BREAKING NEWS

২৩ শ্রাবণ  ১৪২৭  রবিবার ৯ আগস্ট ২০২০ 

Advertisement

একুশের ভোটে প্রার্থী হবেন বিধায়করাই, দলবদল রুখতে কৌশলী চাল মমতার

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: July 3, 2020 8:43 pm|    Updated: July 3, 2020 10:22 pm

An Images

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: দু’বার রাজ্যের শাসকদলের দায়িত্ব পেয়েছে তৃণমূল। একুশে হ্যাটট্রিকের হাতছানি। ক্ষমতায় থাকা এই ১০ বছরের মধ্যে দল বদলের কাঁটায় বিদ্ধ হতে হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলকে। গত লোকসভা নির্বাচনে এ রাজ্যে বিজেপির উত্থান বেশ ইঙ্গিতবাহী। তা বুঝতেও পেরেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। একুশের আগে তাই আরও সাবধানী তিনি।

শুক্রবারের দলীয় বৈঠক মূলত ২১ জুলাইকে সামনে রেখে হলেও, গুরুত্বপূর্ণ কথা জানিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। বললেন, বিধায়করা সকলে আগামী বছর ভোটে লড়াইয়ের টিকিট পাবেন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত, দলের হেভিওয়েট নেতাদের দলবদল রুখতেই তাঁর এই ঘোষণা। বিধায়কদের ফের লড়াই নিশ্চিত করে দিলেন।

[আরও পড়ুন: করোনা আবহে কাটছাঁট শহিদ দিবসের অনুষ্ঠান, ধর্মতলায় হচ্ছে না ২১ জুলাইয়ের সভা]

তবে ২৯৪ কেন্দ্রে প্রত্যেকেই লড়ার সুযোগ পাবেন কি না, তা নিয়ে কিঞ্চিৎ সন্দেহের অবকাশও রেখে দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। জানালেন, অন্য কোনও সংরক্ষণ না থাকলে, প্রত্যেকে নিজের নিজের কেন্দ্র থেকেই দাঁড়াতে পারবেন। অনিশ্চয়তা রয়েছে অবশ্য রায়দিঘিতে। সেখানকার দু’বারের তারকা বিধায়ক দেবশ্রী রায়কে নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তেমন সন্তুষ্ট নন বলে সূত্রের খবর।

এদিন দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা সভাপতি শুভাশিস চক্রবর্তীকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, দেবশ্রীকে নিয়ে ভেবেচিন্তে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত জানাতে। এতেই অনেকে মনে করছেন, হয়ত দেবশ্রী রায়কে আর প্রার্থী নাও করতে পারেন মমতা। এছাড়া শুভাশিস চক্রবর্তীকে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এতদিন দলের কোষাধ্যক্ষ ছিলেন ফলতার প্রয়াত বিধায়ক তমোনাশ ঘোষ। দলের প্রথম থেকেই এই ভার ছিল তাঁর উপর। তমোনাশ ঘোষের প্রয়াণের পর কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব পেলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা সভাপতি শুভাশিস চক্রবর্তী।

[আরও পড়ুন: সার্ভিস রাইফেল থেকে ছিটকে বেরল গুলি, পুলিশকর্মীর মৃত্যুতে চাঞ্চল্য রাইটার্স বিল্ডিংয়ে]

বৈঠকে নেত্রীর ভর্ৎসনার মুখে পড়লেন বেশ কয়েকজন বিধায়ক। আমফানের ত্রাণ দুর্নীতি নিয়ে তাঁদের কড়া ধমক দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা ঠিকমতো তৈরি হল না, কেন বিধায়করা সেদিকে নজর দেননি, তা নিয়ে জবাব তলব করেন তিনি। ঘনিষ্ঠ সূত্রে খবর, মমতা এদিন রাগত স্বরে বিধায়কদের প্রশ্ন করেন, সবই কি তিনিই করে দেবে? একুশের নির্বাচনের আগে আমফানের ত্রাণ দুর্নীতিতে যেভাবে দলের নেতাদের নাম জড়াচ্ছে, তাতে বেশ ক্ষুব্ধ দলনেত্রী।  এতে দলের ভাবমূর্তি ফের নষ্ট হচ্ছে বলে আশঙ্কা তাঁর।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement