Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

৩১ ঘণ্টা ঘেরাও থাকার পর অবশেষে মুক্ত উপাচার্য, যাদবপুরে জারি আন্দোলন

আন্দোলনে শামিল অন্য বিভাগের পড়ুয়ারাও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৬, ২০১৮, ০৯:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৬, ২০১৮, ০৯:২১

options
link
৩১ ঘণ্টা ঘেরাও থাকার পর অবশেষে মুক্ত উপাচার্য, যাদবপুরে জারি আন্দোলন zoom

স্টাফ রিপোর্টার: লাগাতার ৩১ ঘণ্টা চলল ঘেরাও। অবশেষে ঘেরাও-মুক্ত হলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সুরঞ্জন দাস। তবে বৃহস্পতিবার গভীর রাত পর্যন্ত অবস্থান বিক্ষোভ জারি রয়েছে।

[মধ্য কলকাতার ম্যাঙ্গো লেন থেকে উদ্ধার ইউরেনিয়াম, গ্রেপ্তার ৫]

Advertisement

কলাবিভাগের প্রবেশিকা পরীক্ষা নিয়ে বিস্তর টানাপোড়েন। শেষপর্যন্ত পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কর্মসমিতির সিদ্ধান্ত, প্রবেশিকা পরীক্ষা নয়, স্রেফ উচ্চমাধ্যমিক বা সমতুল পরীক্ষার নম্বরের ভিত্তিতে ভরতি নেওয়া হবে। প্রতিবাদে বুধবার বিকেল থেকে উপাচার্য ও রেজিস্ট্রারকে ঘেরাও করে রেখেছিলেন পড়ুয়া। রাতভর চলে ঘেরাও। বৃহস্পতিবার সকালে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অরবিন্দ ভবনের সামনে ভিড় আরও বাড়ে পড়ুয়াদের। প্রবেশিকা পরীক্ষার ফেরানোর দাবিতে আন্দোলনকে সমর্থন করে জুটাও। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার আবার ভরতির দিনক্ষণ ঘোষণা করে দেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। জানানো হয়, ১২ জুলাই পর্যন্ত ফর্ম ফিলাপ চলবে। কলাবিভাগে ভরতি নেওয়া হবে ২৭, ২৮, ৩০ এবং ৩১ জুলাই। শেষপর্যন্ত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ঘেরাওমুক্ত হলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সুরঞ্জন দাস। তবে আন্দোলন থেমে গেল, এমনটা কিন্তু বলা যাবে না।

বৃহস্পতিবার বেশি রাত পর্যন্ত যাদবপুরে অবস্থান বিক্ষোভ জারি রাখেন আন্দোলনকারীরা। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাবিভাগের প্রবেশিকা ফেরানোর দাবিতে আন্দোলনে শামিল হয়েছেন অন্য বিভাগের পড়ুয়ারাও। প্রবেশিকা পরীক্ষা না ফেরানো পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলে জানিয়েছেন পড়ুয়ারা। তাঁদের দাবি, কর্মসমিতির বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে প্রবেশিকা পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্ত হয়নি। ৬ জন সদস্য এই সিদ্ধান্তের বিপক্ষে ছিলেন। এদিকে আবার প্রবেশিকা বাতিলের সিদ্ধান্ত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে জানানো হয়নি। ফলে পূর্ব ঘোষণামতোই বৃহস্পতিবার প্রবেশিকা পরীক্ষা দিতে চলে এসেছিলেন অনেকেই। বিষয়টি জানার পর বিমর্ষ হয়ে পড়েন তাঁরা। আন্দোলনেও যোগ দেন কেউ কেউ।  এদিকে হস্টেলের দাবিতে অধ্যক্ষকে ঘেরাও করে আন্দোলন চলছিল কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালেও।বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ গিয়ে সেখানে অধ্যক্ষকে  ঘেরাওমুক্ত করে।

ছবি: অমিত ঘোষ

[অরক্ষিত কারশেড থেকে হকার-দুষ্কৃতী চড়ছে ট্রেনে, দেখেও উদাসীন রেল]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.