Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
I-PAC Raid

আইপ্যাক অফিস থেকে বেরতেই সল্টলেকে ইডিকে ঘিরে বিক্ষোভ, উঠল ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

সল্টলেক সেক্টর ফাইভের আইপ্যাকের অফিসের বাইরে জমায়েত।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৮, ২০২৬, ২০:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৮, ২০২৬, ২০:২২

options
link
আইপ্যাক অফিস থেকে বেরতেই সল্টলেকে ইডিকে ঘিরে বিক্ষোভ, উঠল ‘জয় বাংলা’ স্লোগান zoom
সল্টলেকে ইডির গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ। নিজস্ব চিত্র

ফারুক আলম ও বিধান নস্কর: শীতের সন্ধ্যায় সল্টলেক সেক্টর ফাইভের আইপ্যাকের অফিসের বাইরে তীব্র উত্তেজনা। ইডির গাড়ি ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ তৃণমূলের। আধিকারিকদের লক্ষ্য করে দেওয়া হল ‘জয় বাংলা’ স্লোগান। ‘বিজেপির দালাল’, ‘চোর’ বলেও কটাক্ষ করা হয় আধিকারিকদের। যাতে সন্দেশখালির হামলা কাণ্ডের পুনরাবৃত্তি না হয়, তা নিয়ে সতর্ক ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী। কড়া নিরাপত্তা বলয়ে আধিকারিকদের গাড়িতে ওঠার বন্দোবস্ত করা হয়। পরে ধীরে ধীরে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। তবে এখনও সল্টলেকের ওই বহুতলের সামনে অগণিত মানুষের ভিড়।

বৃহস্পতিবার সকালে পুরনো কয়লা পাচার মামলায় আই প্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে হানা দেয় ইডির দিল্লির আধিকারিকরা। তল্লাশি চালানো হয় আইপ্যাকের অফিসেও। খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে প্রতীকের বাড়ি গিয়ে ফাইল নিয়ে বেরিয়ে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে তিনি আইপ্যাকের দপ্তরে গিয়েও বেশ কিছু নথি নিয়ে বেরন। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, ওইসব তাঁর দলের নথি, তাই তিনি নিয়ে যাচ্ছেন। আর এখানেই তাঁর বিরুদ্ধে তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলল ইডি। এনিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। 

Advertisement

 দিল্লির ইডি দপ্তর থেকে একটি বিবৃতিও জারি করা হয়েছে। তাতে জানানো হয়েছে, ২০২০ সালে দিল্লিতে দায়ের হওয়া কয়লা পাচার মামলার তদন্তে পশ্চিমবঙ্গের ৬টি জায়গায় বৃহস্পতিবার অভিযান চালানো হয়। এর সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক দলের কোনও সম্পর্ক নেই। কোনও রাজনৈতিক কার্যালয়েও অভিযান হয়নি। অথচ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, তৃণমূলের আইটি সেলের দপ্তর আইপ্যাকে ইডির তল্লাশির লক্ষ্য ছিল, দলের প্রার্থী তালিকা-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি হাতিয়ে নেওয়া। সেই অভিযোগ নস্যাৎ করে ইডির দাবি, তল্লাশির কাজ ঠিকমতো চলছিল, পুলিশও সাহায্য করেছে তাঁদের কাজে। 

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরও অভিযোগ ছিল, তাঁর দলের নির্বাচনী রণকৌশল চুরির চেষ্টা করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। কিন্তু ইডি বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই তল্লাশির সঙ্গে ভোট কিংবা রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে অ্যাকশন নয়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের এও অভিযোগ, আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং সল্টলেকের অফিসে মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে নিজের ক্ষমতা প্রয়োগ করে ঢুকে নথি নিয়েছেন, তা তদন্ত বাধা দেওয়ার শামিল। সেই অভিযোগেই হাই কোর্টের দ্বারস্থ ইডি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.