BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

মেঝেতে পড়ে রক্তাক্ত শ্বশুর-বউমা, চাঞ্চল্য বেহালায়

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: June 17, 2016 7:32 pm|    Updated: June 17, 2016 7:32 pm

An Images

স্টাফ রিপোর্টার: বাড়ির ভিতর থেকে ভেসে আসছিল চাপা গোঙানির আওয়াজ৷ দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকতেই পুলিশ দেখে মেঝেতে যুবতী বউমার পাশে পড়ে রয়েছেন অচৈতন্য বৃদ্ধ শ্বশুর৷ রক্তে ভেসে যাচ্ছে চারিদিক৷ বিছানাতেও চাপ চাপ রক্ত৷ দু’জনেরই জামাকাপড় অবিন্যস্ত৷ বৃহস্পতিবার রাতে বেহালার জনবহুল এলাকায় ঘর থেকে বৃহস্পতিবার রাতে অচৈতন্য অবস্থায় বৃদ্ধ শ্বশুর ও বউমাকে উদ্ধার করে পুলিশ৷ দু’জনেই রক্তাক্ত অবস্থায় ঘরের মেঝেতে পড়ে ছিলেন৷ তাঁদের মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের দাগ রয়েছে৷ এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে বেহালার সরশুনা এলাকার সোনামুখী রোডের সাধনা কলোনিতে৷ বৃদ্ধ শ্বশুর প্রভাত সরকারের বয়স প্রায় আশির কোঠায়৷ ছেলে স্বপন সরকার ও বউমা ঝরনা সরকার৷ ছেলে স্বপন সরকারকে আপাতত ঘটনাপ্রসঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ৷ এদিন রাতের দিকে প্রভাতবাবুর বাড়ি থেকে চাপা গোঙানির আওয়াজ শুনতে পান স্থানীয় মানুষ৷
ঘরের দরজায় ডাকাডাকি শুরু করেন তাঁরা৷ কিন্তু কেউ দরজা খোলেননি৷ বাধ্য হয়েই দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে প্রভাতবাবু ও ঝরনাদেবীকে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন এলাকার মানুষ৷ দু’জনেই প্রায় অচৈতন্য৷ রক্তে ভেসে যাচ্ছে চারিদিক৷ সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় পুলিশে৷ সরশুনা থানার পুলিশ আসে ঘটনাস্থলে৷ শ্বশুর ও বউমাকে বিদ্যাসাগর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়৷ স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাড়িতে বাবা, ছেলে ও বউমা থাকতেন৷ ওইদিন ঘটনার সময় ছেলে ঘরে ছিলেন না৷ সরশুনা থানায় খুনের চেষ্টার অভিযোগ দায়ের হয়েছে৷ পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে৷
তবে এটি নিছক ডাকাতির চেষ্টায় দুষ্কৃতী হামলা? নাকি পুরনো কোনও শত্রুতা থেকে পরিকল্পিতভাবে খুনের চেষ্টা? কেন শ্বশুর-বউমাকে খুনের চেষ্টা করা হল তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ৷ পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, ছেলে ঘরে না থাকার সুবাদে ‘সফট টার্গেট’ বৃদ্ধ যে শুধু তাঁর বউমার সঙ্গে রয়েছেন, তা জানতে পেরে ডাকাতির উদ্দেশ্যে সম্ভবত হানা দিয়েছিল দুষ্কৃতীরা৷ বাধা দিতে গেলে দু’জনকেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপায় তারা৷ তবে এর পিছনে দুষ্কৃতী হামলার বদলে ঠান্ডা মাথায় খুনের পরিকল্পনার আশঙ্কাও উড়িয়ে দিচ্ছে না পুলিশ৷ সেক্ষেত্রে সন্দেহের তালিকায় রয়েছে প্রভাতবাবুর ছেলে স্বপন সরকারের নামও৷ ঘর থেকে কোনওকিছু খোয়া গিয়েছে কি না তাও দেখা হচ্ছে৷ প্রভাতবাবু ও ঝরনাদেবী সুস্থ হলেই তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করবে পুলিশ৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement