Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

অবশেষে উঠল বয়কট! ‘আদালতের সন্মান নষ্ট করবেন না’, আরজি বিচারপতি মান্থার

এজলাস বয়কট কাণ্ডে উত্তপ্ত রাজ্য।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১১, ২০২৩, ১৬:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১১, ২০২৩, ১৬:৩৮

options
link
অবশেষে উঠল বয়কট! ‘আদালতের সন্মান নষ্ট করবেন না’, আরজি বিচারপতি মান্থার zoom

গোবিন্দ রায়: বিচারপতির কঠোর মানসিকতার জেরে সিদ্ধান্ত বদল বার অ্যাসোসিয়েশনের। বুধবারে সকালে আইনজীনীরা ঢুকলেন বিচারপতি মান্থার এজলাসে। অর্থাৎ উঠল বয়কট। আদালতকে আশ্বস্থ করে বার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক বলেন, “আমি বারের সম্পাদক হিসেবে আশ্বস্থ করছি। আর কেউ বিচারে বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।” বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার অনুরোধ, “আদালতের সন্মান নষ্ট করবেন না।”

ঘটনার সূত্রপাত গত সোমবার। ওইদিন সকাল থেকে কলকাতা হাই কোর্টের (Calcutta HC) বিচারপতি মান্থার এজলাসে গেট আটকে বিক্ষোভে  (Agitation) শামিল হন আইনজীবীদের একাংশ। তিনি এজলাসে এসেও বিক্ষোভের জেরে চলে যান। এদিকে, তাঁর বিরুদ্ধে আদালতের বাইরের দেওয়ালে পোস্টার দেখা যায়। তাতে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ছবি দিয়ে ইংরাজিতে লেখা – “লজ্জা, বিচারব্যবস্থার নামে কলঙ্ক! কেউ আবার প্রশ্ন তুলেছেন – কোথায় আসল বিচার মিলবে?”  মঙ্গলবার সকালে আদালত খোলার পরও আইনজীবীদের একাংশ বিচারপতি মান্থার এজলাস বয়কটে অনড় থেকে শুনানিতে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। হাই কোর্টে বিচারপতি মান্থার বিরুদ্ধে পোস্টার পড়ে। এমনকী যোধপুর পার্কে তাঁর বাসভবনেও পোস্টার পড়ে। আইনজীবীদের তাঁর এজলাসে যেতে বাধা দেওয়ারও অভিযোগ ওঠে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: প্রাথমিকে নিয়োগ করা যাবে না পার্শ্বশিক্ষকদের, নির্দেশ কলকাতা হাই কোর্টের]

তবে বুধবারের ছবিটা অন্য। এদিন বিচারপতির মান্থার এজলাসের দরজা আটকে নেই কেউ। সব আইনজীবী ঢুকেছেন এজলাসে। বিচারপতি মান্থার এজলাসে ঢোকেন বয়কট পন্থীরাও। সঙ্গে ছিলেন বারের সম্পাদক বিশ্বব্রত বসু মল্লিক। আদালতকে আশ্বস্থ করে এদিন বার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক বলেন, “আমি বারের সম্পাদক হিসেবে আশ্বস্থ করছি, আর কেউ বিচারে বাধা হয়ে দাঁড়াবে না। তবে দু’পক্ষ না থাকলে সেই মামলায় কোনও রায় না দেওয়ার অনুরোধ করছি।” এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা বলেন, “আমার একটা অনুরোধ, আদালতের সন্মান নষ্ট করবেন না।” প্রসঙ্গত, এই পোস্টার ও বয়কট কাণ্ডে অসন্তুষ্ট রাজ্য সিভি আনন্দ বোস। তিনি বিষয়টি দিল্লিতে জানাবেন বলেও জানিয়েছেন। 

[আরও পড়ুন: ‘এভাবে বিচারব্যবস্থাকে সন্ত্রস্ত করা যাবে না’, এজলাস বয়কট নিয়ে বিস্ফোরক অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.