১ শ্রাবণ  ১৪২৬  বুধবার ১৭ জুলাই ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এনআরএস হাসপাতালে চিকিৎসক নিগ্রহের ঘটনায় তুঙ্গে উত্তেজনা৷ এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্তব্ধ রাজ্যের চিকিৎসা পরিষেবা৷ যার প্রভাব পড়েছে জাতীয় ক্ষেত্রেও৷ রাজ্য সরকারের সঙ্গে সরাসরি সংঘর্ষের রাস্তা বেছে নিয়েছেন আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তাররা৷ একদিকে যখন নবান্নে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী, তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সশরীরে এনআরএস হাসপাতালে এসে তাঁদের সঙ্গে কথা বলার প্রস্তাব দিয়েছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা৷ যতক্ষণ না মুখ্যমন্ত্রী এনআরএস হাসপাতালে আসছেন, ততক্ষণ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার বার্তা দিয়েছেন তাঁরা৷

রাত ৯টা ৩০ মিনিট: আরও খানিকটা নমণীয় হওয়ার ইঙ্গিত চিকিৎসকদের। বৈঠকে সাংবাদিকদের উপস্থিতির দাবি বাতিল করলেন তারা। বদলে, দুই পক্ষের তরফে ভিডিওগ্রাফি করার দাবি জানালেন জুনিয়র ডাক্তাররা। 

রাত ৯টা: অবশেষে এনআরএসের অচলাবস্থা কাটার ইঙ্গিত। জুনিয়র ডাক্তাররা আলোচনার প্রস্তাব দেওয়ার পরই নবান্নের তরফে আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হল। আগামিকাল সোমবার নবান্নে চিকিৎসকদের আলোচনার জন্য ডাকলেন মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠকে থাকবেন স্বাস্থ্য সচিব এবং মুখ্য সচিব। রাজ্যের ১৪ টি মেডিক্যাল কলেজ থেকে ২ জন করে প্রতিনিধিকে ডাকা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। যদিও, সরকারি বৈঠকের নিয়ম মেনে ছাত্রদের একটি দাবি মানছে না রাজ্য। জুনিয়র ডাক্তাররা দাবি করেছিলেন, বৈঠক করতে হবে সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরার সামনে। কিন্তু, সেই দাবি মানতে নারাজ রাজ্য। এখন দেখার, চিকিৎসকরা আগামিকাল দুপুর ৩ টের এই বৈঠকে হাজির হন কিনা।

সন্ধ্যা ৬.০০ মিনিট: জিবি বৈঠকের পর বিক্ষোভকারীদের দেওয়া অধিকাংশ দাবিই মেনে নিল রাজ্য সরকার৷ রাজ্যের স্বাস্থ্য-শিক্ষা অধিকর্তা প্রদীপ মিত্র জানান, রাজ্যের ১৪টি মেডিক্যাল কলেজ থেকে দু’জন করে মোট ২৮ জন প্রতিনিধি বৈঠকে যাবেন৷ বিক্ষোভকারীরা রাজি হলে বৈঠক হতে পারে নবান্ন সভাঘরে৷ তবে রবিবার কোনও বৈঠকের সম্ভবনা নেই৷ তা হতে পারে সোমবার৷   

দুপুর ৩.৪৫ মিনিট: ‘‘আমরা আলোচনায় রাজি৷ তবে বন্ধ দরজার পিছনে নয়৷ কোথায় বৈঠক হবে, সেই স্থান নির্বাচন করুন মাননীয়া৷ তবে সেখানে যেন সমস্ত মেডিক্যাল কলেজের প্রতিনিধিরা এবং সংবাদ মাধ্যম থাকতে পারে, তেমনই ব্যবস্থা করতে হবে৷’’  দীর্ঘক্ষণের জিবি বৈঠকের পর এমনই একাধিক দাবি পেশ করলেন এনআরএস হাসপাতালের বিক্ষোভরত চিকিৎসকরা৷ তাঁদের অভিযোগ, শনিবার সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে দাবি করেছেন, তা বিভ্রান্তিমূলক৷ 

