৭ ফাল্গুন  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তৈরি হয়নি লেভেল ক্রসিং। তার জেরে ফের পিছোল টালা ব্রিজ ভাঙার দিন। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী ৩১ জানুয়ারির মধ্যরাত থেকে যানচলাচল বন্ধ হবে টালা ব্রিজে। ঠিক তার পরেরদিন অর্থাৎ ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে ব্রিজ ভাঙার কাজ। রেলের গড়িমসিতেই এই কাজে বারবার বাধা পড়ছে বলেই দাবি রাজ্যের। যদিও রেলের তরফে দাবি টালা ব্রিজ তৈরিতে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

সব ঠিক থাকলে ১৮ জানুয়ারি টালা ব্রিজ ভাঙার কাজ শুরু হওয়ার কথা ছিল। ৮০০ মিটার লম্বা এই সেতু ভাঙার খরচ আনুমানিক ৩০ কোটি টাকার মতো। ভাঙার জন্য ঠিকাদার সংস্থাগুলিকে আহ্বান জানাতে টেন্ডারও ডাকে পূর্ত দপ্তর। টালা ব্রিজ সংক্রান্ত কাজকর্ম তদারকির জন্য একটি বিশেষ কমিটিও ইতিমধ্যেই গঠন করা হয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ে টালা ব্রিজ ভাঙা শুরু করা সম্ভব নয়। তার জন্য রেলের গড়িমসিকেই দায়ী করেছে রাজ্য সরকার।

সূত্রের খবর, টালা ব্রিজ তৈরির সময় বিকল্প রাস্তা হিসাবে একটি লেভেল ক্রসিং তৈরির কথা ছিল। তবে এখনও তৈরি হয়নি লেভেল ক্রসিং। তাই বাধ্য হয়েই টালা ব্রিজ ভাঙার দিন পিছোতে হবে। টালা ব্রিজ তৈরির কাজ সময়মতো লেভেল ক্রসিং তৈরি না হওয়াতেই ভাঙার দিন পিছোতে হয়। নিজেদের অংশ ভাঙার জন্য চার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে পূর্ত দপ্তর। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, ৩১ জানুয়ারির মধ্যরাত থেকে যানচলাচল বন্ধ হবে টালা ব্রিজে। ঠিক তার পরেরদিন অর্থাৎ ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে ব্রিজ ভাঙার কাজ।

[আরও পড়ুন: ‘মতানৈক্য থাকলেও সম্পর্ক মজবুত’, গুলি করে মারার নিদানের কটাক্ষের পরেও দিলীপের পাশে বাবুল]

রেলের দাবি, টালা ব্রিজের যে নকশা তৈরি হয়েছে সেই অনুযায়ী কাজ শেষ হতে সময় লাগবে তিন বছরেরও বেশি সময়। তাই রেলের দাবি নকশা বদল করতে হবে। তবে সেই সমস্যা মিটে গিয়েছে। নতুন ব্রিজের নকশা পুনর্বিবেচনার পর তা অর্থমন্ত্রকেরও ছাড়পত্রও পাওয়া গিয়েছে। তাই কাজ শুরু করতে আর কোনও বাধা নেই। তবে তা সত্ত্বেও কোনও না কোনও সমস্যায় বারবার টালা ব্রিজ তৈরির কাজে ব্যাঘাত ঘটছে।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং