২৭ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  শনিবার ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

অর্ণব আইচ: ফের কলকাতার গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় ধস। আর্মহার্স্ট স্ট্রিট থানার এলাকার জগৎ সিনেমার সামনে রাস্তায় সাত বাই আট ফুট একটি ফাটল দেখা গিয়েছে। যার জেরে যান চলাচল সম্পূর্ণ স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় মেরামতির চেষ্টা করছেন পুরসভার ইঞ্জিনিয়াররা। তবে এত বড় ফাটল মেরামতিতে সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন তাঁরা। গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে নেমেছেন সার্জেন্টরা।
কলকাতার রাস্তায় ধস নামা নতুন কোনও ঘটনা নয়। বেহালা, গোলপার্ক, শিয়ালদহ স্টেশন চত্বরের আশেপাশের রাস্তায় ফাটল দেখা গিয়েছে আগেই। প্রতিবারই দ্রুতগতিতে মেরামতির কাজ চলেছে। সপ্তাহের শুরুর দিন এপিসি রোডের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় এত বড় ফাটল দেখে স্বভাবতই আতঙ্কে নিত্যযাত্রীরা।

[ আরও পড়ুন: বুলবুলের বৃষ্টি মশার বংশবিস্তারের অনুকূল, আগামীতে আরও ভয়াবহ হতে চলেছে ডেঙ্গু]

সোমবার বেলার দিকে জগৎ সিনেমার সামনের রাস্তায় ধস নামার পর থেকে কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে যাওয়ার এই যে সংযোগকারী পথ কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে যায়। একে একে দাঁড়িয়ে পড়ে সমস্ত গাড়ি। একদিকে, ফুলবগান, মানিকতলা, অন্যদিকে, রাজাবাজারের দিক থেকে কোনও যানবাহনই শিয়ালদহ পৌঁছতে পারে না। বাড়তে থাকে যানজট। অনেকেই শিয়ালদহ থেকে নির্দিষ্ট ট্রেন ধরতে পারেননি অনেকেই।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন পুরসভার ইঞ্জিনিয়ররা। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় মেরামতির কাজ শুরু হয়। কিন্তু সাত ফুট বাই আট ফুট ধস মেরামতিতে দীর্ঘ সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন তাঁরা। কিন্তু ততক্ষণে রাস্তায় যানজট বেড়েই চলেছে। ফলে ট্রাফিক পুলিশকে নামতে হয় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। একপাশের রাস্তা বন্ধ রেখে আরেকপাশ দিয়ে দু’দিকের যান চলাচল করানো যায় কি না, সেই চেষ্টা চলে ট্রাফিক পুলিশের তরফে।

[ আরও পড়ুন: পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উলটে গেল স্কুলবাস, জখম অন্তত ২৫ পড়ুয়া]

সপ্তাহের প্রথম দিন ব্যস্ত সময়ে এমন পরিস্থিতির জেরে বেশ নাকাল হতে হয় নিত্যযাত্রীদের। তার চেয়েও বেশি আতঙ্ক গ্রাস করেছে তাঁদের। রাস্তার ফাটল মেরামতির কাজ শেষ না হলে, এখানে যানজট থাকবে বলেই আশঙ্কা। যদিও ট্রাফিক পুলিশের তরফে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে দ্রুতই ব্যবস্থা নিচ্ছেন তাঁরা।

ছবি: প্রবীর বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং