Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Calcutta HC

উপাচার্য পদে সোনালি চক্রবর্তীকে ফের নিয়োগ করা নিয়ে রাজ্যের সিদ্ধান্ত খারিজ হাই কোর্টে

রাজ্য এককভাবে এই সিদ্ধান্ত নিতে পারে না, রায়ে জানালেন বিচারপতিরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২২, ১২:৫৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২২, ১২:৫৪

options
link
উপাচার্য পদে সোনালি চক্রবর্তীকে ফের নিয়োগ করা নিয়ে রাজ্যের সিদ্ধান্ত খারিজ হাই কোর্টে zoom

রাহুল রায়: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের (University of  Calcutta) উপাচার্য পদে ফের সোনালি চক্রবর্তী বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়োগ করা নিয়ে রাজ্য সরকার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, তা খারিজ করে দিল কলকাতা হাই কোর্ট (Calcutta HC)। ওই সিদ্ধান্ত রাজ্য এককভাবে নিতে পারে না, এই যুক্তিতে সেই সিদ্ধান্ত বাতিল করে দিল উচ্চ আদালত। ফলে ২০২১ সালের ২৭ আগস্ট কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে তাঁর পুনর্নিয়োগ বাতিল হয়ে গেল।

উপাচার্য (VC) হিসেবে সোনালিদেবীর কাজের মেয়াদ শেষ হয় গত বছরে। ২৭ আগস্ট তাঁকে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে পুনর্নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য সরকার। সেইমতো তিনি কাজও শুরু করেন। তবে তাঁর এই নিয়োগ নিয়ে হাই কোর্টে মামলা দায়ের করা হয়। রাজ্য সরকার কীভাবে এই পদ্ধতিতে মেয়াদ শেষ হওয়া উপাচার্যকে পুনর্নিয়োগ করে, সেই প্রশ্ন তুলে মামলা করেন জনৈক আইনজীবী।

Advertisement

[আরও পড়ুন: নবান্নের বাইরে-অন্দরে ভিন্ন ছবি, গেটে বিজেপিকে রুখতে পুলিশের রণসজ্জা, ভিতরে দেশপ্রেমের গান]

মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে রায়দান হওয়ার কথা ছিল। বেলা প্রায় ১১ টা নাগাদ এই মামলার রায় দেন বিচারপতিরা। জানান, এই নিয়োগ পদ্ধতিতে গলদ রয়েছে। রাজ্য সরকার একার সিদ্ধান্তে কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যকে পুনর্নিয়োগ করতে পারে না। তাই গত বছরের ২৭ আগস্ট রাজ্যের বিজ্ঞপ্তিটি বাতিল করা হল। 

[আরও পড়ুন: ‘আমি চোরেদের সর্দার’, নীতীশের অস্বস্তি বাড়িয়ে বললেন বিহারের ‘চাল চোর’ কৃষিমন্ত্রী]

এই নির্দেশ জারির সঙ্গে সঙ্গেই কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদ থেকে সরতে হবে সোনালি চক্রবর্তী বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তবে রাজ্য সরকার এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে। রাজ্যের যুক্তি, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাজকর্ম ভালভাবে চালানোর জন্যই তাঁকে ওই পদে পুনর্নিয়োগ করা হয়েছিল। এটা কোনও পক্ষপাতিত্ব নয়। তাই উচ্চ আদালতের নির্দেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানানোর সম্ভাবনা থাকছেই।   

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.