Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

জয়েন্টে ব্রাত্য বাংলা ভাষা, প্রতিবাদ সভায় বিজেপিকে আক্রমণ অভিষেকের

একই মঞ্চ থেকে বিজেপিকে আক্রমণ করেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়ও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১১, ২০১৯, ২১:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১১, ২০১৯, ২১:২১

options
link
জয়েন্টে ব্রাত্য বাংলা ভাষা, প্রতিবাদ সভায় বিজেপিকে আক্রমণ অভিষেকের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দলনেত্রী আগেই সরব হয়েছেন। এবার তাঁরই পদাঙ্ক অনুসরণ করে জয়েন্টে আঞ্চলিক ভাষা হিসেবে বাংলার অন্তর্ভুক্তির দাবিতে ধরনায় বসলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলা ভাষায় জয়েন্টের প্রশ্নপত্র নয় কেন, আঞ্চলিক ভাষা হিসেবে কেনই বা শুধু গুজরাটি ভাষা স্থান পেয়েছে, এই প্রশ্নও তোলেন তিনি। 

কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দেগে সোমবার মেয়ো রোডে গান্ধীমূর্তির পাদদেশে ধরনায় বসেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ধরনা মঞ্চে তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, বর্ষীয়ান দলনেতা সুব্রত মুখোপাধ্যায়ও। এদিন ধরনা মঞ্চ থেকে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে জোরালো বার্তা দেন অভিষেক। কিছুদিনের মধ্যে পার্লামেন্টে এই দাবি নিয়েও তৃণমূল সরব হবে বলেই জানিয়েছেন তিনি। ভারতবর্ষের প্রতিটি প্রান্তে আন্দোলনের ইঙ্গিত দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন অভিষেক বলেন, “বাংলার প্রতি বঞ্চনা করা হচ্ছে, বাঙালির প্রতি বঞ্চনা করা হচ্ছে, যতদিন বাংলা ভাষাকে স্বীকৃতি না দেওয়া হবে ততদিন এই লড়াই চলবে। এই লড়াইয়ে একজোট থাকুন।” যুব তৃণমূল নেতা আরও বলেন, “বাংলা ভাষা যদি জয়েন্টের প্রবেশিকায় স্বীকৃতি না পায়, তবে দিল্লির বুক থেকে বাংলা নিজের অধিকার ছিনিয়ে নেবে।”

Advertisement

[আরও পড়ুন : ছটে দূষিত নয় সরোবর, রিপোর্ট পেশ করে জানিয়ে দিল রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ]

কিছুদিন আগে এই একই দাবি জানিয়ে টুইটও করেন অভিষেক। যদিও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মানতে নারাজ বিজেপি। তাঁদের পালটা দাবি, গুজরাটি ভাষা অন্তর্ভুক্তিকরণের জন্য আবেদন করা হয়েছিল রাজ্যের তরফে। সেই কারণেই গুজরাটি ভাষা জয়েন্টে স্থান পেয়েছে। বাংলা ভাষার জন্য কোনওরকম আবেদন জমা করেনি পশ্চিমবঙ্গ। পাশাপাশি রাজ্যের বিরুদ্ধে পালটা অভিযোগ এনে তাঁদের যুক্তি, “কেন্দ্রের কোনও বৈঠকেই প্রতিনিধি পাঠায় না পশ্চিমবঙ্গ সরকার, উপস্থিত থাকেন না আমলারা।” একেও বাংলার পিছিয়ে পড়ার অন্যতম কারণ বলে দাবি কেন্দ্রের।

[আরও পড়ুন : ফের কলকাতার রাস্তায় ধস, এপিসি রোডে বড়সড় ফাটলের জেরে ব্যাপক যানজট ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.