Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬

ভাগাড়ের মাংসের সঙ্গে পাল্লা ভেজাল মদের, বিদেশি স্কচেও মিশছে সস্তার দেশি হুইস্কি

বন্ধ হল পানশালা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২২, ২০১৮, ১০:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২২, ২০১৮, ১০:৩৩

options
link
ভাগাড়ের মাংসের সঙ্গে পাল্লা ভেজাল মদের, বিদেশি স্কচেও মিশছে সস্তার দেশি হুইস্কি zoom
Advertisement

অর্ণব আইচ : দেশি মদেও বিপদ। জাল মদ ছিলই। এবার ভাগাড়ের মাংস আর মরা মুরগির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বিদেশ থেকে আমদানি হওয়া হাজার টাকা পেগের মদেও চালানো হচ্ছিল ভেজাল। বিদেশি স্কচের সঙ্গে বেমালুম দেশি সস্তার হুইস্কি মিশিয়ে পেগ বানিয়ে তুলে দেওয়া হচ্ছিল সম্ভ্রান্ত পরিবারের মানুষগুলির হাতে। খুশিমনে সেই ‘স্কচ’ খেয়েও নিচ্ছিলেন অনেকে। কিন্তু তা এড়াতে পারেনি রাজ্য আবগারি দপ্তরের আধিকারিকদের চোখ।

[  ফের পুলিশের জালে ভুয়ো চিকিৎসক, জালিয়াতির নেপথ্যে দিল্লির চক্র! ]

Advertisement

আইপিএল ম্যাচের পর শহরের একটি নামী ও বিলাসবহুল হোটেলের একটি পানশালায় চলছিল পার্টি। তাতে উপস্থিত ছিলেন শহরের বহু গণ্যমান্য ব্যক্তিও। বহু অতিথির হাতে ছিল বিদেশি ‘স্কচ’-এর গ্লাস। আবগারি দপ্তরের আধিকারিকদের অভিযোগ, পার্টিতে আসা অতিথিরা বুঝতেও পারেননি সেগুলি আসল বিদেশি স্কচ না কি তাতে মেশানো রয়েছে ‘দিশি হুইস্কি’র ভেজাল। রবিবার রাতেই ওই বিলাসবহুল হোটেলের পানশালায় তল্লাশি চালিয়ে প্রচুর বিদেশি মদের বোতল উদ্ধার হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, ওই নামী হোটেলের অন্যান্য পানশালাগুলিতে একইভাবে বিক্রি করা হত বিদেশি মদ। আবগারি দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সোমবার তল্লাশি চালিয়ে ওই হোটেলটির চারটি পানশালাই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কড়া নজরদারি শুরু হয়েছে কলকাতা ও তার লাগোয়া প্রত্যেকটি বিলাসবহুল হোটেলের পানশালাগুলির উপর। আবগারির গোয়েন্দাদের নজর রয়েছে শহরের পাঁচতারা হোটেলগুলির দিকেও।

[  নগদ ১০ লক্ষ টাকার জাল নোট নিয়ে ক্যানিং স্ট্রিট থেকে পাকড়াও ২ পাচারকারী ]

রাজ্য আবগারি দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কিছুদিন ধরেই বিশেষ সূত্রে খবর পেয়ে শহরের কয়েকটি বিলাসবহুল হোটেলের উপর নজর রাখা হচ্ছিল। গোয়েন্দারা জানতে পারেন যে, ওই বিলাসবহুল হোটেলটিতে বেআইনিভাবে ঢুকেছে প্রচুর সংখ্যার বিদেশি মদের বোতল। অনেক দেশেই বিক্রি হয় শুল্কছাড়া মদের বোতল, যেগুলির দাম কম। নিজেদের ব্যবহারের জন্য সেগুলি কিনে আনতে শুল্কও দিতে হয় না। কয়েকজন এজেন্ট রয়েছে, যারা থাইল্যান্ড-সহ বেশ কয়েকটি দেশ থেকে শুল্কছাড়া বিদেশি মদ কিনে নিয়ে আসে অথবা অন্য বিমানযাত্রীর কাছ থেকে কিনে নেয়। সেই মদই কিছুটা বেশি দাম দিয়ে তারা বিক্রি করে শহরের কয়েকটি নামী হোটেলে যেখানে বিদেশিদের সমাগম বেশি অথবা অতিথিরা বিদেশি স্কচ বা অন্য বিদেশি মদ পান করতে যান। আবগারি গোয়েন্দাদের কাছে খবর, অনেকেই বিদেশি মদের স্বাদের সঙ্গে পরিচিত নন। আবার বহু অতিথিই দুই বা ততোধিক পেগ মদ্যপান করার পর আর স্বাদ বুঝতে পারেন না। সেই সুযোগ নেয় কয়েকটি পানশালা। তারা বোতল থেকে বিদেশি মদ বের করে নিয়ে তাতে মিশিয়ে দেয় তুলনামূলক কম দামের মদ। এই ‘ভেজাল’ মদ স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকরও হয়ে উঠতে পারে। বেআইনি বিদেশি মদ বন্ধ করতে আবগারি গোয়েন্দারা খোঁজ চালাচ্ছেন ওই এজেন্টদের, যারা বিদেশি মদ পাচারের সঙ্গে যুক্ত।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.