কৃষ্ণকুমার দাস: পুর প্রশাসক পদে কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে রাখা চলবে না। শনিবারই রাতেই এই নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ECI)। পদ থেকে সরানোর আগেই কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক পদ থেকে ইস্তফা দিলেন ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim)। মুখ্যমন্ত্রীর সবুজ সংকেত নিয়ে শনিবার গভীর রাতে পুরসচিব খলিল আহমেদের কাছে ইস্তফাপত্র তিনি পাঠিয়ে দিয়েছেন।
আজ, রবিবার সকালেই অতীন ঘোষ, দেবাশিস কুমাররাও পদত্যাগ করেছেন। ছুটির দিন হওয়া সত্ত্বেও একইভাবে অন্যান্য পুরসভার প্রশাসকরাও ইস্তফা দেবেন বলে খবর। বিজেপির অভিযোগের জেরে শনিবার রাতে নির্বাচন কমিশন নির্দেশ দিয়েছে, ২ মে পর্যন্ত কোনও পুরসভায় রাজনৈতিক ব্যক্তিরা প্রশাসক থাকতে পারবেন না। সোমবার সকাল ১১টার মধ্যে তাঁদের সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তার আগেই নিজেদের পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন পুর প্রশাসকরা।
[আরও পড়ুন: তৃণমূলের দাবি মানল কমিশন! বুথে লাইন সামলাবে রাজ্য পুলিশই]
কিন্তু ভোটের বাজারে এই অস্থায়ী ব্যবস্থা চলবে না বলে জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। দিন কয়েক আগে নির্বাচন কমিশনে গিয়ে বিজেপি অভিযোগ জানিয়ে এসেছিল, নির্বাচনী আচরণবিধি চালু হওয়ার পরও পুরসভার প্রশাসকরা বিভিন্নভাবে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছেন। পুরসভাগুলিকে ব্যবহার করা হচ্ছে ভোটের কাজে। বিরোধী শিবিরের এই অভিযোগের পরই নড়েচড়ে বসে কমিশন। জানিয়ে দেওয়া হয়, সব রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সরিয়ে সোমবারের মধ্যে এই পদগুলিতে বসাতে হবে অরাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের। তবে কমিশনের নির্দেশের পরেই পুর প্রশাসক নিজেরাই পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন বলে খবর।
[আরও পড়ুন: সোমবারের মধ্যে পুরপ্রশাসকের পদ থেকে সরাতে হবে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের, নির্দেশ কমিশনের]
সর্বশেষ খবর
-
গৃহহীন এখনও ২৩ লক্ষ, রাজ্যে সময়মতো ‘আবাস প্লাস’ সমীক্ষা শেষ করতে চালু সেলফ সার্ভে
-
মুখ্যমন্ত্রীর কপ্টারে যান্ত্রিক ত্রুটি! কেশপুরে যাওয়ার পথে কোলাঘাটে জরুরি অবতরণ
-
ট্রাইব্যুনালে কত নিষ্পত্তি? এসআইআর মামলায় কমিশনের কাছে তথ্য তলব সুপ্রিম কোর্টের
-
বন্ধু হেমন্ত, নাকি আন্দোলনরত পড়ুয়া! সমর্থনের ধর্ম সংকটে মধ্যবর্তী রাস্তা নিলেন কেজরিওয়াল
-
পাক অধিকৃত কাশ্মীরে বর্বরতা তুঙ্গে, চাপে পড়ে শাহবাজ বলছেন ‘আলোচনায় বসা যাক’