Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হৃদযন্ত্র প্রতিস্থাপনের পর কেমন আছেন দিলচাঁদ? জানালেন চিকিৎসকরা

কী জানানো হল প্রকাশিত মেডিক্যাল বুলেটিনে?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২২, ২০১৮, ১৩:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২২, ২০১৮, ১৩:২০

options
link
হৃদযন্ত্র প্রতিস্থাপনের পর কেমন আছেন দিলচাঁদ? জানালেন চিকিৎসকরা zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইতিহাস গড়েছ কলকাতা। আর তার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে গিয়েছেন ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা দিলচাঁদ সিংহ।  তাঁর শরীরেই প্রতিস্থাপিত হয়েছে বেঙ্গালুরুর বরুণের হৃদযন্ত্র। পূর্ব ভারতে এই প্রথম হৃদযন্ত্র প্রতিস্থাপন। তাও আবার অন্য শহর থেকে উড়িয়ে আনা হয়েছে হার্ট। গোটা দেশের ক্ষেত্রেই যা বেনজির। সোমবারই হয়েছে সেই অপারেশন। তারপর কেমন আছেন দিলচাঁদ?  চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, আপাতত সুস্থই আছেন তিনি।

[  ৩০ ও ৩১ মে ব্যাংক ধর্মঘট, ভোগান্তি এড়াতে আগেভাগেই বেতন কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের ]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

 

33066091_1777232389003138_5996206234242383872_n

সোমবার ডাঃ তাপস রায়চৌধুরীর নেতৃত্বে হয় হার্ট প্রতিস্থাপন। তারপর চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, ৯৬ ঘণ্টা না কাটলে এ  বিষয়ে নিশ্চিত কোনও সিদ্ধান্তে আসা যাবে না। তবু গোটা রাজ্যের জিজ্ঞাসা, ভাল আছেন তো দিলচাঁদ? সকাল থেকেই সে প্রশ্ন ঘোরাঘুরি করছে। যদিও এদিন নির্ধারিত সময়ে বুলেটিন প্রকাশ করেও তা ফিরিয়ে নেওয়া হয়। ফলে নানারকম জল্পনা মাথাচাড়া দেয়। পরে আনুষ্ঠানিকভাবে মেডিক্যাল বুলেটিন প্রকাশ করে জানানো হয়, দিলচাঁদের অবস্থা স্থিতিশীল। বরুণের হৃদযন্ত্র তাঁর শরীরে আগেই কাজ করা শুরু করেছিল। এখন বেশ মানিয়েও নিয়েছে। ভেন্টিলেশন খুলে দেওয়া হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই শ্বাস নিতে পারছেন তিনি। কথাও বলেছেন টুকটাক। জলপানও করতে পারছেন। অবস্থা যেরকম তাতে দ্রুত সুস্থতারই ইংগিত পাচ্ছেন চিকিৎসকরা।

 হৃদপিণ্ড প্রতিস্থাপনের পর ব্যয়ভার লাঘব করুন মুখ্যমন্ত্রী, ইতিহাস গড়ে আরজি চিকিৎসকদের ]

তবে যেহেতু এটা স্পেশাল কেস তাই আরও অন্তত ১০ দিন আইসিউতে রাখা হবে বলেই চিকিৎসকদের মত। বাইরে থেকে শরীরে কোনও অঙ্গ প্রতিস্থাপিত হলে দেহের ‘রিজেকশন’ প্রবণতা বেড়ে যায়। অর্থাৎ শরীর ওই অঙ্গটিকে প্রত্যাখ্যান করে। সেক্ষেত্রে জীবন সংশয় থাকে। তাই চিকিৎসকরা ইমিউনো সাপ্রেসিং মেডিসিন দেন, যাতে শরীরে রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতাকে ইচ্ছাকৃতভাবে কমিয়ে দেওয়া যায়।  রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যত বেশি হবে তত এই রিজেকশন প্রবণতা বাড়বে। জানা যাচ্ছে, দিলচাঁদের ক্ষেত্রে এই ওষুধ খুব ভালভাবে কাজ করছে।  অর্থাৎ এখানে রিজেকশনের সম্ভাবনা নেই। ফলে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন দিলচাঁদ, এমনটাই মনে করছেন সকলে।

মেডিক্যাল বুলেটিন প্রকাশে দেরি হওয়ায় নানামহলে নানা জল্পনা ছড়িয়ে পড়ে। তার জেরে খানিকটা উদ্গিগ্ন ছিলেন তাঁর পরিবারের লোকেরাও।  তবে এখন তাঁদের একটাই প্রার্থনা, বরুণের হৃদয় নিয়েই সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠুন দিলচাঁদ।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.