রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, সিপিএম নেতা বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য (Buddhadeb Bhattacharjee) ছিলেন দূরদর্শী ও ভবিষ্যৎদ্রষ্টা। তৃণমূলের জমানায় তিনি বারবারই প্রশ্ন তুলতেন, কেন পরিবর্তন? কীসের পরিবর্তন? এই পরিবর্তনের ফলে রাজ্যের কী লাভ হল? সেই সঙ্গে সতর্ক করতেন, রাজ্যে একটা ‘আপদে’র সরকার চলছে। এদের বিদায়ের পর বিপদ অপেক্ষা করছে। সেই বিপদ আমরা প্রত্যক্ষ করছি। যা বুদ্ধবাবু দেখে যেতে পারেননি, তা এখন আমরা দেখতে পাচ্ছি। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যর স্মরণসভায় জানান সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম।
প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নকে আগামী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র গড়ে তোলার ঘোষণাও করেন সেলিম। পার্টি ও সরকারের কাজে বহুবার বুদ্ধবাবুর সঙ্গে যাত্রা করার সৌভাগ্য হয়েছিল। তখনই উপলব্ধি করেছিলাম রবীন্দ্রনাথের উপর বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যর জ্ঞান। এমনকী, তিনি যে গানও গাইতে পারেন, একবার তা শোনার অভিজ্ঞতাও হয়েছিল। জানান পার্টির প্রাক্তন রাজ্য সম্পাদক ও মন্ত্রী সূর্যকান্ত মিশ্র। তিনি জানান, বুদ্ধবাবুকে স্মরণ করতে গেলে বহুবিধ বিষয়ে আলোচনা করতে হয়। তারই রেশ ধরে সেলিম জানান, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভবিষ্যৎ দেখতে পেতেন। অনেক ক্ষেত্রেই তিনি সতর্কবার্তা দিতেন। এখন সেই সতর্কবার্তাই মিলে যাচ্ছে। তাই বুদ্ধবাবুর কাজকর্ম, সাংস্কৃতিক চর্চা-সহ তাঁর জীবনের বহুবিধ দিক তুলে ধরতে ওয়েবসাইটে একটি পেজ তৈরি করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
এখানেই থেমে না থেকে জ্যোতি বসু গবেষণা কেন্দ্রের মতো বুদ্ধবাবুর নামেও একটি রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক চর্চাকেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। তবে নামকরণের জন্য সাধারণ মানুষের কাছ থেকে প্রস্তাব নেওয়া হবে। এ ছাড়াও বুদ্ধবাবু-সম্পর্কিত কোনও নথি, ছবি বা অন্যান্য উপাদান কারও কাছে থাকলে তা পার্টির কাছে দেওয়ার জন্য সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন জানানো হবে বলেও জানান সেলিম।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘অন্তর্কলহ’ বিতর্কে চাপে জ্ঞানেশ কুমার, এর মধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে বড়সড় স্বস্তি কন্যা মেধার
-
স্থলভাগে প্রবেশ অতিগভীর নিম্নচাপের, বঙ্গের ৬ জেলায় কমলা সতর্কতা, কবে কমবে বৃষ্টি?
-
আলপনা, জোগাড়, ধুনুচি নাচেই সীমাবদ্ধ! পুজোয় পৌরোহিত্যে কেন পিছিয়ে নারীরা?
-
‘ইটস ডান ব্রো’, কমিশনের অন্তর্কলহে জ্ঞানেশকে তোপ দীপকের, ফের বিক্ষোভের ছক ‘আরশোলা’দের!
-
‘কোচিং জীবনের সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত’, বৈভবকে সুযোগ দিয়ে সারারাত আক্ষেপ করেন গম্ভীর!