Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Baguiati murder

Baguiati Murder: বাগুইআটির জোড়া খুন: রিপোর্ট তলব ডিজির, তদন্তের দায়িত্বে থানা আধিকারিকের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের ইঙ্গিত

মঙ্গলবার উদ্ধার হয় বাগুইআটির ২ কিশোরের দেহ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৭, ২০২২, ১৬:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৭, ২০২২, ১৬:৫১

options
link
Baguiati Murder: বাগুইআটির জোড়া খুন: রিপোর্ট তলব ডিজির, তদন্তের দায়িত্বে থানা আধিকারিকের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের ইঙ্গিত zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাগুইআটির জোড়া খুনের (Baguiati Double Murder Case) তদন্তে গাফিলতির অভিযোগ উঠছিলই। এবার এই ঘটনায় রিপোর্ট তলব করল ডিজি মনোজ মালব্য (Manoj Malaviya)। শোনা যাচ্ছে, গাফিলতির অভিযোগ ওঠায় এই মামলার সমস্ত দায়িত্ব থেকে সরানো হচ্ছে বাগুইআটি (Baguiati) থানার ওসিকে। এদিকে বুধবার সকাল থেকে বাগুইআটি থানার সামনে বিক্ষোভে বিজেপির মহিলা মোর্চা ও সিপিএমের নেতা-কর্মীরা। এদিনই বাগুইআটি আসবেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

baguiati murder

Advertisement

বাগুইআটির দুই কিশোর খুনের ঘটনায় তোলপাড় বাংলা। মঙ্গলবার থেকেই দফায় দফায় চলছে বিক্ষোভ-অশান্তি। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। অতনুর দেহ ১৪ দিন বসিরহাটে মর্গে পড়ে থাকলেও কেন জানতেও পারল না পুলিশ, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন উত্তেজিত জনতা। বারবার পুলিশের বিরুদ্ধে তদন্তে গাফিলতির অভিযোগ করা হয়েছে। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই গোটা ঘটনার রিপোর্ট তলব করেছেন ডিজি মনোজ মালব্য। এর পাশাপাশি বাগুইআটি থানার ওসি কল্লোল ঘোষকে এই মামলার সমস্ত দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছে বলেই খবর। যদিও এ বিষয়ে এখনও পুলিশের তরফে কিছু জানানো হয়নি।

[আরও পড়ুন: আসানসোল সংশধোনাগারে অনুব্রতকে ফের জেরা সিবিআইয়ের, বুধবার সশরীরেই হাজিরা আদালতে]

২২ আগস্ট নিখোঁজ হওয়া দুই পড়ুয়াকে বাসন্তী হাইওয়েতে খুন করা হয়। দু’সপ্তাহ ধরে বসিরহাট থানার মর্গে পড়েছিল দেহ। অথচ জানতই না পুলিশ। এদিকে ১ কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি করে মেসেজ করা হচ্ছিল পরিবারের সদস্যদের। পরে মঙ্গলবার উদ্ধার হয় দেহ। সেই সময় জানা যায়, ১৪ দিন ধরে বসিরহাটের মর্গে দেহ পড়ে থাকলেও তা জানতে পারেনি পুলিশ। তা নিয়ে শোরগোল পড়ে যায়। মঙ্গলবার বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের গোয়েন্দাপ্রধান বিশ্বজিৎ ঘোষ জানান, পরিবার অভিযোগ করে থাকলে স্থানীয় থানার ভূমিকা খতিয়ে দেখা হবে। এই ঘটনার রিপোর্ট তলব করেছে রাজ্যের নারী ও শিশু কল্যাণ দপ্তর। তার কয়েকঘণ্টার মধ্যেই পদক্ষেপ করল পুলিশ। সরানো হল আইসিকে।

প্রসঙ্গত, দুই স্কুল পড়ুয়া অভিষেক নস্কর এবং অতনু দে খুনের ঘটনায় ফুঁসছে বাগুইআটির জগৎপুর এলাকার বাসিন্দারা। ইতিমধ্যে অভিযুক্ত সত্যেন্দ্র চৌধুরীর বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা। আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে মূল অভিযুক্তর শ্বশুরবাড়ির আসবাবপত্রে। 

[আরও পড়ুন: ফের দু’শোর গণ্ডি পেরল রাজ্যের দৈনিক করোনা সংক্রমণ, বাড়ল পজিটিভিটি রেটও]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.