Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

নয়া নিয়ম স্থগিত, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পুরনো বিধিতেই ফের ফলপ্রকাশ

মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে কাটল অচলাবস্থা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৬, ২০১৮, ১৯:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৬, ২০১৮, ১৯:৫০

options
link
নয়া নিয়ম স্থগিত, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পুরনো বিধিতেই ফের ফলপ্রকাশ zoom

দীপঙ্কর মণ্ডল:  মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপেই শেষপর্যন্ত অচলাবস্থা কাটল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে। পড়ুয়াদের দাবি মেনে নিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার স্নাতক স্তরের পার্ট ওয়ান পরীক্ষার রেজাল্ট পর্যালোচনা করতে বৈঠকে বসেন সিন্ডিকেটের সদস্যরা। বৈঠকে নতুন বিধি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঠিক হয়েছে, পুরানো বিধি মেনে ফের বিএ, বিএসসি ও বিকম পার্ট ওয়ানের ফল প্রকাশ করা হবে। এই সিদ্ধান্তে যেমন অনেক বেশি সংখ্যক পড়ুয়া পার্ট ওয়ান পরীক্ষায় পাস করতে পারবেন, তেমনি অকৃতকার্যরা বিকল্প পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগও পাবেন।

[বেনজির, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক স্তরের পার্ট ওয়ানে অর্ধেকই ফেল]

Advertisement

এ বছর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক স্তরে পার্ট ওয়ান পরীক্ষায় রেজাল্টে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ফেল করেছেন রেকর্ড সংখ্যক পরীক্ষার্থী। সবচেয়ে খারাপ রেজাল্ট বিএ অনার্স ও জেনারেলে। পাস করেছেন মাত্র ৪২.৩৫ শতাংশ পড়ুয়া। এ বছর বিএ, বিকম ও বিএসসি মিলিয়ে পার্ট ওয়ান পরীক্ষা দিয়েছিলেন ১ লক্ষ ৪০ হাজার পড়ুয়া। কিন্তু, রেজাল্টে দেখা গিয়েছে, অর্ধেক পড়য়াই পরীক্ষায় পাস করতে পারেননি। ২০১৬ সালে নয়া বিধি চালু করেছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। নয়া নিয়মে এখন অনার্সের পড়ুয়াদের পাসের ২টি বিষয়ের মধ্যে একটিতে এবং জেনারেলের পড়ুয়াদের ৩টি বিষয়ের মধ্যে ২টিতে পাস করা বাধ্যতামূলক। অনেকেই বলছেন, নয়া নিয়মেই আটকে গিয়েছেন সিংহভাগ পড়ুয়া।

[পরীক্ষায় ফেল করে আত্মঘাতী ছাত্রী, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়কে কাঠগড়ায় তুলল পরিবার]

২৫ জানুয়ারি পার্ট ওয়ানের রেজাল্ট বেরিয়েছে। তারপর থেকেই  লাগাতার কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনেই বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন পড়ুয়ারা। পড়ুয়াদের দাবি, ২০১৬ সালে যখন তাঁরা কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন, তখন পুরানো বিধি বহাল ছিল। মাস ছয়েক পরে নতুন বিধি চালু হয়। তাই পুরানো বিধি মেনেই তাঁদের বিকল্প পরীক্ষার সুযোগ দিতে হবে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে অচলাবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন মু্খ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। ছাত্র স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয়কে পদক্ষেপ করার অনুরোধ জানান তিনি। শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কেও বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলেন। শেষপর্যন্ত, সোমবার পড়ুয়াদের দাবিই মেনে নিল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। সিন্ডিকেটের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, নয়া বিধি স্থগিত রেখে, পুরানো বিধি মেনেই ফের পার্ট ওয়ানের রেজাল্ট প্রকাশ করা হবে। ঘটনাচক্রে, মঙ্গলবারই আবার কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাইরে পড়ুয়াদের বিক্ষোভে শামিল হয়েছিলেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্যরাও।

[আবার নেওয়া হোক পরীক্ষা, দাবিতে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ অব্যাহত]

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার যে বিধিটি বহাল রাখার কথা ঘোষণা করল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, সেটি ২০০৯ সালে চালু হয়েছিল। এই বিধি অনুযায়ী, অনার্সের পড়ুয়ারা পাসের দুটি বিষয়ে ফেল করলেও, বছর নষ্ট হত না। পরের বছর বিকল্প পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পেতেন তাঁরা। আর জেনারেলের পড়ুয়ারা তিনটির মধ্যে দুটি বিষয়ে ফেল করলেও, কৃতকার্য বলে গণ্য করা হত। সেক্ষেত্রে পরের বছর ওই দুটি বিষয়ে বিকল্প পরীক্ষা দেওয়া যেত।

[রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ যাদবপুরের ছাত্রী, পুলিশের দ্বারস্থ পরিবার

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.