কৃষ্ণকুমার দাস: কলকাতায় করোনা আক্রান্ত হয়ে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা রোগীর ব্যবহৃত সামগ্রী ফেলতে হবে পুরসভার নিজস্ব হলুদ ডাস্টবিনে। যদি কেউ বাড়ি থেকে দূরে ওই ডাস্টবিন এমন অজুহাতে রোগীর ব্যবহার্য সামগ্রী ও বায়ো মেডিক্যাল বর্জ্য না ফেলতে যান তবে তা দিতে হবে বেসরকারি সংস্থার গাড়িতে। এবং সেই গাড়ির খরচও বহন করতে হবে রোগীর পরিবারকেই। শুক্রবার পুরসভার এমনই নয়া সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন মুখ্য প্রশাসক ও পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম।
কলকাতার রাস্তায় পড়ে থাকা মাস্ক, হেড-ক্যাপ ও গ্লাভসের মতো নানা সামগ্রী এবার শহরের দু’হাজার হলুদ ডাস্টবিনে ফেলতে হবে। আগামী সপ্তাহ থেকে শহরের বিভিন্ন জনবহুল স্থানে হলুদ বিশেষ ডিজাইনের ডাস্টবিন চালু হয়ে যাবে বলে আশ্বাস পুরমন্ত্রীর। বিষয়টি নিয়ে এদিন বায়ো মেডিক্যাল বর্জ্য সংগ্রহকারী সংস্থার সঙ্গে পুরসভার চুক্তি হয়। বর্জ্য নিয়ে যাওয়ার জন্য ডাস্টবিন পিছু দৈনিক ৫০০ টাকা এবং কোয়ারেন্টাইন সেন্টার পিছু ১৪০০ টাকা পুরসভা বহন করবে।
[আরও পড়ুন: মাত্রাতিরিক্ত বিল দিলেই বেসরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, কোভিড চিকিৎসায় কড়া প্রশাসন]
হলুদ ডাস্টবিন থেকে পুরসভার নিজস্ব সাফাইকর্মীরা বর্জ্য তুলবেন না। কিন্তু ব্যক্তিগত বাড়ি থেকে করোনা রোগীর ব্যবহার্য পুরকর্মীরাও সংগ্রহ করবেন না। মুখ্যপ্রশাসক জানান, শহরবাসীকে অনুরোধ করছি, সবাই মাস্ক-গ্লাভস হলুদ পাত্রে ফেলুন। যাঁরা হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন তাঁরা প্যাকেট করে তাঁদের ব্যবহার্য সামগ্রী ওই পাত্রে ফেলে আসুন। না হলে বেসরকারি সংস্থাকে নিজেদের খরচে বাড়ির বর্জ্য অপসারণের ব্যবস্থা করতে হবে।
[আরও পড়ুন: করোনা সংকটে রেশন বন্টনে কারচুপির অভিযোগ, কলকাতা হাই কোর্টে পালটা রিপোর্ট পেশ রাজ্যের]
সর্বশেষ খবর
-
মমতার দুর্দিনে বেসুরে গাইছেন বাবুলও! রাজনীতিতে সবই ন্যায্য দেখছেন সুপ্রিয়?
-
রুপোর গ্লাসে জল খান কঙ্গনা রানাউত! উপকারিতা জানলে আপনিও খাবেন
-
মাছের আড়ালে গরুর মাংস পাচার! উত্তরপ্রদেশে বাজেয়াপ্ত ১.৬৮ কোটির অবৈধ ব্যবসা
-
টানা বৃষ্টিতেও পুরোদমে চলছে এসি? জেনে নিন কোন ভুলে হতে পারে চরম ক্ষতি
-
‘আমার কাছে এলে রেজিনগর থেকে বিধানসভায় পাঠাতে পারি’, মমতাকে ‘অফার’ হুমায়ুনের