৫ মাঘ  ১৪২৬  রবিবার ১৯ জানুয়ারি ২০২০ 

Menu Logo ফিরে দেখা ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: রাজ্যের পরিস্থিতি এরকম চলতে থাকলে রাষ্ট্রপতি শাসন ছাড়া অন্য পথ খোলা থাকবে না। রাজ্যে অশান্তির ঘটনা নিয়ে বললেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাহুল সিনহা। নাগরিকত্ব আইন নিয়ে রাজ্যের জেলায় জেলায় বিক্ষোভের আগুন জ্বলছে। সেই প্রসঙ্গে বিজেপি নেতার মন্তব্য, ‘যে অশান্তির ঘটনা ঘটছে তাতে বিজেপির বসে বসে প্রচার হবে। অনুকূলে হাওয়া আসবে। কিন্তু এভাবে আমরা রাজনৈতিক ফায়দা চাই না।’ তিনি আরও বলেন, ‘যে ঘটনা ঘটছে তার জন্য মুখ্যমন্ত্রী কড়া বিবৃতি দিন। মুখ্যমন্ত্রী এই আন্দোলন বন্ধ করার জন্য দেখামাত্র গুলির আদেশ দিন।’

নাগরিকত্ব আইনের পক্ষে ২৩ ডিসেম্বর উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে দুটি মিছিল করবে বলে জানিয়েছেন রাহুল সিনহা। রাজ্যে অশান্তির ঘটনার জন্য মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল নেতাদের দায়ী করেছেন তিনি। প্রসঙ্গত, নাগরিকত্ব সংশোধিত আইন বা CAA-এর বিরোধিতায় ফুঁসছে প্রায় গোটা দেশ। বাদ যায়নি বাংলাও। ভাঙচুর, অগ্নিকাণ্ডে উত্তপ্ত বিভিন্ন জেলা। এই পরিস্থিতিতে ঝাড়খণ্ডে নির্বাচনী প্রচারে যাওয়ার আগে রবিবার রাজ্যের দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে অন্ডালে দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সূত্রের খবর, রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনাও করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। বিজেপি নেতারা তাঁকে রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে নালিশ করতে পারেন বলে সূত্রের খবর।

উল্লেখ্য, সংসদের উভয় কক্ষে পাশ হওয়ায় নাগরিকত্ব সংশোধন বিল বা CAB-তে স্বাক্ষর করে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। তার ফলে বর্তমানে আইনে পরিণত হয়েছে CAB। আর তারপরই শুক্রবার থেকে আন্দোলনে আঁচে ফুঁসছে বাংলার একাধিক জেলা। ওইদিন হাওড়ার উলুবেড়িয়া, বাগনান এবং মুর্শিদাবাদেরবেলডাঙা স্টেশনে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। আগুনও লাগিয়ে দেওয়া হয় স্টেশনে। ভাঙচুর চালানো হয় বেশ কয়েকটি এক্সপ্রেসেও। শনিবার সকালে রাজ্যের পরিস্থিতির কোনও বদল হয়নি। হাওড়ার সাঁতরাগাছি, কোনা এক্সপ্রেসওয়ে-সহ বিভিন্ন এলাকায় চলে বিক্ষোভ। পাশাপাশি মুর্শিদাবাদের অবস্থাও যথেষ্ট ঘোরাল।

[আরও পড়ুন: ‘সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বরদাস্ত করা হবে না’, কড়া বার্তা মমতার]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং