Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Haldia

বাংলাদেশকে ‘চোখে চোখে’ রাখতে হলদিয়ায় নয়া ‘রণসজ্জা’, বড় পদক্ষেপ নৌবাহিনীর

কেন হলদিয়াতেই নৌঘাঁটি তৈরির প্রয়োজন পড়ল?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০২৬, ১৯:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০২৬, ১৯:১২

options
link
বাংলাদেশকে ‘চোখে চোখে’ রাখতে হলদিয়ায় নয়া ‘রণসজ্জা’, বড় পদক্ষেপ নৌবাহিনীর zoom
Advertisement

অর্ণব আইচ: চিন-পাকিস্তানকে নজরে রেখেই বরাবর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সাজিয়েছে ভারত। তবে এবার নজরে রাখতে হচ্ছে বাংলাদেশকেও। ইউনূস জমানায় প্রতিবেশী বাংলাদেশকে চোখ বন্ধ করে ভরসা করতে পারছে না নয়াদিল্লি। বিশেষ করে চিন-পাকিস্তানের সঙ্গে ‘নতুন’ বাংলাদেশের সমীকরণ ভাবাচ্ছে প্রতিরক্ষামন্ত্রককে। এই আবহে পশ্চিমবঙ্গের বুকে বিশেষ উদ্যোগ ভারতীয় নৌবাহিনীর। হলদিয়ায় তৈরি হচ্ছে নতুন ঘাঁটি। বাংলাদেশের সঙ্গে নদীপথে সংযোগ রয়েছে ভারতের। জলসীমায় কোনও আশঙ্কাই উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না আর!

এই পরিস্থিতিতে হলদিয়ার বুকে নৌবাহিনীর নয়া ঘাঁটি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ ছিল। সম্প্রতি হলদিয়ার কাছে এই ঘাঁটি তৈরিতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বাধীন অ্যাকুইজিশন কাউন্সিলের ছাড়পত্র পাওয়া গিয়েছে। এরপরই ঘাঁটি তৈরি নিয়ে শুরু হয়েছে ভারতীয় নৌবাহিনীর তৎপরতা। জানা গিয়েছে, নয়া এই ঘাঁটিতে ফার্স্ট ইন্টারসেপ্টর ক্রাফট এবং নিউ ওয়াটার জেট ফার্স্ট অ্যাটাক ক্রাফটের মতো ছোট যুদ্ধজাহাজ রাখা থাকবে। তবে এখনও পর্যন্ত জেটি নির্মাণের কাজ হয়নি। খুব শীঘ্রই এই সংক্রান্ত কাজ করা হবে। এমনকী নয়া ঘাঁটির নামও ঠিক হয়নি।

Advertisement

কিন্তু বাংলাদেশে ‘চোখে চোখে’ রাখতে কেন হলদিয়াতেই নৌঘাঁটি তৈরির প্রয়োজন পড়ল? ভারত মহাসাগরে চিনা নৌবাহিনীর গতিবিধি বেড়েছে। নৌবাহিনীর একটি সূত্রের দাবি, কলকাতা থেকে প্রায় ১০০ কিমি দূরে এবং বঙ্গোপসাগরে তিরে হলদিয়ার অবস্থান। এর ফলে বঙ্গোপসাগরে পৌঁছনোর ক্ষেত্রে হুগলির নদীর উপর দীর্ঘ যাত্রা এড়ানো সম্ভব হবে বলে মনে করছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রকের কর্তারা। জানা গিয়েছে, এই ঘাঁটিতে প্রায় শতাধিক অফিসার এবং জওয়ান থাকবেন। শুধু তাই নয়, যে সমস্ত ছোট যুদ্ধজাহাজগুলি থাকবে সেগুলি ১০০ টন ওজনের, ৪৫ নটিক্যাল গতির। মেশিনগান-সহ একাধিক অস্ত্র সজ্জিত। যে কোনও প্রয়োজনে এই ঘাঁটি থেকে দ্রুত অপারেশন করা সম্ভব হবে বলেও মনে করছেন আধিকারিকরা।

নৌবাহিনীর দাবি, গত বছর নভেম্বর মাসে চিনের তৈরি একটি যুদ্ধজাহাজ বাংলাদেশের বন্দরে নোঙর করে। শুধু তাই নয়, চিনের তৈরি দুটি সাবমেরিনও রয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর হাতে। সম্প্রতি ইসলামাবাদ সফরে গিয়েছিলেন বাংলাদেশের বায়ুসেনা প্রধান হাসান মাহমুদ খান। পাক সেনার মিডিয়া শাখার রিপোর্ট অনুযায়ী, পাকিস্তানের থেকে যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা চালিয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয়, যুদ্ধবিমান ‘জেএফ-১৭ থান্ডার’ কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের বায়ুসেনা প্রধান। যা নিয়ে ইতিমধ্যে মুখ খুলেছে ভারত। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, ”গোটা পরিস্থিতির দিকে আমরা কাছ থেকে নজর রাখছি। এর সঙ্গে আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার সম্পর্ক রয়েছে।” ফলত এই পরিস্থিতি হলদিয়ায় নৌবাহিনীর নয়া ঘাঁটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.