Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Its Bengal govt Vs Guv over human rights commissioner appointment

রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান নিয়োগ নিয়ে দ্বন্দ্ব, টুইটে তোপ ক্ষুব্ধ রাজ্যপালের

ফের রাজ্যের সঙ্গে সংঘাতে জড়ালেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩, ২০২২, ১৩:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩, ২০২২, ১৩:০৫

options
link
রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান নিয়োগ নিয়ে দ্বন্দ্ব, টুইটে তোপ ক্ষুব্ধ রাজ্যপালের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের রাজ্যের সঙ্গে সংঘাতে জড়ালেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় (WB Guv Jagdeep Dhankhar)। এবার রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান নিয়োগ নিয়ে দ্বন্দ্বে জড়ালেন তিনি। সোমবার সকালে একের পর এক টুইটে ক্ষোভ উগরে দিলেন বাংলার সাংবিধানিক প্রধান।

গত মাসেই মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি জ্যোতির্ময় ভট্টাচার্যর নাম প্রস্তাব করে সরকার। কমিশনের সদস্য হন শিবকান্ত প্রসাদ। তাঁদের নামও পাঠানো হয় রাজভবনে। নিয়োগের চূড়ান্ত সম্মতি দেবেন রাজ্যপাল। তারপরই আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁরা দায়িত্ব নেবেন বলে জানা গিয়েছে। যদিও বিধানসভার (Assembly) অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কমিটি যে নাম চূড়ান্ত করে পাঠাবে, তাতে রাজ্যপালের সম্মতি জানানোই নিয়ম। সেটাই বলা আছে সংবিধানে। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: Coronavirus Update: দেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত সাড়ে ৩৩ হাজারের বেশি, শুরু ১৫ ঊর্ধ্বদের টিকাকরণ]

উল্লেখ্য, ওই কমিটিতে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং পরিষদীয় মন্ত্রী। তবে সেদিনের বৈঠকে বিরোধী দলনেতা উপস্থিত ছিলেন না। যদিও বিধানসভা সূত্রে খবর, গত ২২ ডিসেম্বর মুখ্যসচিবকে চিঠি দিয়ে শুভেন্দু অধিকারী নাম জানতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সরকার না জানানোয় তিনি আসেননি। এই পরিস্থিতিতে কীভাবে প্রার্থীর নাম সুপারিশ করা হল, তা নিয়ে টুইটে প্রশ্ন তোলেন জগদীপ ধনকড়। এই সংক্রান্ত তথ্যও চেয়ে পাঠান তিনি।

দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে রাজ্যের সঙ্গে একাধিকবার সংঘাতে জড়িয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। কখনও শিক্ষাক্ষেত্রে আবার কখনও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে অব্যবস্থার অভিযোগ তুলে সোচ্চার হয়েছেন তিনি। আর তাকে কেন্দ্র করে চিঠি এবং টুইট যুদ্ধ লেগেই থাকত। নয়া সংঘাতের ফলে দু’পক্ষের সম্পর্কের যে আরও অবনতি হল, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

[আরও পড়ুন: COVID-19: সোমবার থেকে রাজ্যে বন্ধ সমস্ত স্কুল-কলেজ, লোকাল ট্রেন নিয়ে বড় ঘোষণা নবান্নের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.