Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইছাপুর অস্ত্র পাচার কাণ্ডে বিহার থেকে গ্রেপ্তার রাজেশ কুমার

এর হাত ধরেই অস্ত্র পৌঁছাত মাওবাদীদের হাতে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৩, ২০১৮, ২০:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৩, ২০১৮, ২০:৩৬

options
link
ইছাপুর অস্ত্র পাচার কাণ্ডে বিহার থেকে গ্রেপ্তার রাজেশ কুমার zoom
Advertisement

অর্ণব আইচ: ইছাপুর অস্ত্র পাচার কাণ্ডের তদন্তে নেমে আরও একধাপ এগিয়ে গেল এসটিএফ। রবিবার বিহার থেকে গ্রেপ্তার করা হল রাজেশ কুমার ওরফে মুন্নাকে। ট্রানজিট রিমান্ডে তাকে কলকাতায় নিয়ে আসা হচ্ছে। সোমবার তাকে তোলা হবে ব্যাংকশাল আদালতে।

[  পরিবর্তনের সাত বছর পূর্তি, বাংলার মানুষকে অভিনন্দন মমতার ]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ইছাপুর অস্ত্র পাচারে বিহারের যোগ আগেই স্পষ্ট হয়েছিল। এখান থেকেই অস্ত্রের অংশ পাচার হয়ে যেত বিহারে। তারপর তা তুলে দেওয়া হত মাওবাদীদের হাতে। তদন্তে নেমে গোয়্ন্দারা মাওবাদীদের সঙ্গে এই লিংকম্যানেরই খোঁজ করছিল। জানা যাচ্ছে, এখান থেকে অস্ত্রাংশ পাচার হয়ে যেত বিহারে। সেখানে তা জমা হত এই রাজেশ কুমার বা মুন্নার কাছেই। মুন্নাই আধুনিক সমস্ত অস্ত্রশস্ত্র তুলে দিত মাওবাদীদের হাতে। সে নিজে অস্ত্র চালনায় দক্ষ। ফলে দরকার পড়লে অত্যাধুনিক অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণও দিতে পারত। ইছাপুর কাণ্ডে ধৃতদের জেরা করেই এই চক্রের খোঁজ পান গোয়েন্দারা। তারপরই বিহার থেকে গ্রেপ্তার করা হল কুখ্যাত এই অস্ত্রপাচারকারীকে।

[  রমজানের আগে পার্ক সার্কাস ময়দানের গাছ কাটছে পুলিশ, ক্ষুব্ধ সুব্রত ]

রাতের অন্ধকারে চুরি করে চোর গা ঢাকা দিত। ইছাপুরের এই আপাত চুরির পিছনেই লুকিয়ে ছিল বিরাট অস্ত্র পাচার কাণ্ড। কারণ যেখান থেকে চুরি হত তা আসলে অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি। খবর পেয়েই ছয় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে এসটিএফ। তাদের জেরা করে একাধিক তথ্য মেলে। ধৃতদের ঘটনাস্থলে নিয়ে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণও করা হয়। তদন্তের সূত্রেই গোয়েন্দারা জানতে পারেন, এই অস্ত্র পাচার হত বিহারে। এরপরই চক্রের সঙ্গে জড়িতদের ধরতে পড়শি রাজ্যে পাড়ি দেয় এসটিএফের স্পেশাল টিম। এখান থেকে যে অস্ত্র পাচার হয়ে মাওবাদীদের কাছে পৌঁছাত, তার মধ্যে নিশ্চিতই থেকে গিয়েছিল কেউ, অনুমান করেছিলেন গোয়েন্দরা। জেরাতেও মিলেছিল তেমনই তথ্য। সেইমতো তদন্তে এগিয়েই রাজেশ কুমারকে জালে তুলল এসটিএফ।

 ‘হস্তমৈথুনের ভিডিও যাঁরা শেয়ার করছেন, তাঁরা বীভৎসতার মজাই কি ছড়িয়ে দিচ্ছেন না?’ ]

 

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.