Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Resturants

নিরপেক্ষ সংস্থাকে দিয়ে ফায়ার অডিট, রুফটপ রেস্তরাঁয় আগুন নিয়ে সিদ্ধান্ত টাস্ক ফোর্সের

টাস্ক ফোর্সের সিদ্ধান্তে মুখ্যমন্ত্রী অনুমোদন দিলে ক্যাবিনেটে তা পাশ হবে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৯, ২০২৫, ১২:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৯, ২০২৫, ১২:৪৫

options
link
নিরপেক্ষ সংস্থাকে দিয়ে ফায়ার অডিট, রুফটপ রেস্তরাঁয় আগুন নিয়ে সিদ্ধান্ত টাস্ক ফোর্সের zoom
ফাইল ছবি।

স্টাফ রিপোর্টার: শুধুমাত্র কলকাতা নয়। রাজ্যের কোনও পুরসভা বা পঞ্চায়েত এলাকায় রুফটপ রেস্তরাঁ করা যাবে না। ছাদ খোলা রাখতে হবে। খোলা রাখতে হবে সিঁড়ি। অগ্নিনির্বাপণ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর গঠিত স্টেট লেভেল টাস্ক ফোর্স বৈঠকের প্রথম বৈঠকে প্রাথমিকভাবে এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে। ৩০ দিনের মধ্যে এনিয়ে চূড়ান্ত আলোচনা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুমোদনের পর তা পলিসি আকারে মন্ত্রিসভায় জমা দেওয়া হবে। পাশাপাশি ‘থার্ড পার্টি’ অর্থাৎ নিরপেক্ষ সংস্থাকে দিয়ে সারা রাজ্যে ফায়ার অডিটের কাজও শুরু হবে।

অগ্নিনির্বাপণ বিধি তৈরির জন্য মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ ‘ফায়ার সেফটি অ্যান্ড রেগুলেটরি কমপ্লায়েন্স’ বিজ্ঞপ্তি জারি করে দু’টি কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন। কলকাতার মেয়র তথা পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ছাড়াও ১৫ সদস্যের কমিটিতে রয়েছেন বিদ্যুৎ ও আবাসনমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু, পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার এবং বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের মন্ত্রী জাভেদ খান-সহ এই বিভাগগুলির প্রধান সচিব, এডিজি (আইনশৃঙ্খলা), পুর কমিশনার এবং কলকাতার পুলিশ কমিশনার প্রমুখ। এদিন দীর্ঘ বৈঠকের পর ফিরহাদ হাকিম বলেন, “স্টেট লেভেল কমিটির সিদ্ধান্ত ৩০ দিনের মধ্যে এ নিয়ে চূড়ান্ত মিটিং করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুমোদনের পর সেটা পলিসি আকারে ক্যাবিনেটে জমা দেওয়া হবে এবং জেলাভিত্তিক কমিটির রিপোর্ট মিলিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তৈরি হবে। জমা দেওয়া হবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। মুখ্যমন্ত্রীর অনুমোদন পেলেই ক্যাবিনেট বৈঠকে পেশ করা হবে।”

Advertisement

বড়বাজারের মেছুয়ায় হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে ১৪ জনের মৃত্যুর পরই মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, সব বহুতল বাণিজ্যিক আবাসনের ছাদ খোলা রাখতে হবে। এদিন পুর-নগরোন্নয়ন মন্ত্রী বলেন, “কলকাতার মতো জেলা শহর ও পঞ্চায়েত এলাকায় দ্রুত নগরায়ণ হচ্ছে। তৈরি হচ্ছে আধুনিক হাসপাতাল, শপিং মল, হোটেল, রেস্তরাঁ। তাই এমন নিয়ম করা হবে যা গোটা রাজ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়।” প্রস্তাবিত নতুন অগ্নিনির্বাপণ বিধির কিছুটা ইঙ্গিতও এদিন দিয়েছেন কলকাতার মেয়র। তাঁর কথায়, “ছাদ যেমন বিক্রি করা যাবে না, তেমনই প্রতিটি বাণিজ্যিক বহুতল অথবা হাসপাতালের অগ্নিসুরক্ষা বিধি যাচাই করতে থার্ড পার্টি অডিট বাধ্যতামূলক করা হবে। আবাসনের নির্মাণ স্থায়িত্ব যাচাইয়ের পর প্ল্যান অনুমোদন করা হবে।”

মেয়রের কথায়, সব দপ্তরের মতামত এবং জেলাশাসকদের তথ্য মিলিয়ে রিপোর্ট তৈরি হবে। রিপোর্টে পুলিশ, আবগারি, আবাসন ও বিল্ডিং বিভাগের মতামত নেওয়া হবে। বৈঠকে সব জেলা থেকে তথ্য তলব করা হয়। ১৫ দিন পর ফের বৈঠক হবে। পুরসভা সূত্রে খবর, প্রতিটি বাণিজ্যিক অথবা বহুতল আবাসনে অগ্নিনির্বাপণের জন্য প্রশিক্ষিত কর্মী নিয়োগের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.