সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা নিয়ে ভুয়ো খবরে জেরবার কলকাতা পুলিশ। বারবার পুলিশের তরফে সতর্ক করা হয়েছে গুজব না ছড়ানোর জন্য। এর জন্য বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। কিন্তু রোগ সারার লক্ষণ নেই। এবার হোয়াটসঅ্যাপে গুজব ছড়াল তালতলা এলাকা নিয়ে। সেখানে নাকি পরিস্থিতি ভয়ংকর। করোনায় কয়েকদিনে কমপক্ষে ২৫ থেকে ৩০ জনের নাকি মৃত্যু হয়েছে। এই খবর নাকি চাপার চেষ্টা হচ্ছে। এই মেসেজ ঘুরছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। কলকাতা পুলিশ এই খবর গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছে। কে বা কারা এই গুজব ছড়াচ্ছে তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
হোয়াটসঅ্যাপে যে মেসেজটি ঘুরছে তাতে বলা হয়েছে, কলকাতা পুলিশের ডিসি সেন্ট্রাল ও তালতলা থানার ওসি-সহ সব পুলিশকর্মীকে এই এলাকায় প্রয়োজন ছাড়া টহল না দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুলিশমহল নাকি আতঙ্কে কাঁপছে। কিন্তু চাকরির কারণে মুখ ফুটে কিছু বলতে পারছেন না। মেসেজে ১২ জন ব্যক্তির নাম, ঠিকানা ও ফোন নম্বর দেওয়া হয়েছে। তাঁদেরই নাকি মৃত্যু হয়েছে। এই গুজব ছড়াতেই নড়েচড়ে বসেছে পুলিশ। তদন্ত শুরু করেছে লালবাজার।
[আরও পড়ুন: করোনার সঙ্গে এবার ডেঙ্গুর খোঁজ, বাড়ি বাড়ি গিয়ে সন্ধান হাওড়া পুরসভার]

ওই তালিকায় দেওয়া অধিকাংশ নম্বরে ফোন করলে জানা গিয়েছে তাঁদের পরিবারে কেউই মারা যাননি। তালতলা থানার পুলিশও এমন কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক লালবাজারের এক পুলিশ আধাকারিক জানিয়েছেন, এই তথ্য সম্পূর্ণ গুজব। এমন মেসেজের কোনও ভিত্তি নেই। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। প্রসঙ্গত, কলকাতার পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা নিজে বেশ কয়েকদিন আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় করোনা সংক্রান্ত গুজব নিয়ে শহরবাসীকে সতর্ক করেছিলেন। যে বা যারা এই গুজব ছড়াবে তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।
[আরও পড়ুন: ‘করোনা নিয়ে তথ্য গোপন করলে গোটা রাজ্যই রেড জোন হয়ে যাবে’, আশঙ্কা দিলীপের]
সর্বশেষ খবর
-
বারাকপুরে জোড়া ধাক্কা তৃণমূলে, ভাঙল গ্রাম পঞ্চায়েত, ইস্তফা পুরসভার চেয়ারম্যানেরও
-
বাংলাদেশে ঢুকলেই ‘খুন’ করা হবে! ‘জিরো পয়েন্টে’ থাকা ১২ বাংলাদেশিকে ফেরাল ‘মানবিক’ বিএসএফ
-
ফরাক্কায় হেরোইন ল্যাব! ৪ মহিলা-সহ ৭ গ্রেপ্তার, পলাতক বিহারের মূল পাণ্ডা
-
গেটের বাইরে ক্রদ্ধ জনতা, ভিতরে কান ধরে হাউহাউ করে কাঁদছেন তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধান
-
সই জাল কাণ্ডে তৃণমূলের মামলা শুনলই না হাই কোর্ট, সরলেন খোদ বিচারপতি