Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬

এনআরএস হাসপাতালে শিশুকে কামড় কুকুরের

শিশুর চিকিৎসায় হয়রানির অভিযোগ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৩, ২০১৯, ১৬:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৩, ২০১৯, ১৬:১৫

options
link
এনআরএস হাসপাতালে শিশুকে কামড় কুকুরের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এনআরএস হাসপাতালে কুকুরছানা হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে এখনও আন্দোলন চলছে। মঙ্গলবার রাতে বিক্ষোভ চলাকালীন পুলিশ লাঠিচার্জ করে বলেও অভিযোগ। এই যখন পরিস্থিতি, ঠিক তখনই এনআরএস হাসপাতাল চত্বরে এক শিশুকে কামড়ে দিল কুকুর। সে আবার হাসপাতালের এক কর্মীরই সন্তান। কিন্তু গুরুতর জখম ওই শিশুটির চিকিৎসা করাতে গিয়ে পরিবারের লোককে রীতিমতো হয়রানির মুখে পড়তে হয়েছে বলে অভিযোগ। তাঁদের দাবি, এনআরএস হাসপাতালে প্রতিষেধক ছিল। কিন্তু, শিশুটিকে ওষুধ দেননি হাসপাতালের চিকিৎসকরা।

[ কুকুর নিধনের প্রতিবাদ চলাকালীন পশুপ্রেমীদের উপর পুলিশের লাঠিচার্জ]

Advertisement

এনআরএস হাসপাতালে কুকুর নিধনে দুই অভিযুক্তকে শাস্তির দাবি যখন আন্দোলনে নেমেছেন পশুপ্রেমীরা, তখন হাসপাতাল ও হস্টেল কুকুরমুক্ত করার দাবি তুলেছেন এনআরএসের নার্সিং পড়ুয়ারা। তাঁদের বক্তব্য, কুকুরের উপদ্রব সহ্য করে নার্সদের পক্ষে পরিষেবা দেওয়া সম্ভব নয়। শুক্রবার হাসপাতাল চত্বরে অবস্থান বিক্ষোভে বসেছিলেন নার্সিং হস্টেলে পড়ুয়ারা। সেদিন ক্লাসও বয়কট করেন তাঁরা। কুকুর নিধনে কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত মৌটুসি মণ্ডল ও সোমা বর্মনকে জামিন দিয়েছে আদালত। এনআরএসে নার্সিং পড়ুয়াদের হস্টেলে ফিরেছেন মৌটুসি ও সোমা, ক্লাসও করছেন। মঙ্গলবার রাতে ওই দুই নার্সিং পড়ুয়ার শাস্তির দাবিতে যখন স্বাস্থ্য ভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন পশুপ্রেমীরা, তখন তাঁদের উপর পুলিশ লাঠিচার্জ করে বলে অভিযোগ। গুরুতর আহত হয়ে আরজি কর হাসপাতালে ভরতি অভিনেত্রী দেবলীনা দত্ত মুখোপাধ্যায়-সহ বেশ কয়েকজন পশুপ্রেমী। আর এই টানাপোড়েনের মাঝে এনআরএস হাসপাতালেই কুকুরের কামড় খেল এক শিশু।

জানা গিয়েছে, বুধবার সকালে এনআরএস হাসপাতালের সুপারের ঘরে সামনে খেলা করছিল বছর তিনেকের এক শিশু। তখনই একটি কুকুর কামড়ে দেয় তাকে। শিশুটি হাসপাতালেরই এক কর্মীর সন্তান। ঘটনার পর তাকে তড়িঘড়ি এনআরএস হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান পরিবারের লোকেরা। কিন্তু তাঁদের রীতিমতো হয়রান হতে হয় বলে অভিযোগ। প্রতিষেধক থাকা সত্ত্বেও দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।  

[ আবগারি আবহাওয়ায় মদ খেয়ে গাড়ি চালানোর প্রবণতা বাড়ছে সল্টলেকে]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.