Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
নবান্নে বন্ধুপ্রকাশের পরিবার

বিজেপি-আরএসএস যোগ নেই, নবান্নে এসে জল্পনা ওড়ালেন জিয়াগঞ্জে নিহতের আত্মীয়রা

পুলিশ ও সিআইডির তদন্তে সন্তোষপ্রকাশ পরিবারের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৮, ২০১৯, ১৬:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৮, ২০১৯, ১৬:৫৬

options
link
বিজেপি-আরএসএস যোগ নেই, নবান্নে এসে জল্পনা ওড়ালেন জিয়াগঞ্জে নিহতের আত্মীয়রা zoom
Advertisement

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: জিয়াগঞ্জে নিহত শিক্ষকের পরিবার সুবিচারের দাবিতে নবান্নে এলেন, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে। শুক্রবার দুপুর নাগাদ ৬ জনের একটি দল পৌঁছান নবান্নে। নিজেদের পরিচয় দিয়ে তাঁরা জানান যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে চান। সূত্রের খবর, সাক্ষাতের জন্য আগাম কোনও সময়সূচি নির্ধারিত না থাকায়, তাঁদের অপেক্ষা করতে বলা হয়। মুখ্যমন্ত্রী সমস্ত কাজ সারার পর তাঁদের সময় দেবেন, এমনটাই আশা জিয়াগঞ্জে মৃত পরিবারের আত্মীয়দের।

দশমীর দুপুরে মুর্শিদাবাদের জিয়াগঞ্জের বাড়ি থেকে পেশায় শিক্ষক বন্ধুপ্রকাশ পাল, স্ত্রী ও মেয়ের দেহ। নৃশংসভাবে তাঁদের খুন করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা যায়। তদন্তে নামে জিয়াগঞ্জ থানার পুলিশ। পরে তদন্তভার যায় সিআইডি’র হাতে। তদন্তে নেমে তিনদিনের মধ্যেই খুনের প্রায় কিনারা করে ফেলেন তদন্তকারীরা। গ্রেপ্তার হয় মূল অভিযুক্ত উৎপল বেহরা। একটা খুনের ঘটনা ঘিরে সামনে আসতে থাকে একাধিক বিষয়। এখনও ধৃতদের জেরা করে গোটা ঘটনার জট ধাপে ধাপে খোলার চেষ্টায় রয়েছেন তদন্তকারীরা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: আগামী বছর রেড রোডের কার্নিভালে অংশ নেবে UNESCO, ঘোষণা মমতার]

সেই তদন্তেরই অংশ হিসেবে শুক্রবার সিআইডির সদর দপ্তর ভবানীভবনে এসেছিলেন জিয়াগঞ্জে নিহতের পরিবারের ৬জন। তাঁদের মধ্যে ৩ জন শিক্ষক বন্ধুপ্রকাশ পালের আত্মীয় এবং বাকি ৩ জন স্ত্রী বিউটির আত্মীয় বলে জানা গিয়েছে। ভবানীভবনে তাঁদের জেরা পর্ব শেষ হওয়ার পরই তাঁরা নবান্নে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের ইচ্ছাপ্রকাশ করেন। তা জানার পর ভবানীভবনের অফিসাররা ঠিক করেন, তাঁদের যথাযথ নিরাপত্তা দিয়ে পাঠানো হবে নবান্নে। এই মুহূ্র্তে জিয়াগঞ্জের এই হত্যাকাণ্ডটি এমনই স্পর্শকাতর একটি ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে, যাতে নিহতের পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা আছে বলে মনে করছেন গোয়েন্দা কর্তারা। তাই তাঁদের রীতিমতো পুলিশি প্রহরায় পৌঁছে দেওয়া হয় নবান্নে। সেখানে ১৩ তলায় তাঁরা অপেক্ষা করেন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য।

[আরও পড়ুন: কলকাতায় ভুয়ো কল সেন্টার খুলে প্রতারণা, পুলিশের জালে ৭]

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বন্ধুপ্রকাশ পালের এক দাদা রাজেশ ঘোষ জানিয়েছেন, সরকারি তদন্তে তাঁরা খুশি। সব বিষয়ে তাঁদের সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে প্রশাসনের তরফে। প্রয়োজনে আইনি সাহায্যও করা হবে। তিনি আরও দাবি করেছেন, ভাইয়ের পরিবারের কারও সঙ্গে কখনওই বিজেপি বা আরএসএসের কোনও যোগ ছিল না।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.