Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
করোনা

বাজার থেকে উধাও করোনা চিকিৎসার জরুরি ওষুধ, বিপাকে রোগীর আত্মীয়রা

কবে বাজার আসবে ওষুধ? অপেক্ষায় চিকিৎসকরাও।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০২০, ২৩:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০২০, ২৩:১৪

options
link
বাজার থেকে উধাও করোনা চিকিৎসার জরুরি ওষুধ, বিপাকে রোগীর আত্মীয়রা zoom
Advertisement

শুভঙ্কর বসু: রেমডিভিসির (Remdesivir) ও টোসিলিজুম্যাব, এই দুটো ওষুধই করোনা (Corona Virus) চিকিৎসায় ব্যবহার হচ্ছিল। কিন্তু বর্তমানে ওষুধ দুটোই বাজার থেকে কর্পূরের মতো উধাও হয়ে গিয়েছে। কোনও ওষুধের দোকানে মিলছে না দুটির একটিও। গত কয়েকদিন ধরে রোগীর আত্মীয় পরিজনরা শহর ও শহরতলির বিভিন্ন দোকানে কার্যত হত্যে দিলেও দোকানদাররা ওষুধ দিতে পারছেন না। সকলেরই বক্তব্য, আগামী মাসের আগে এই দুটির কোনওটিই মিলবে না। কিন্তু কেন? তাহলে কি এই দুটি ওষুধকে কেন্দ্র করে কালোবাজারি শুরু হয়েছে?  

এবিষয়ে বিখ্যাত ফার্মাসিটিক্যাল চেন ধন্বন্তরি মেডিকেয়ারের এমডি রাজেন্দ্র খান্ডেলওয়ালের বক্তব্য, “কালোবাজারি শুরু হয়েছে কিনা বলতে পারব না। তবে কোনও ওষুধ বিক্রেতার কাছেই এই দুটি ওষুধের স্টক নেই। যে কারণে রোগীর পরিজনরা এই ওষুধের খোঁজ করলে তাদের ফিরিয়ে দিতে হচ্ছে।” কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের ১৩ জুনের আপডেটেড ক্লিনিক্যাল মানেজমেন্ট প্রটোকল অনুযায়ী কোভিড চিকিৎসায় রেমডিসিভির ও টোসিলিজুম্যাব ব্যবহার হচ্ছিল। কিন্তু ব্যাবহার শুরুর কয়েকদিনের মধ্যেই খালি স্টক। কেন ওষুধের দোকানে মিলছে না এই দুটি ওষুধ? রাজেন্দ্রবাবুর বক্তব্য, “প্রস্তুতকারকরা সরাসরি এই ওষুধ হাসপাতাল বা পেশেন্ট পার্টির কাছে বিক্রি করে দিচ্ছে। ডাক্তাররাই সেসব যোগাযোগ করে দিচ্ছেন। যেসব পেশেন্ট পার্টি পাচ্ছেন তাঁরা কিনছেন, যারা পাচ্ছেন না তাঁরা ছোটাছুটি করছেন।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: ১০ দিন হাসপাতালে ঘুরেও মেলেনি চিকিৎসা, মৃত্যুর পর বৃদ্ধার করোনা পরীক্ষা!]

এ বিষয়ে ইন্ডিয়ান ফার্মেসি অ্যাসোসিয়েশনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন রাজেন্দ্র বাবু। টোসিলিজুম্যাবের দাম ৪৪ হাজার টাকা। রেমডিসিভির মেলার কথা ৪ থেকে ৫ হাজার টাকায়। কিন্তু যেহেতু ওষুধের দোকান গুলোতে এই ওষুধ পাওয়া যাচ্ছে না ফলে সেগুলি কত দামে বিকোচ্ছে সে বিষয়টি নিয়ে অন্ধকারে ওষুধ বিক্রেতারা। যদিও বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালের চিকিৎসকদের একাংশের বক্তব্য, যেহেতু এই ওষুধ সংরক্ষণের অনেক নিয়ম রয়েছে তাই সরাসরি প্রস্তুতকারকদের থেকেই তা নিয়ে নিতে বলা হচ্ছে।
তবে ওষুধ বিক্রেতাদের অভিযোগ, গত ৩ জুলাই যে সংখ্যক রেমডিসিভির এ রাজ্যে এসেছিল তা নির্ধারিত দামের চেয়ে তিন থেকে চার গুণ বেশি দামে বিকিয়েছে। অনেকে আবার জানাচ্ছেন, এই ওষুধগুলি বেশিরভাগ মহারাষ্ট্র চলে যাওয়ার জন্য বাংলায় এর কমসংখ্যক সাপ্লাই রয়েছে। সব মিলিয়ে আপাতত এই দুটি জরুরি ওষুধ কবে থেকে ফের ওষুধের দোকানগুলিতে মিলতে শুরু করবে তা নিয়ে ধন্দ্বে সকলেই।

[আরও পড়ুন: সুখবর, করোনা আবহে বন্ধ থাকার পর খুলছে BR সিং হাসপাতালের স্পেশ্যাল ক্লিনিক]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.