দুপুর ২.০০ মিনিট: এনআরএস হাসপাতালে আক্রান্ত ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিবহ মুখোপাধ্যায়কে দেখতে গেলেন আইএমএ-র সর্বভারতীয় সভাপতি তথা তৃণমূল সাংসদ শান্তনু সেন৷ রবিবার কলকাতার ইনস্টিটিউট অফ নিউরোসায়েন্সে পরিবহকে দেখতে যান তিনি৷ তাঁর সঙ্গে দেখা করে শান্তনু সেন জানান, ‘‘পরিবহ দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছে৷ চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছে৷ ওর সঙ্গে যা ঘটেছে, তা যাতে কোনও চিকিৎসকের সঙ্গে না ঘটে তাই আশা করব৷’’৷ পাশাপাশি, গুজব না ছড়িয়ে, পাশে থাকাও আরজি জানান তিনি৷ 

সকাল ১১.৩০ মিনিট: এনআরএস হাসপাতালে চলছে চিকিৎসকদের জিবি বৈঠকে৷ সেখানে হাজির রয়েছেন সমস্ত মেডিক্যাল কলেজের প্রতিনিধিরা৷ রয়েছেন জুনিয়র ও সিনিয়র চিকিৎসকরা৷ সূত্রের খবর, নবান্নে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক না করার পক্ষেই মত দিয়েছেন অধিকাংশ চিকিৎসক৷ তাঁদের দাবি, রাজভবনের মতো নিরপেক্ষ স্থানে বৈঠক হোক৷ কোথায়, কবে হবে বৈঠক, সেই নিয়েও জিবি মিটিংয়ে আলোচনা হচ্ছে৷   

[ আরও পড়ুন: ‘ওঁরা ছোট, ওঁদের শুভবুদ্ধির উদয় হোক’, ডাক্তারদের ফের বৈঠকে বসার অনুরোধ মুখ্যমন্ত্রীর]

সকাল ৯.০০ মিনিট: এনআরএস হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিবহ মুখোপাধ্যায় নিগ্রহের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের স্বাস্থ্যক্ষেত্রে যে জট তৈরি হয়েছে, রবিবার তা ষষ্ঠদিনে পড়ল৷ তাঁদের পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করতে এদিন সকাল ১০টায় আবারও জিবি বৈঠকে বসছেন বিক্ষোভরত চিকিৎসকরা৷ সেই বৈঠকেই তাঁদের পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করবেন তাঁরা৷ বৈঠকের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন শহর তথা রাজ্যের অন্যান্য হাসপাতালের আন্দোলনরত চিকিৎসকরাও৷ সেখানে নেওয়া সিদ্ধান্তের উপরই তাঁদের কাজে যোগ দেওয়া বা না দেওয়া নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন জুনিয়র চিকিৎসকদের একাংশ৷ বৈঠকের দিকে তাকিয়ে রাজ্যের সাধারণ মানুষও৷ তাঁদের আশা, সেখান থেকেই কোনও সমাধানসূত্র বেরিয়ে আসতে পারে৷ কাটতে পারে রাজ্যের স্বাস্থ্যক্ষেত্রে তৈরি হওয়া অচলাবস্থা৷

[ আরও পড়ুন: ‘আন্দোলন চলবে’, মুখ্যমন্ত্রীর আহ্বান উড়িয়ে বার্তা বিক্ষোভরত চিকিৎসকদের ]

সকাল ৮.৩৫ মিনিট: রবিবার ছুটির দিন হওয়ায় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ,  এনআরএস হাসপাতাল, এসএসকেএম হাসপাতাল, আরজি কর হাসপাতালে বন্ধ রয়েছে আউটডোর পরিষেবা৷ কিন্তু খোলা রয়েছে জরুরি বিভাগ৷ কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে জরুরি বিভাগ খোলা থাকলেও, রোগী নেই বললেই চলে৷  

[ আরও পড়ুন: দেবের পর এনআরএস কাণ্ডে মুখ খুললেন তৃণমূল সাংসদ মিমি চক্রবর্তী ]

সকাল ৮.০০ মিনিট: শনিবার রাত ১১টা নাগাদ এনআরএস হাসপাতালে যান জাতীয় শিশু অধিকার রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান প্রিয়াঙ্ক আনন্দ৷ বিধানচন্দ্র রায় শিশু হাসপাতালও পরিদর্শন করেন তিনি৷ উদ্বেগ প্রকাশ করেন হাসপাতালের পরিস্থিতি নিয়ে৷ রবিবার শহরের আরও কয়েকটি হাসপাতাল ঘুরে দেখবেন তিনি৷ এরপর সেই রিপোর্ট জমা দেবেন কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে৷  

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং