সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ৪৪ দিনের লড়াইয়ে ইতি। শনিবার ডিএ (DA) আন্দোলনকারীরা তাঁদের অনশন প্রত্যাহারের ঘোষণা করেছেন। নিজেদের এই সিদ্ধান্ত ঘোষণার পাশাপাশি এদিন ডিএ আন্দোলনকারীরা নিশানা করলেন মুখ্যমন্ত্রীকে। অনশন প্রত্যাহার নিয়ে নিজেদের বক্তব্য জানাতে গিয়ে তাঁদের কটাক্ষ, এরপর তো এখানে ২৯ তারিখ থেকে ধরনা শুরু হবে বার্গার, প্যাটিস, চা, চকলেট খেয়ে। নাম না করলেও তাঁদের নিশানায় যে আগামী সপ্তাহে মুখ্যমন্ত্রীর ধরনা, তা স্পষ্ট। আন্দোলনকারীদের এই মন্তব্য ঘিরে সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের মতে, নিজেদের দমে অনশন চালাতে না পেরে এবার তাঁরা মুখ্যমন্ত্রীকেই নিশানা করছেন।
আগামী ২৯ এবং ৩০ মার্চ আম্বেদকর মূর্তির পাদদেশে ধরনায় বসবেন মুখ্যমন্ত্রী (CM Mamata Banerjee)। কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিরুদ্ধে তাঁর এই ধরনা কর্মসূচি। ১০০ দিনের টাকা-সহ একাধিক কেন্দ্র-রাজ্য যৌথ প্রকল্পে রাজ্যকে ঠিকমত টাকা না দেওয়ার অভিযোগে তিনি দু’দিন ধরে ধরনায় বসবেন। ২৯ তারিখ দুপুর ১২টা থেকে শুরু হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধরনা। চলবে ৩০ তারিখ রাত পর্যন্ত। ওই একই সময়ে বিভিন্ন ব্লকে ব্লকে শুরু হবে ধরনা।
[আরও পড়ুন: ‘সাভারকার নই, আমি গান্ধী, ক্ষমা চাইব না’, বিতর্ক আরও উসকে হুঙ্কার রাহুলের]
শনিবার ডিএ আন্দোলনকারীরা অনশনের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের ঘোষণার পরই নাম না করে নিশানা করলেন মুখ্যমন্ত্রীকে। মূল আন্দোলনকারী যৌথ সংগ্রামী মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, ”এরপর এখানে ধরনা শুরু হবে বার্গার, প্যাটিস নিয়ে। চা, চকলেটের ব্যবস্থাও থাকবে। আমরা তো না খেয়েই আন্দোলন করেছি এতদিন।” তাঁদের এই শ্লেষ নিয়ে সমালোচনাও শুরু হয়েছে। অনেকের বক্তব্য, নিজেরা অনশন কর্মসূচি চালাতে না পেরে দাবি আদায়ের আগে রণে ভঙ্গ দিয়েছে। আর মুখ্যমন্ত্রীর কর্মসূচিতে এভাবে কটাক্ষ করছে।
[আরও পড়ুন: কাটল জট, ২৯ মার্চ শহিদ মিনারে অভিষেকের সভার অনুমতি দিল সেনা, চলছে প্রস্তুতি]
সর্বশেষ খবর
-
একশোর বদলে পাঁচশোর নোটের টোপ! কমিশনের লোভে ব্যবসায়ী পেলেন সাদা কাগজের টুকরো
-
তৃণমূল জমানায় অবহেলা! দুর্যোগ-বিধ্বস্ত উত্তরবঙ্গকে স্বমহিমায় ফেরাতে আড়াইশো কোটি বরাদ্দ শুভেন্দুর
-
নিজের গড় রেজিনগরেই হারের ভয়! উপনির্বাচনে বাম-কংগ্রেস-তৃণমূল মহাজোট চাইছেন হুমায়ুন
-
আপত্তি শুধু ‘সেক্যুলার’ কংগ্রেসের! নিয়ম মেনে বন্দে মাতরম পুরোটা দাঁড়িয়ে সম্মান আবদুল্লাদের
-
নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে প্রার্থীই দিতে পারবে না তৃণমূল? সর্বদলীয় বৈঠকে গড়হাজিরায় উঠছে প্রশ্ন