Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Baghajatin flyover

‘আমরা ভেসে গেলাম’, ভাইফোঁটার সকালে বাঘাযতীনের দুর্ঘটনায় ভাইকে হারিয়ে হাহাকার দিদির

শুক্রবার সকালেই বাসের ধাক্কায় মর্মান্তিক মৃত্যু হয় শুভজিত সুরের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৬, ২০২১, ২১:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৬, ২০২১, ২১:০১

options
link
‘আমরা ভেসে গেলাম’, ভাইফোঁটার সকালে বাঘাযতীনের দুর্ঘটনায় ভাইকে হারিয়ে হাহাকার দিদির zoom
ছবি: পিণ্টু প্রধান।
Advertisement

গোবিন্দ রায়: ভাইফোঁটার (Bhai Phota) দিন ভাইয়ের জন্য অধীর আগ্রহে বসেছিলেন দিদি। কিন্তু ভাই আর ফিরল না ঘরে। যমের দুয়ারে কাঁটাও পড়ল না আর। ভাইফোঁটার সকালে মর্মান্তিক পথদুর্ঘটনার বলি হল বছর পঁচিশের যুবক। সাতসকালে বাঘাযতীন উড়ালপুলে (Baghajatin Flyover) বাসের ধাক্কায় নিউ গড়িয়ার সাহাপাড়ার বাসিন্দা শুভজিত সুরের মৃত্যু এক লহমায় মুছে দিয়েছে পরিবারের সমস্ত আশা। পুরুষশূন্য পরিবার এখন কীভাবে বেঁচে থাকবেন, সেই চিন্তায় আকুল।

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শুভজিৎ সবেমাত্র সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং (Civil Engineer) পাশ করেছিলেন। চাকরির চেষ্টা একের পর এক ইন্টারভিউতে বসছিলেন। অপেক্ষা করছিলেন, কবে একটা চাকরি পেয়ে পরিবারের যোগ্য ভরসার পাত্র হয়ে উঠতে পারেন। শুভজিতের জেঠু অসুস্থ হয়ে কলকাতারই একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শনিবার সকালে তাঁকে দেখতে হাসপাতালে যাচ্ছিলেন শুভজিত। পথেই তাঁকে পিষে দিয়ে চলে গেল বাস। ঝরে পড়ল তরতাজা একটি প্রাণ।

Advertisement
ছবি: পিণ্টু প্রধান।

এদিন হাসপাতালে বসে একনাগাড়ে কাঁদছিলেন শুভজিতের দিদি। তাঁদের বাবার মৃত্যু হয়েছিল অনেক বছর আগে। বাবার পেনশনের টাকায় সংসার চলত। বছর দেড়েক আগে শুভজিতের দিদির বিয়ে হয়। শুভজিত সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করার পর পরিবার কিছুটা আশার আলো দেখছিল। ভাই বিভিন্ন ক্যাম্পাসিংয়ে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল, চাকরির জন্য আপ্রাণ চেষ্টা ছিল, এমনই জানাচ্ছেন দিদি। এসবের মাঝেই এমন বিপর্যয় নেমে আসবে ভাবতে পারেননি কেউই।

[আরও পডুন: চিংড়িঘাটায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, পরপর ছয় পথচারীকে পিষল বেপরোয়া গাড়ি, মৃত এক]

ভাইফোঁটার দিনই ভাইকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ শুভজিতের দিদি। কথা বলার মতোও পরিস্থিতি নেই তিনি। শুধু একটাই কথা বলছে, “আমরা ভেসে গেলাম। বাবা চলে যাওয়ার পর ছোটো ভাইটার মুখের দিকে তাকিয়েই মা বেঁচে ছিল। মায়ের কী হবে? মাকে কী বলব?” শুধু এই ভাইফোঁটা কেন, আর কোনওদিন কোনও ভাইফোঁটাতেই ভাই আর আসবে না। একথা বিশ্বাস করতেই পারছেন না দিদি। পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার সঠিক কারণ জানতে ঘাতক বাসটির ব্রেক এবং অন্যান্য যন্ত্রাংশ পরীক্ষা করে দেখা হবে। পাশাপাশি, ঘটনায় সত্যতা যাচাইয়ে পূর্ব যাদবপুর ট্রাফিক (Traffic) গার্ডের আধিকারিকরা ওই এলাকার সব সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছেন।

[আরও পডুন: Kali Puja: কালীপুজোর থিম ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক, মানসিক রোগীদের নিয়ে ‘ঠাট্টা’র অভিযোগ]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.