সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বিধাননগর পুর এলাকায়। মারা গেলেন বাগুইআাটির এক স্কুল শিক্ষক। পরিবারের দাবি, ডেথ সার্টিফিকেটে ডেঙ্গুর শক সিনড্রোমের উল্লেখ আছে। পুরসভার ভূমিকায় ক্ষুদ্ধ মৃতের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
[ ফের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ]
পুজোর আগে থেকেই ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে একের পর এক মৃত্যুতে আতঙ্ক ছড়িয়েছে শহরে। দুর্গাপুজো, কালীপুজো, এমনকী ভাইফোঁটাও পার হয়ে গেল। শহরের বাতাসে এখন শীতের আমেজ। কিন্তু, ডেঙ্গুর আতঙ্ক যাচ্ছে না। গত ২১ অক্টোবর জ্বর হয়েছিল বাগুইআটির হাতিয়াড়ার বাসিন্দা প্রণব রায়ের। পেশায় তিনি স্কুল শিক্ষক। পরিবারের লোকেরা জানিয়েছেন, প্রথমে বাগুইআটির একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি করা হয় প্রণবকে। কিন্তু জ্বর তো কমেইনি, উলটে শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হতে থাকে। তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় সল্টলেকের এক বেসরকারি হাসপাতালে। শুক্রবার রাতে মারা যান প্রণব রায়। পরিবারের লোকেদের দাবি, ডেথ সার্টিফিকেটের ডেঙ্গু শক সিনড্রোমের কথা উল্লেখ করেছেন চিকিৎসকরা। চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগও করেছেন প্রণব রায়ের পরিবারের লোকেরা।
পুজোর আগে মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত দু’জন শিশুর মৃত্যু হয়েছিল বিধাননগর পুর এলাকায় দত্তাবাদে। বস্তুত, প্রণব রায়ের মৃত্যুর কয়েক দিন আগেও একজন মারা গিয়েছেন বলে দাবি করেছেন পরিবারের লোকেরা। আতঙ্কিতই শুধু নন, এলাকায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে একের পর এক মৃত্যুতে বিধাননগর পুরনিগমের ভূমিকায় রীতিমতো ক্ষু্দ্ধ বাসিন্দারা।
[আগামী এক মাসের জন্য কমছে মেট্রোর সংখ্যা, বিপাকে নিত্যযাত্রীরা]
সর্বশেষ খবর
-
পশুপাখির ঘর কেড়ে ১০ হাজার কক্ষের রিসর্ট! ট্রাম্পের জামাইয়ের বিরুদ্ধে জনগর্জন আলবেনিয়ায়
-
অফিসে জোর করে ধর্মান্তর! টিসিএসের পর উইপ্রো, বিস্ফোরক অভিযোগে ফের উত্তাল মহারাষ্ট্র
-
নেত্রী নাকি পরামর্শদাতা? মমতার ভূমিকা নিয়ে এবার ‘আসল তৃণমূলে’ও ফাটল!
-
সকাল থেকে নেই সাড়া! দিঘায় হোটেল থেকে উদ্ধার দম্পতির দেহ
-
‘বহিষ্কারের চিঠি বৈধ নয়’, তৃণমূলের সংবিধান তুলে ঋতব্রত-প্রশ্নে জবাব স্পিকারের