১০ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২৬  শনিবার ২৫ মে ২০১৯ 

Menu Logo নির্বাচন ‘১৯ দেশের রায় LIVE রাজ্যের ফলাফল LIVE বিধানসভা নির্বাচনের রায় মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

স্টাফ রিপোর্টার: ভোটের মুখে দেশ জুড়ে কালো টাকার জোগান আটকাতে বিশেষ উদ্যোগ নিল আয়কর দপ্তর। ভোটের কাজে যাতে কোনওভাবেই হিসাব বহির্ভূত টাকার ব্যবহার না হয়, তার জন্য আলাদা হেল্প লাইন খোলা হয়েছে। জানিয়ে দেওয়া হল, এই কাজে সাধারণ মানুষের সহযোগিতা যেমন প্রয়োজন, তেমনই তাদের প্রয়োজনেও পাশে দাঁড়াবে আয়কর বিভাগ।

শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে আক্রমণ হানতে ওজন কমাচ্ছে নৌবাহিনীর বিমান,কপ্টার

শুক্রবার কলকাতায় আয়কর ভবনে এই অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল ডিরেক্টর আশিস ভার্মা বলেন, সারা রাজ্যে ইতিমধ্যেই নির্বাচনের বিশেষ দায়িত্ব দিয়ে একশোর বেশি অফিসারকে নিয়ে দল গঠন করা হয়েছে। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা কেন্দ্রের উপরে বিশেষ নজর রাখবে এই টিম। এই দলের সদস্যরাই যে শুধু নজরদারি চালাবেন তা নয়, এ ছাড়াও বিভিন্ন প্রান্তে তথ্য জোগাড়ে অনেক ইনফর্মারও নিয়োগ করা হয়েছে বলে জানান ভার্মা। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের কাছেও আয়কর দফতরের আবেদন, তাঁরা যদি কোথাও কালো টাকার লেনদেন হচ্ছে বলে জানতে পারেন তবে তাঁরাও যেন সেই তথ্য দিয়ে সাহায্য করেন। এর জন্য তৈরি করা হচ্ছে কন্ট্রোল রুম। যেখান থেকে ভোটে কালো টাকার ব্যবহার রুখতে ২৪ ঘণ্টা নিযুক্ত থাকবেন আধিকারিকরা। তিনটি ফোন নম্বর চালু করা হয়েছে বলে জানান তিনি। বিশেষ টোল ফ্রি নম্বর ১৮০০৩৪৫৫৫৪৪ ছাড়াও, ৬২৮৯৭০২৯২২ এবং ৬২৮৯৭০৪১৪৬ মোবাইল নম্বরেও ফোন করে তথ্য জানাতে পারবেন যে কোনও মানুষ। যাঁরা তথ্য দেবেন তাঁদের নাম গোপন রাখার আশ্বাসও দিয়েছে আয়কর দফতর।

ইতিমধ্যেই রাজ্যের বেশ কিছু জায়গা থেকে নগদ কালো টাকা উদ্ধার হয়েছে। প্রায় তিন কোটি টাকা উদ্ধার করা হয়েছে খাস কলকাতা থেকেই, জানিয়েছেন ভার্মা। এ ছাড়া নির্বাচনের সময় যে কোনও ব্যাঙ্কের যে কোনও অ্যাকাউন্ট থেকে দশ লক্ষ বা তার বেশি অঙ্কের টাকা জমা বা তোলা হলে সেই বিষয়গুলির উপরেও নজর রাখবে আয়কর বিভাগ। সমস্ত রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি ব্যাঙ্কের কর্তাদের সঙ্গে ইতিমধ্যে কথা বলেছে নির্বাচন কমিশন ও আয়কর বিভাগ। ব্যাংকের তরফেও নগদ লেনদেনের তথ্য পৌঁছে দেওয়া হবে আয়কর বিভাগের কাছে এবং প্রয়োজনে হিসাব না থাকা নগদ টাকা আয়কর বিভাগ বাজেয়াপ্তও করতে পারে। কলকাতায় প্রধানত বড়বাজারের মতো ব্যবসায়িক ঘাঁটি যেখানে মূলত নগদে কারবার চলে, সেই জায়গাগুলোর উপর নজর রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ভার্মা। এই কাজে সমস্ত সাধারণ মানুষের সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছে আয়কর দফতর।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং