৩ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  বুধবার ২০ নভেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

রিংকি দাস ভট্টাচার্য: ফের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়কে নিগ্রহের মাসখানেক পরই বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন তিনি। শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্ট বৈঠকে যোগ দেন রাজ্যপাল। সমস্ত বিষয় নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করা হবে বলেই বৈঠকে যোগ দিয়ে জানান ধনকড়।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য তিনি। পদাধিকার বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সংস্থা কোর্টের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন আচার্য। তবে সাধারণত আচার্য ওই বৈঠকে যোগ দেন না। কিন্তু নজিরবিহীনভাবে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্ট বৈঠকে যোগ দিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। শুক্রবার সকাল এগারোটা থেকে বৈঠক শুরুর কথা ছিল। সেই অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মিনিট পাঁচেক আগে ক্যাম্পাসের চার নম্বর গেট দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে প্রবেশ করেন রাজ্যপাল। মাসখানেক আগে বাবুল নিগ্রহের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ছিল চোখে পড়ার মতো। পুলিশে পুলিশে প্রায় ঘিরে ফেলা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অংশ। রাজ্যপালকে স্বাগত জানান উপাচার্য সুরঞ্জন দাস।

Jadavpur University

এরপরই কোর্ট বৈঠকে যোগ দেন আচার্য তথা রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। গত মাসে এবিভিপি-র নবীন বরণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় এসেছিলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। টানা প্রায় ছ’ঘণ্টা ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা তাঁকে নিগ্রহ করে বলেই অভিযোগ। বাধ্য হয়ে সন্ধের দিকে বাবুলকে নিজেই উদ্ধার করে নিয়ে যান রাজ্যপাল ধনকড়। ওই ঘটনার প্রায় মাসখানেক পর আবারও বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন রাজ্যপাল। বৈঠক শুরুর আগেই তিনি বলেন, ‘অবাঞ্ছিত একটি ঘটনার জন্য কথা হয়নি। আজ সমস্ত বিষয় নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করা হবে।’ সূত্রের খবর, এদিনের বৈঠকে মূলত ২৪ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হতে চলা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন নিয়ে আলোচনা হবে। এছাড়াও কাদের ডি’লিট, ডিএসসি দেওয়া হবে, তাও ওই বৈঠকে নির্ধারিত হতে পারে। বৈঠক শেষে একাধিক ইস্যুতে রাজ্যপালের কাছে স্মারকলিপি জমা দেবেন পড়ুয়ারা।

Jagdip Dhankar

[আরও পড়ুন: সিরিয়ায় উলটপুরাণ, নিজের অস্ত্র ভাণ্ডারেই বিধ্বংসী বোমাবর্ষণ করল আমেরিকা]

রাজ্যের সঙ্গে রাজ্যপালের সম্পর্ক বিশেষ ভাল নয়। বারবারই প্রকাশ্যে এসেছে নানা সংঘাত। বাবুলকে নিগ্রহের দিনও রাজ্যপালের বিরুদ্ধে অতি সক্রিয়তার অভিযোগে সুর চড়িয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় স্বয়ং। নজিরবিহীনভাবে কোর্ট বৈঠকে যোগদানকেও অতিসক্রিয়তা বলেই দাবি ওয়াকিবহাল মহলের।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং