Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
দিলীপ ঘোষ

রাজ্যের গাফিলতিতেই পরিযায়ীরা কেন্দ্রের সাহায্য থেকে বঞ্চিত, সাফাই দিলেন দিলীপ ঘোষ

পাঁচজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে দিয়ে রাজ্যে আরও পাঁচটি ভারচুয়াল সভা করছে বিজেপি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০২০, ২০:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০২০, ২০:০৫

options
link
রাজ্যের গাফিলতিতেই পরিযায়ীরা কেন্দ্রের সাহায্য থেকে বঞ্চিত, সাফাই দিলেন দিলীপ ঘোষ zoom

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: রাজ্য সরকারের গাফিলতি ও অসহযোগিতার জন্যই এ রাজ্যের পরিযায়ী শ্রমিকরা কেন্দ্রীয় সাহায্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এমনই অভিযোগ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তাঁর অভিযোগ, ‘কত শ্রমিক বাংলায় এসেছে তার কোনও হিসাব রাজ্য সরকারের কাছে নেই। আড়াই লক্ষ শ্রমিক আসতেও তো কমপক্ষে ১৫৬টি ট্রেন লাগে। শ্রমিকদের তালিকা কেন্দ্রকে দেবে না রাজ্য। কেন্দ্রের সঙ্গে কোনও সহযোগিতা করবে না। শুধু কেন্দ্রীয় সরকারের ঘাড়ে দোষ চাপালে হবে।’ আমফানে ত্রাণের টাকা নয়ছয় হচ্ছে বলে শাসকদলকে দায়ী করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তাঁর বক্তব্য, ‘ত্রাণের টাকা নিয়েও কাটমানি চলছে। কেউ মুখ্যমন্ত্রীর কথা শুনছে না।’

এদিকে, দাঁতনে দলীয় কর্মসূচিতে গিয়ে থানা জ্বালিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু। ওই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সায়ন্তনের বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করেছে দাঁতন থানার পুলিশ। ৫০৫, ৫০৬ ও ১২০ বি ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশের উপর ঢিল ছোঁড়ার অভিযোগেও বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে আর একটি মামলা দায়ের করেছে দাঁতন থানা। সোমবার ঝাড়গ্রামে এক দলীয় কর্মসূচিতে গিয়ে তার বিরুদ্ধে মামলা প্রসঙ্গে সায়ন্তন বলেন, ‘যারা বিজেপি কর্মীদের খুন করছে। আমাকে জ্বালিয়ে দেবে বলছে তাদের বিরুদ্ধে কোনও মামলা হয় না।’

Advertisement

[আরও পড়ুন: চিন বিরোধী প্রমাণের প্রাণপণ চেষ্টা, চিনা দ্রব্যের উপর ২০০% কর বসানোর দাবি সুজনের]

এদিন ঝাড়গ্রামে গিয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলেছেন সায়ন্তন বসু। বলেছেন, ‘বিজেপি নেতাদের উপর হামলার ঘটনার পিছনে তৃণমূল ও মাওবাদীদের যোগসাজশ রয়েছে।’ তাঁর দাবি, রাজ্যের গোয়েন্দাদের কাছেও এই রিপোর্ট আছে। এদিনও তৃণমূলকে হুমকি দিয়ে বিজেপির এই শীর্ষ নেতা বলেছেন, ‘বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে কোনও হিংসাত্মক আচরণ হলে শ্রী কৃষ্ণ শিশুপালের সঙ্গে যা করেছিল আমরা তাই করব।’ এদিনই বর্ধমানে দলীয় কর্মসূচিতে গিয়ে শাসকদলকে পালটা মারের হুমকি দিয়েছেন বিজেপি সাংসদ তথা দলের যুব সভাপতি সৌমিত্র খাঁ। বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে ‘ভোঁদড়’ বলে কটাক্ষ করেছেন সৌমিত্র।

পাঁচজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে দিয়ে রাজ্যে আরও পাঁচটি ভারচুয়াল সভা করছে বিজেপি। দলের পাঁচটি সাংগঠনিক জোনে এই সভাগুলি হবে। ২৪ জুনের ভারচুয়াল সভায় বক্তা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি (Smriti Irani)। ২৬ জুন ধর্মেন্দ্র প্রধান, ২৮ জুন নির্মলা সীতারমণ, ৩০ জুন অর্জুন রাম মেঘওয়াল ও ২ জুলাই রবিশংকর প্রসাদ বাংলার জন্য সভায় বক্তব্য রাখবেন।

[আরও পড়ুন: ‘হিংসা ছাড়া পৃথিবীতে কোনও দিন কোনও সমাধান হয়নি’, ফের উসকানি দিলীপের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.