১০ অগ্রহায়ণ  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ২৬ নভেম্বর ২০২০ 

Advertisement

ফের রাজনীতিতে সক্রিয় হচ্ছেন শোভন-বৈশাখী! অমিত শাহর সঙ্গে বৈঠকের পর জল্পনা

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: November 6, 2020 9:53 am|    Updated: November 6, 2020 9:58 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বাংলায় আসতেই বরফ গলার ইঙ্গিত। দূরত্ব ভুলে সরাসরি অমিত শাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায় (Sovan Chatterjee) এবং অধ্যাপিকা বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় (Baishakhi Banerjee)। বৃহস্পতিবার রাতে নিউটাউনের এক হোটেলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে যান শোভন-বৈশাখী। দুই যুযুধান রাজনৈতিক শিবিরের বৈঠকের পর শোভনের এবং নিজের সক্রিয় রাজনীতিতে ফেরার ব্যাপারে ইঙ্গিতও দিয়েছেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। এক ফেসবুক পোস্টে তিনি দাবি করেছেন, ‘বঙ্গ রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে।’

Former Kolkata mayor Sovan Chatterjee and Baishakhi Banerjee meets Amit Shah

বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর এখনও পর্যন্ত সক্রিয়ভাবে দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে দেখা যায়নি শোভন-বৈশাখীকে। বিজেপির বহু কর্মসুচিতেই আমন্ত্রণ থাকা সত্বেও কখনও ‘অসুস্থতা’র কারণে, কখনও ‘ব্যক্তিগত’ কারণে উপস্থিত হননি শোভনবাবু এবং বৈশাখীদেবী।  সম্প্রতি সল্টলেকের ইজেডসিসিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভারচুয়াল পুজো উদ্বোধনের অনুষ্ঠানেও আমন্ত্রিত ছিলেন তাঁরা। কিন্তু সেই অনুষ্ঠানেও তাঁরা যাননি। উলটে তাঁদের তৃণমূলে ফেরার জল্পনা বেড়ে যায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুজোয় উপহার পাঠানোর পর। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে উপহার প্রাপ্তির কথা আবার সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টও করেন বৈশাখীদেবী। তবে বিজেপি নেতারা বরাবরই শোভনবাবুকে রাজনীতিতে সক্রিয় করার চেষ্টা করছিলেন। সরাসরি কৈলাস বিজয়বর্গীয়রা শোভনবাবু এবং বৈশাখীদেবীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন।

[আরও পড়ুন: বিধানসভায় ২০০টি আসনে জিততে হবে, বাঁকুড়ার সভা থেকে লক্ষ্য বেঁধে দিলেন অমিত শাহ]

বৃহস্পতিবার রাতে খানিকটা আচমকাই শোভনবাবু এবং বৈশাখীদেবী অমিত শাহর সঙ্গে দেখা করতে নিউটাউনের হোটেলে যান। রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বেশ কিছুক্ষণ আলোচনা হয় তাঁদের মধ্যে। এই বৈঠকের পরই শোভনবাবু এবং বৈশাখীদেবীর বঙ্গ রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়া নিয়ে জল্পনা ছড়িয়েছে। বস্তুত ফেসবুক পোস্টে বৈশাখীদেবী নিজেই সেই জল্পনা উসকে দিয়েছেন। তিনি বলছেন,”একটা স্মরণীয় বৈঠক। এই বৈঠক আমাকে সমৃদ্ধ করেছে। এটা বি এল সন্তোষজি, শিবপ্রকাশজি, অরবিন্দ মেননজি, কৈলাস বিজয়বর্গীজি না থাকলে সম্ভব হত না। আমি নিশ্চিত আজকের বৈঠক বঙ্গ রাজনীতিতে একটা নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।” বৈশাখীদেবীর এই ‘নতুন অধ্যায়ের সূচনা’র ইঙ্গিত বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement