২১ চৈত্র  ১৪২৬  শনিবার ৪ এপ্রিল ২০২০ 

Advertisement

পুরভোটে তৃণমূলকে চ্যালেঞ্জ দিতে ডাকাবুকো প্রার্থীই প্রথম পছন্দ বিজেপির

Published by: Subhamay Mandal |    Posted: February 15, 2020 7:52 pm|    Updated: February 15, 2020 7:52 pm

An Images

ফাইল ফটো

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: পুরভোটে দলের প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে নতুন-পুরনো ভেদাভেদ নয়। ভোটযুদ্ধে শাসকদলকে চ্যালেঞ্জ দিতে সেরকম যোগ্য ব্যক্তিকেই প্রার্থী করা হবে। এলাকার চারিত্রিক বৈশিষ্টের উপর প্রার্থী বাছাই করা হবে। যেখানে বিশিষ্টজন দরকার সেখানে চিকিৎসক-শিক্ষকদের প্রার্থী। আবার যেখানে ‘ডাকাবুকো’ প্রার্থী দরকার সেখানে দমদার নেতা। এভাবেই আসন্ন পুর নির্বাচনের লড়াইয়ের রণকৌশল ঠিক করে নিতে চাইছে বঙ্গ বিজেপি।

পাশাপাশি পুরভোটের ঠিক আগে ও ২০২১-র বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোট কৌশল ঠিক করতে আগামী ১ মার্চ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সঙ্গে রাজ্যে আসছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানান, ১ মার্চ আসার প্রাথমিক সম্মতি দিয়েছেন অমিত শাহ। কলকাতাতেই কর্মসূচি হবে। সিএএ নিয়ে কনভেনশন হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে শাহকে সংবর্ধনা দেওয়া হতে পারে। এছাড়াও, দলের রাজ্য নেতাদের নিয়ে সাংগঠনিক বৈঠক করবেন শাহ ও নাড্ডা।

[আরও পড়ুন: CAA’র জন্য অমিত শাহকে সংবর্ধনা দেবে বঙ্গ বিজেপি, নয়া রণনীতি দিলীপদের]

রাজ্যে আসন্ন পুরভোটের প্রস্তুতি নিয়ে শনিবার কলকাতায় আইসিসিআর অডিটোরিয়ামে দলের সাংসদ, বিধায়ক, জেলা সভাপতি ও রাজ্য পদাধিকারীদের নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করল বিজেপি। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপির দুই কেন্দ্রীয় নেতা শিবপ্রকাশ ও অরবিন্দ মেনন, রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, রাহুল সিনহা, নির্বাচনী ম্যানেজমেন্ট কমিটির আহ্বায়ক মুকুল রায়, সুব্রত চট্টোপাধ্যায়, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরি প্রমুখ। কোন পুরসভার কী পরিস্থিতি রয়েছে, সেখানকার দলের সাংসদদের বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া, প্রতিটি পুরসভার নির্বাচনী কমিটি করা-এসব বিষয় নিয়েই আলোচনা হয়। উপস্থিত প্রতিনিধিরা বলেন, তৃণমূলে টিকিট না পেয়ে অনেকেই প্রার্থী হওয়ার জন্য আসতে পারেন। আবার দলের পুরনোরাও সেখানে দাবিদার রয়েছেন। আবার পুরভোটে অশান্তির আশঙ্কার কথাও শুনিয়ে রাখেন অনেকে। এ প্রসঙ্গেই অনেকের প্রস্তাব, ডাকাবুকো প্রার্থী করতে হবে।

যদিও কয়েকজন সাংসদ অবশ্য এই ডাকাবুকো প্রার্থীর বিষয়টি নিয়ে দ্বিমত পোষন করেন। তাঁদের কথায়, সমাজের বিশিষ্টদের প্রার্থী করার বিষয়টিতে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। এমনটাই খবর দলীয় সূত্রে। প্রতিনিধিদের প্রস্তাব শুনে নোট নেন বৈঠকে উপস্থিত দলের কেন্দ্রীয় নেতা শিবপ্রকাশ। তবে দলীয় নেতৃত্বের ইঙ্গিত, পুরনো-নতুন মিলিয়েই প্রার্থী করা হবে। পুরভোটে লড়াইয়ের ময়দানে শাসকদলকে এক ইঞ্চিও জমিও ছাড়া হবে না বৈঠক শেষে এমনই বক্তব্য দলের আর এক কেন্দ্রীয় নেতা অরবিন্দ মেননের। দিলীপ ঘোষও এদিন পুরভোটের আগে শাসকদলকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, “পুরভোট একতরফা হবে না। তার প্রস্তুতি নিচ্ছি। আগের বিজেপি আর এখনকার বিজেপি এক নয়। কী করে মোকাবিলা করতে হবে জানি।”

Advertisement

Advertisement

Advertisement