয়ার্ডে ফিরে যাবেন, সে উপায়ও নেই। কার্যত বাধ্য হয়েই চুপচাপ বসে পা দোলাচ্ছিলেন। প্রায় দেড় ঘণ্টা কার্নিশেই ছিলেন তিনি।
[আরও পড়ুন: তড়িঘড়ি অক্সিজেন পৌঁছে দিল লালবাজার, কাটল গড়িয়ার রেমিডি হাসপাতালের সংকট]
ঘটনার খবর পেয়ে সুপার মানব নন্দী খবর দেন দমকল বিভাগে। খবর যায় বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরেও। সেখান থেকে লোকজন এসে পিপিই কিট পরে, লম্বা মই দিয়ে উদ্ধার করে ওই রোগীকে। কীভাবে নিরাপত্তারক্ষীদের চোখে ফাঁকি দিয়ে কার্নিশে নেমে পড়লেন রোগী? এ প্রশ্নে মুখে কুলুপ এঁটেছেন সুপার মানব নন্দী।
[আরও পড়ুন: করোনা আবহে লাগাতার মূল্যবৃদ্ধি, কলকাতায় পেট্রল-ডিজেলের দামে নয়া রেকর্ড]
সর্বশেষ খবর
-
জন্ম থেকে দলের ‘মালিকানা’ বদল, মমতার তৃণমূলের ২৮ বছরের ইতিবৃত্ত
-
জিনিয়াস স্পোর্টস নয়, আইএসএল আয়োজনের অধিকার খুব সম্ভবত পেতে চলেছে ক্লাবগুলি
-
ফেডারেশনের বৈঠকে রণক্ষেত্র টলিপাড়া, ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’-এর বিরুদ্ধে ‘চোর চোর’ স্লোগানে ছোঁড়া হল ডিম
-
সমর্থকদের উপস্থিতিতে নিষেধাজ্ঞা, হোটেল আর ট্রেনিংয়ে ‘কারফিউ’ ব্রাজিলের
-
বন্ধুত্বের উপহার, প্রথমবার সংসদে যাওয়ার সুযোগ হারিয়েও রাজ্যসভা আসন কংগ্রেসকে ছাড়লেন বিজয়